Home Blog

গর্ভবতী মায়ের কি কি কাজ করা নিষেধ

গর্ভবতী মায়ের কি কি কাজ করা নিষেধ

প্রথমেই গর্ভবতী মা সম্পর্কে বলতে গেলে, গর্ভবতী মা একজন এমন মানুষ আর দশটা স্বাভাবিক মানুষের মত কাজগুলো করতে পারে না। কাজ করলে মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়। একটা মা তার সন্তানের জন্য সব কাজ করার ক্ষমতা থাকলেও সন্তানের ঝুঁকি হবে এটা ভেবে কাজ করে না। মা তার গর্ভের সন্তানকে ভালোবাসে। আর সেই ভালোবাসার তাগিদে সন্তান পৃথিবীর বুকে সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে ভূমিষ্ঠ হতে পারে এবং সুস্থ স্বাভাবিক জীবন পরবর্তী জীবন কাটাতে পারে তার কথা ভেবে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে গর্ভবতী মা বিরত থাকে।
নিম্নে আপনাদের জানানো হচ্ছে যে কি কি কাজ করলে গর্ভবতী মহিলার ঝুঁকিপূর্ণ হবে তার তালিকা প্রদান করা হলো।

গর্ভবতী মায়ের কি কি কাজ করা নিষেধ

  • গর্ভবতী মা গর্ভকালীন সময়ে অর্থাৎ প্রথম তিন মাস শেষের তিন মাস অতিরিক্ত পরিশ্রম হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে । অতিরিক্ত পরিশ্রম মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
  • গর্ভকালীন সময়ে একজন মা তার শিশুর সুস্থতা রক্ষা করার জন্য ভারী জিনিস বহন করা বা তোলা থেকে বিরত থাকবে ভারী জিনিস বহন করার জন্য যে শক্তি বা ক্ষমতা শিশুর সুস্থতা বজায় রাখতে ব্যহত করে এতে করে মায়ের গর্ভে থাকতে পারে।
  • গর্ভকালীন মাতার গর্ভকালীন সময়ে নিজের জীবনের সর্তকতা অবলম্বন এ শুধু নয় তার গর্ভে থাকা শিশুটির সুস্থতা অবলম্বনে সতর্কতার সহিত স্থান থেকে হাঁটাচলা থেকে বিরত থাকবে স্থান থেকে হাঁটাচলা করার সময় গর্ভবতী মা পা ফসকে পড়ে যেতে পারে এতে করে গর্ভবতী মায়ের গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে বা পৃথিবীতে একটি সুস্থ  সন্তান প্রসব নাও করতে পারে।
  • গর্ভবতী মা উপরে ওঠার জন্য সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করবে কারণ সিঁড়ি বেয়ে ওঠার জন্য গর্ভবতী মায়ের গর্ভের সন্তানের ঝুঁকিপূর্ণ থাকে।

গর্ভবতী মায়ের করণীয়/বর্জনীয়

এখন বলতেছি গর্ভবতী মায়ের শরীরের জন্য যে কাজগুলো অতীব প্রয়োজনীয় এ বিষয়ে কিছু কথা বলতে চাই। এ সময় গর্ভবতী মা দিনের বেলায় কমপক্ষে দুই ঘণ্টা ঘুম বা এবং রাতে কমপক্ষে 8 ঘন্টা ঘুমানো উচিত। ঘুমানো বা বিশ্রামের সময় কাত হয়ে ঘুমানো ভালো। গর্ভবতী মায়ের অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আরামদায়ক সহজে পরিধানযোগ্য পোশাক ও ঢিলা ঢালা পোশাক পড়া উচিত। সঠিক মাপের ও নরম জুতা পরতে। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই হিল পরিহার করা উচিত। এ সময় নিয়মিত সাবান দিয়ে ভালোভাবে গোসল করতে হবে। গর্ভকালীন মায়েদের দাঁতগুলো বেশ নরম হয়ে যায়। তাই দাঁত ও মাড়ির বিশেষ যত্ন নিতে হবে। চার থেকে আট মাসের মধ্যে অবশ্যই টিটেনাসের টিকা দিতে হবে। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তাই ইনফুলেনজা ,হাম, চিকেন পক্স ইত্যাদি ছোঁয়াচে রোগ আক্রান্ত রোগী থেকে দূরে থাকতে হবে।

গর্ভবতী মায়ের জন্য বিশেষ সতর্কতা

অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ভয় ইত্যাদি গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর তাই, এসব এড়িয়ে চলতে হবে। প্রথম দিন শেষে তিন মাস সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা যাবেনা। পানিশূন্যতা রোধে স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক পরিমাণে পানি পান করতে হবে সব ধরনের ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া আবশ্যক।

পরিশেষে বলতে চাচ্ছি যে এতক্ষন আমাদের সাথে থেকে পোস্টটি পড়েছেন এ জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনাদের কাছে আশা করি একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য এ কাজগুলো করে গর্ভবতী মা
উপকৃত হবে।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার উপায় ও করণীয়

আসসালামু ওলাইকুম নরমাল ডেলিভারি এ কথাটি আমাদের সমাজে এখন খুব বেশি শুনতে পারছি না। সিজার শব্দটি জড়িয়ে গেছে প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে। গর্ভবতী মা যখন বাচ্চা কনসেপ্ট করে তখন সেভাবে আমি অসুস্থ কিন্তু এটা সঠিক নয়। গর্ভবতী হওয়া ও জীবনে একটি পাট মেয়েদের জন্য। এ কথাটি মনে রেখে গর্ভবতী মা যদি তার দৈনন্দিন জীবনে আগেও যেমন  চলাচল করে তার নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে।তবে মায়ের গর্ভকালীন সময় কে পার করতে কষ্ট হবে না।এখন সমাজ সভ্যতার সাথে সাথে মানুষের মনের পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু আমাদের মা, নানি, দাদি, এদের কথা ভেবে দেখলে এরা যদি আমাদেরকে নরমাল ডেলিভারি অর্থাৎ সাধারণভাবে পৃথিবীর বুকে ভূমিষ্ঠ করতে পারে সে ক্ষেত্রে আমাদেরও পারতে হবে। এই মনোভাব নিয়ে প্রেগনেন্সির সময় পার করতে হবে। নরমাল ডেলিভারি করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কাজগুলো করতে হবে । গর্ভবতী মা হচ্ছে একজন মানুষ সবার আগে এই কথাটি মনে রাখতে হবে। আর অসুস্থ এই কথাটি ভাবা যাবে না ভাবতে হবে যে আমি মা হতে যাচ্ছি অসুস্থ নয়। মনের ভিতর সাহস আল্লাহর উপর দীর্ঘ বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যা যা কাজ সবগুলো করতে হবে সঠিকভাবে খাবার খেতে হবে বিশ্রাম নিতে হবে। অকারনে রাত জাগা যাবে না সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে খাবার খেতে হবে এবং সকালে বিশেষ করে কমপক্ষে আধা ঘন্টা হাঁটতে হবে। যদি গর্ভবতী মা মনে করে বাইরে হাঁটতে যাবে না সেক্ষেত্রে সে ঘরের ভিতরে হাঁটতে পারে কিন্তু সকালে সূর্যের আলো বাতাস গর্ভবতী মায়ের বাচ্চার জন্য খুবই উপকৃত। নরমাল ডেলিভারি হওয়ার উপায় নরমাল ডেলিভারির জন্য মা লাইফ স্টাইল থেকে যে কাজগুলো পরিহার করবে। প্রথমত একজন গর্ভবতী মা আগে তার খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করে থাকবে‌ আগে যদি সে সঠিক সময়ে খাবার না খেতে তবে এখন তার গর্ভে থাকা সন্তানটির কথা ভেবে সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। অবশ্যই তার খাবারের তালিকা থেকে তৈলযুক্ত অর্থাৎ ফাস্টফুড খাবার গুলো বাদ দিতে হবে আর ঘরে তৈরি সাধারণ খাবার খাবে। দ্বিতীয়ত গর্ভবতী মায়ের ঘুমের অভ্যাস এর পরিবর্তন করতে হবে মা যদি আগে দেরি করে ঘুমাতে তবে এখন থেকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়বে এতে করে গর্ভে থাকা সন্তান  বিশ্রাম পাবে এবং মা নিজেও বিশ্রামে থাকতে পারবে। গর্ভবতী মা দূরে থেকে ভ্রমণ পরিহার করবে। কেননা দূর ভর্তি যাতায়াতের জন্য মায়ের গর্ভে থাকা সন্তানটির ঝুঁকিপূর্ণতা  হতে পারে। নরমাল ডেলিভারি হওয়ার ফলে একজন মায়ের যে সকল উপকার হয়ে থাকে। নরমাল ডেলিভারি হওয়ার গর্ভবতী সন্তান পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ করার পর থেকে দু'তিনদিনের  মধ্যে মোটামুটি স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে । তেমন বেশিকষ্ট ভোগ করতে হয়না। নরমাল ডেলিভারির জন্য করণীয় মা সারা জীবনের জন্য সুস্থতা অবলম্বন করতে পারে। পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে। আর অপরদিকে একজন সিজারিয়ান মায়ের ক্ষেত্রে ভিন্নতা হয়ে থাকে। সিজারিয়ান মা চাইলেই স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না তার সুস্থতার জন্য কমপক্ষে একটি মাসের প্রয়োজন হয়। আর সারা জীবনের জন্য সে তো তার সমস্যাটি ভোগ করতেই থাকে শিশুর ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। সর্বশেষ বলতে চাচ্ছি যে এতক্ষন আমাদের সঙ্গে থেকে ধৈর্যের সাথে পোস্টটি পড়ার জন্য আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।যদি আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো  আপনাদের নিজেদের জীবনে ব্যবহার করে উপকৃত হন এবং অন্যকে বুঝিয়ে উপকার করেন তবেই আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।

আসসালামু ওলাইকুম নরমাল ডেলিভারি এ কথাটি আমাদের সমাজে এখন খুব বেশি শুনতে পারছি না। সিজার শব্দটি জড়িয়ে গেছে প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে। গর্ভবতী মা যখন বাচ্চা কনসেপ্ট করে তখন সেভাবে আমি অসুস্থ কিন্তু এটা সঠিক নয়। গর্ভবতী হওয়া ও জীবনে একটি পাট মেয়েদের জন্য। এ কথাটি মনে রেখে গর্ভবতী মা যদি তার দৈনন্দিন জীবনে আগেও যেমন  চলাচল করে তার নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে।তবে মায়ের গর্ভকালীন সময় কে পার করতে কষ্ট হবে না।এখন সমাজ সভ্যতার সাথে সাথে মানুষের মনের পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু আমাদের মা, নানি, দাদি, এদের কথা ভেবে দেখলে এরা যদি আমাদেরকে নরমাল ডেলিভারি অর্থাৎ সাধারণভাবে পৃথিবীর বুকে ভূমিষ্ঠ করতে পারে সে ক্ষেত্রে আমাদেরও পারতে হবে। এই মনোভাব নিয়ে প্রেগনেন্সির সময় পার করতে হবে।

নরমাল ডেলিভারি করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কাজগুলো করতে হবে । গর্ভবতী মা হচ্ছে একজন মানুষ সবার আগে এই কথাটি মনে রাখতে হবে। আর অসুস্থ এই কথাটি ভাবা যাবে না ভাবতে হবে যে আমি মা হতে যাচ্ছি অসুস্থ নয়। মনের ভিতর সাহস আল্লাহর উপর দীর্ঘ বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যা যা কাজ সবগুলো করতে হবে সঠিকভাবে খাবার খেতে হবে বিশ্রাম নিতে হবে। অকারনে রাত জাগা যাবে না সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে খাবার খেতে হবে এবং সকালে বিশেষ করে কমপক্ষে আধা ঘন্টা হাঁটতে হবে। যদি গর্ভবতী মা মনে করে বাইরে হাঁটতে যাবে না সেক্ষেত্রে সে ঘরের ভিতরে হাঁটতে পারে কিন্তু সকালে সূর্যের আলো বাতাস গর্ভবতী মায়ের বাচ্চার জন্য খুবই উপকৃত।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার উপায়

নরমাল ডেলিভারির জন্য মা লাইফ স্টাইল থেকে যে কাজগুলো পরিহার করবে। প্রথমত একজন গর্ভবতী মা আগে তার খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করে থাকবে‌ আগে যদি সে সঠিক সময়ে খাবার না খেতে তবে এখন তার গর্ভে থাকা সন্তানটির কথা ভেবে সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। অবশ্যই তার খাবারের তালিকা থেকে তৈলযুক্ত অর্থাৎ ফাস্টফুড খাবার গুলো বাদ দিতে হবে আর ঘরে তৈরি সাধারণ খাবার খাবে। দ্বিতীয়ত গর্ভবতী মায়ের ঘুমের অভ্যাস এর পরিবর্তন করতে হবে মা যদি আগে দেরি করে ঘুমাতে তবে এখন থেকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়বে এতে করে গর্ভে থাকা সন্তান  বিশ্রাম পাবে এবং মা নিজেও বিশ্রামে থাকতে পারবে। গর্ভবতী মা দূরে থেকে ভ্রমণ পরিহার করবে। কেননা দূর ভর্তি যাতায়াতের জন্য মায়ের গর্ভে থাকা সন্তানটির ঝুঁকিপূর্ণতা  হতে পারে।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার ফলে একজন মায়ের যে সকল উপকার হয়ে থাকে। নরমাল ডেলিভারি হওয়ার গর্ভবতী সন্তান পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ করার পর থেকে দু’তিনদিনের  মধ্যে মোটামুটি স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে । তেমন বেশিকষ্ট ভোগ করতে হয়না।

নরমাল ডেলিভারির জন্য করণীয়

মা সারা জীবনের জন্য সুস্থতা অবলম্বন করতে পারে। পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে। আর অপরদিকে একজন সিজারিয়ান মায়ের ক্ষেত্রে ভিন্নতা হয়ে থাকে। সিজারিয়ান মা চাইলেই স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না তার সুস্থতার জন্য কমপক্ষে একটি মাসের প্রয়োজন হয়। আর সারা জীবনের জন্য সে তো তার সমস্যাটি ভোগ করতেই থাকে শিশুর ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।

সর্বশেষ বলতে চাচ্ছি যে এতক্ষন আমাদের সঙ্গে থেকে ধৈর্যের সাথে পোস্টটি পড়ার জন্য আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।যদি আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো  আপনাদের নিজেদের জীবনে ব্যবহার করে উপকৃত হন এবং অন্যকে বুঝিয়ে উপকার করেন তবেই আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।

শিশুর কান্না বন্ধ করার দোয়া ও কান্না থামানোর উপায়

শিশুর কান্না বন্ধ করার দোয়া ও কান্না থামানোর উপায়

আসালামু আলাইকুম। যেসব শিশু বিনা কারণেই হঠাৎ করে দিনে রাতে কান্না করে পিতা-মাতাকে অতিষ্ঠ করে তোলে। কোন কিছু দিয়ে থামানো সম্ভব হয় না। হোক সে ছেলে সন্তান বা মেয়ে সন্তান কান্না করে। কান্নার ফলে সন্তানটি উপর বাবা-মা ভাই-বোন দাদা-দাদি এবং প্রতিবেশী সবাই বিরক্ত বোধ করে। বাবা মা সন্তানের উপর বিরক্ত হয়ে নানা ধরনের বদ দোয়া দিয়ে থাকে। বাবা-মা কান্না বন্ধ করার জন্য সেই সন্তানকে হুজুর বা কোন কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে ঝাড়ফুঁক তাবিজ বা তৈল পড়া পানি পড়া  দিয়ে থাকে সন্তান যেন কান্না বন্ধ করে। অনেক সময় এতে করে ও শিশুটির কান্না বন্ধ হয় না। সেই বাবা-মায়েরা ভাবতে থাকে সন্তানটির কিভাবে কান্না বন্ধ করা যায়। কান্না সন্তানের রোগের মত আকার ধারণ করে। যার ফলে সন্তান নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং পরিবারের সবাই অস্থিরতায় ভোগায়।

সন্তানের কান্না বন্ধ করার জন্য পরিবারের সবাইকে এবং সন্তানকে কান্না নামক রোগ থেকে মুক্তি অথবা বন্ধ করার জন্য কোরআন থেকে যে দোয়া আছে নিম্নে প্রদান করা হলো দোয়াটি হচ্ছে সূরা আল ইমরানের 18 নম্বর আয়াত আর আয়াতটি সঠিক ও সহি শুদ্ধ করে পড়ে শিশুর শরীরে ফু দিতে হবে।এতে করে আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে এই শিশুটির কান্না বন্ধ হয়ে যাবে ধীরে ধীরেএবং শিশুটিও স্বস্তি বোধ করবে অসুস্থতার হাত থেকে।যার ফলে সে আর দশটা স্বাভাবিক বাচ্চাদের মত ঘোরাফেরা, খেলাধুলা, খাবার খাওয়া ইত্যাদি কাজ সঠিক ভাবে করতে পারো।

শিশুর কান্না বন্ধ করার জন্য দোয়া

এখন বলতে চাচ্ছি শিশুর কান্না বন্ধ করার জন্য দোয়া টি পড়ার নিয়ম। আয়াতটি পড়ার আগে অবশ্যই পাক-পবিত্রতা করে নিতে হবে। এজন্য তওবা করতে হবে প্রথমে। এখন আয়াতটি পড়ার আগে তিনবার সুন্দর করে দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে। তারপর সূরা আল ইমরানের 18 নম্বর আয়াত পড়তে হবে। তারপর আবারো দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে। এবার আয়াতটি পাঠ করে তিনবার  বাচ্চার  শরীরে তিনটি ফু দিতে হবে। এবার যদি তেল অথবা পানি পড়া পড়ার জন্য আয়াতটি ব্যবহার করা হয় সে ক্ষেত্রে আয়াতটি পড়তে হবে 21 বার, পরে তিন বার দুরুদ শরীফ,পরে আয়াতটি আবারো 21 বার পড়ে পানিতে বা তৈল তিনটি  ফুঁ দিতে হবে। এখন বাচ্চাটির জন্য ওই তদবির গুলো ব্যবহার করতে হবে প্রতিনিয়ত।

বাচ্চার কান্না থামানোর উপায়

বাচ্চা পৃথিবীতে আসার পর থেকে কান্না করবে এটা সঠিক নয় হয়তো বা শিশুটির কোন শারীরিক রোগ হয়েছে ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে হবে। যদি দেখে ডাক্তারের রোগ হয়নি, সে ক্ষেত্রে দেখতে হবে বাচ্চাটির জিন পরি থেকে কোন সমস্যা হলো কিনা। যদি দেখে যে বাচ্চাটির জিন পরি থেকে কোন সমস্যা হয়েছে এক্ষেত্রে মসজিদের হুজুর অথবা কবিরাজের দাঁড়া ঝার ফুক প্রদান করতে হবে। এবং আল্লাহ পাকের কোরআন শরীফে অনেক ধরনের দোয়া আছে সেগুলো কে আয়ত্ত করে বাচ্চার জন্য দোয়া পাঠ করে শরীরে ফু অথবা তেলপড়া বা পানি পরা তৈরি করে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। প্রতিদিন সকাল-বিকাল রাতে তেল পড়া শরীরে মাখিয়ে দিতে হবে এবং পানি পড়া খাইয়ে দিতে হবে। যার ফলে বাচ্চাটির উপর কোন জিন পরী প্রভা  পড়বে না ইনশাল্লাহ। আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে বাবা-মায়ের চিন্তামুক্ত হবে কান্না নামক রোগটি থেকে আর  সন্তানটিও সুস্থতা ফিরে পাবে।

পরিশেষে বলতে চাচ্ছি, সন্তানের কান্না বন্ধ করার জন্য যে দোয়া ও উপায় আপনাদের উদ্দেশ্যে বর্ণিত করেছি এগুলো আপনারা আপনাদের জীবনে ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন এবং অন্যকেও জানাতে সাহায্য করবেন তাতে করে সবার  সন্তান সুস্থতা অবলম্বন করবে। আল্লাহ হাফেজ এতক্ষন আমাদের সঙ্গে থাকার  জন্য।

জাতিসংঘ দিবস: গঠনের ইতিহাস, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

জাতিসংঘ দিবস

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত হয় জাতিসংঘ। এর আগে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল লীগ অফ নেশন। কিন্তু লীগ অব নেশনস এর ব্যর্থতার পর বিশ্বের পরাশক্তি গুলো একত্রিত হয়ে জাতিসংঘ নামক নতুন একটি সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন।জাতিসংঘে মূলত স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো সদস্যপদ লাভ করে। এবং জাতিসংঘ এই রাষ্ট্রগুলোকে নিরাপত্তা সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক শাস্তি নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জাতি বা দেশের মধ্যে সমঅধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নীতির ভিত্তিতে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের প্রসার এবং বিশ্বশান্তি  জন্য অন্যান্য উপযুক্ত কর্মপন্থা গ্রহণ, যেমন: অর্থনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক বা মানবিক বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিকাশ সাধন এবং মানবাধিকার ও জাতিগোষ্ঠীর স্ত্রী-পুরুষ, ভাষা ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উৎসাহদান জাতিসংঘের মূল কাজ।

জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাস

জাতিসংঘের পূর্বে লীগ অফ নেশন নামে আন্তর্জাতিক সংগঠন বিশ্বের জাতিসমূহের মধ্যে শান্তি এবং সহযোগিতার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯২০ সালের ১০ ই জানুয়ারি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা  শান্তি এবং নিরাপত্তা সংস্থা লীগ অফ নেশন ৫৮ টি দেশ নিয়ে গঠিত হয়। শুরুতেই লীগ অফ নেশন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হলেও ১৯৩০ সালের পর থেকে জার্মানি,  ইতালি এবং জাপানের মত অক্ষয় শক্তির দ্বারা প্রভাবি ত হয়১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হলে লীগ অফ নেশন কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়ে। এবং ১৯৩৯  সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হলে এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে লীগ অফ নেশন বিশ্ব শান্তি রক্ষার প্রধান লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়। এরপর বিশ্বের বড় বড় নেতাদের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অভাব ভীষণভাবে অনুভূত হয়। এ থেকে জাতিসংঘ সৃষ্টিতে বিশ্বনেতাদের একত্রে বৈঠকের ফলে তৈরি হয় জাতিসংঘ। জাতিসংঘ নামের প্রথম সূচনা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এর দ্বারা।

১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ শে জুন সানফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রশ্নে জাতিসমূহের সংগঠন ৫০ টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সনদ রচনা করেন। ১৯৪৪ সালে আগস্ট,  অক্টোবরে ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন বক্সের বৈঠকে চীন,  ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি প্রস্তাব গুলির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৫০  টি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন। পোলান্ড সম্মেলনে উপস্থিত না থাকলেও,  পড়ে এতে স্বাক্ষর প্রদান করেন প্রথম স্বাক্ষরকারী ৫১ টি রাষ্ট্রের একটিতে পরিণত হয়।১৯৪৫ সালের ২৫ শে অক্টোবর চীন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্,  যুক্তরাজ্য ও স্বাক্ষরকারী অন্যান্য অধিকাংশ দেশের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

জাতিসংঘ দিবস কবে পালন করা হয়?

ইন্টারনেটে এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর অনেকে অনুসন্ধান করে থাকেন। তাই খুব সহজে আমি এই প্রশ্নের উত্তর সংযুক্ত করছি। জাতিসংঘ দিবস ২৪ শে অক্টোবর তারিখে বিশ্বের সকল স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে উদযাপিত হয়। সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে জাতিসংঘ সনদ অনুমোদনের দিনে ১৯৪৮ সালের এ দিবস পালনের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘ সদস্যপদ লাভ করে?

১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪  সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ১৩৬  তম দেশ হিসেবে ২৯ তম জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশ যোগদান করে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য – ১৩৬ তম  । এছাড়াও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১ তম অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে জাতিসংঘের সভাপতিত্ব করেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম বাঙালি হিসেবে আনোয়ারুল করিম চৌধুরী সভাপতি ছিলেন।

জাতিসংঘ দিবসের শুভেচ্ছা

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এবং যুদ্ধ-বিগ্রহ সংগ্রামকে পরিত্যাগ করে শান্তির পথে মানুষকে ফিরিয়ে আনার জন্য যথাযোগ্য মর্যাদায় মানুষ জাতিসংঘ দিবস পালন করে। এদিন জাতিসংঘ দিবস উদযাপন উপলক্ষে একজন আরেকজনকে এসএমএসের মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা জানায়। নিচে আমি জাতিসংঘ দিবসের শুভেচ্ছা জানানোর কিছু এসএমএস সংযুক্ত করলাম।

এই নিবন্ধে আমরা বিভিন্ন দিবস সম্পর্কে আলোচনা করে থাকে। আপনি যদি নিয়মিত বিভিন্ন দিবসের আপডেট পেতে চান তাহলে নিবন্ধটির সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ।

জাতীয় পতাকা দিবস ২০২২ কবে? উক্তি, স্ট্যাটাস, কিছু কথা

জাতীয় পতাকা দিবস

পতাকা একটি দেশের পরিচয় বহন করে। তাই পতাকা প্রত্যেকটি দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। পতাকা দিবস হল পতাকা সম্পর্কিত একটি বিশেষ দিন যেদিনটিকে পতাকার জন্য পালন করা হয়। দিনটিতে অবশ্যই ঐতিহাসিক ঘটনা সংবলিত থাকে। পতাকা দিবস প্রত্যেকটি দেশের সংবিধানে স্বীকৃতি থাকে। সংবিধানে এও থাকে প্রত্যেকটা দিবসের দিন পতাকাটি কিভাবে পোড়ানো হবে। তাই আপনি যদি আজকে পতাকা দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই বন্ধুটি ভালো করে পড়ুন।
পতাকা দিবস এর ইতিহাসের কথা বলতে হলে নির্দিষ্ট কোন পতাকা দিবসের ইতিহাস আসেনা। প্রত্যেকটি দেশের জন্য প্রতীক্ষা দিবসের আলাদা আলাদা ইতিহাস আছে। আজকে এই নিবন্ধে বাংলাদেশ এবং ভারতের পতাকা দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

জাতীয় পতাকা দিবসের ইতিহাস

বাংলাদেশ পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে এদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন। 1971 সালে 2 মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষিত হওয়ার সময় থেকে দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মিলিত হয়। তারা পাকিস্তানি শাসন আর শোষনের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকশু নেতৃত্বে  নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রে সংগ্রামে নামে। সেদিনের সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পতাকা সম্পর্কে মানুষের মনে প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এর আগে শিবনারায়ণ দাশ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন। ওই নকশা অনুযায়ী তৈরি হয় বাংলাদেশের পতাকা। এবং সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে 2 মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করা হয়। এরপরে 1971 সালে 23 শে মার্চ ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু তার নিজ বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সেদিন থেকে 2 মার্চ কে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।আমাদের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস কবে?

2 মার্চ কে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ এই দিনে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ডাকসুর সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

পতাকা উত্তোলনের নির্দিষ্ট  সময়

প্রত্যেকটি দেশের পতাকা উত্তোলনের নির্দিষ্ট কিছু সময় বেঁধে দেওয়া আছে। এই সময় জাতীয় সংবিধান কর্তৃক গৃহীত ও অনুমোদিত। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উত্তেজিত করে রাখা যাবে। এটাই সংবিধান কর্তৃক নিয়ম বেঁধে দেওয়া আছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ কারণবশত রাতের বেলা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে। যেমন: রাতে যদি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি বা মন্ত্রীগণ শপথ গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত করে রাখা যাবে।

জাতীয় পতাকার আকার ও আকৃতি

জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাই প্রতিটি স্বাধীন দেশ ও জাতিরই একটি জাতীয় পতাকা আছে। জাতীয় পতাকা দেশের সব মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। যেকোনাে স্বাধীন দেশ বা জাতি তার জাতীয় পতাকাকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে। জাতীয় পতাকার আকার ও আকৃতি ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় ঘন সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬। পতাকার দৈর্ঘ্য যদি ৩০৫ সেন্টিমিটার (১০ ফুট) হয়, প্রস্থ ১৮৩ সেন্টিমিটার (৬ ফুট) হবে। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। আমাদের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান।

জাতীয় পতাকা আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত মর্যাদার ও সম্মানের। বুকের রক্ত দিয়ে হলেও এর সম্মান রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ বীর শহিদ এ পতাকার জন্যই তাঁদের জীবনদান। করেছেন। যখন নীল আকাশের মাঝে আমাদের এ পতাকা উড়তে থাকে, তখন তা দেখে গর্বে আমাদের বুক ভরে যায়।

বাবা দিবস: তারিখ, ইতিহাস, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

বাবা দিবস

থিবীর সকল বাবাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বাবা দিবসের সূচনা করা। প্রত্যেক সন্তানের জীবন বাবাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় হিরো। প্রত্যেক সন্তান তার বাবার মতই নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করে। তাই বাবা দিবসকে সকল বাবাকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আজ বাবা দিবস বাবা দিবস উপলক্ষে আপনি যদি ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে থাকেন তাহলে আপনাকে এই নিবন্ধে স্বাগতম। আজ এই নিবন্ধে বাবা দিবসের স্ট্যাটাস হব্বি ইতিহাস সহ যাবতীয় বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

বাবা দিবস কবে পালন করা হয়?

প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস।
নিজের গায়ের রক্ত পানি করে নিজের সকল সুখ বিসর্জন দিয়ে যে মানুষটি আপনাকে সবচেয়ে সুখে রাখার চেষ্টা করছেন তিনি হলেন বাবা। তাই এই মানুষটিকে অবহেলা করার কোনো কারণ নেই। বাবা দিবসে বাবাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য আপনি হয়তো ইন্টারনেটে বাবা দিবসের তারিখ খুঁজছেন? তাহলে উত্তরটি জেনে নিনঃ প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস।

বাবা দিবসের ইতিহাস

আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই এই দিনটি প্রথমবারের মতো পালিত হয়। অবশ্য সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলার মাথাতেও বাবা দিবসের আইডিয়া আসে। সেটা ১৯০৯ সালের কথা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা তিনি জানতেনই না! সনোরা ছিলেন ৬ ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মা ইলেন স্মার্ট যখন মারা যান, তখন সোনোরার বয়স ছিল মাত্র ষোলো বছর। মা মারা যাওয়ার পর বাবা উইলিয়াম জ্যাকসন স্মার্ট কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সন্তানদের মানুষ করার দায়িত্ব। পেশায় কৃষক উইলিয়াম শত ব্যস্ততার মধ্যেও তাদের মায়ের অভাব এতটুকু বুঝতে দেননি।
একবার মা দিবসের অনুষ্ঠানে চার্চে যান সনোরা। তখনই তার মাথায় এ চিন্তাটা আসে। মায়েদের সম্মান জানানোর জন্য একটি দিন যদি থাকতে পারে, বাবাদের জন্য কেন নয়? তারপর বিশেষ একটি দিনে বাবার প্রতি সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জনমত গড়ে তোলেন তিনি। এরপর নানা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯১০ সালের ১৯ জুন, অর্থাৎ জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বড় পরিসরে প্রথম বাবা দিবস পালিত হয়। প্রথম আনুষ্ঠানিক বাবা দিবসে শহরের তরুণ-তরুণীরা দুটি করে গোলাপ নিয়ে যান চার্চে। একটি লাল, অন্যটি সাদা। লাল গোলাপ জীবিত পিতার শুভেচ্ছার জন্য, আর সাদা গোলাপ মৃত পিতার আত্মার তুষ্টির জন্য। বিষয়টি পুরো মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা প্রশংসিত হয় ব্যাপকভাবে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন রাষ্ট্রে শুরু হয় বাবা দিবস উদযাপন। ১৯১৯ সালে পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাবা দিবস’ পালন করা হয়। কিন্তু তারপরেও এটাকে জাতীয়ভাবে পালনে কংগ্রেসের নানা দ্বিধা ছিল। অবশেষে ১৯৬৬ সালে ৫৬  বছর পর বাবা দিবসকে জাতীয় মর্যাদা দেওয়া হয়।

বাবাকে নিয়ে উক্তি

বাবা প্রত্যেকের কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। বাবাকে মানুষ জান প্রাণ সবকিছু দিয়ে ভালবাসে। পৃথিবীর বিখ্যাত জ্ঞানীগুণী মনীষীগণ বাবাকে নিয়ে বিখ্যাত বিখ্যাত কিছু উক্তি করে গেছে। আমরা এক নজরে বাবাকে নিয়ে কিছু উক্তি দেখে আসব।

পৃথিবীতে একটি মেয়েকে তার বাবার চেয়ে কেউ বেশি ভালোবাসতে পারবে না।
— মাইকেল রাত্নাডিপাক

২. একজন বাবা বলে না যে সে তোমাকে ভালোবাসে বরং তিনি দেখিয়ে দেন যে তিনি তোমাকে ভালোবাসে।
— দিমিত্রি থে স্টোনহার্ট

৩. একটা মেয়ের জীবনে বাবায় হলে প্রথম পুরুষ এবং তিনি হলেন সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক পুরুষ।
— ডেভিড জেরেমিয়াহ

৪. একজন বাবার হৃদয় হল প্রকৃতির এক অপার স্থান।
— এন্টনি ফ্রানকোই প্রিভোস্ট

৫. যে কোন পুরুষই বাবা হতে পারে তবে প্রকৃত বাবা হতে কিছুটা বিশেষত্ব দরকার।
— অ্যানি গেডেস

বাবা দিবসের স্ট্যাটাস

বর্তমান এই সোশ্যাল মিডিয়ায় যেকোনো অকেশন নিয়ে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দিতে পছন্দ করে। অনেকেই হয়তো উপযুক্ত স্ট্যাটাস দেওয়ার মত আইডিয়া খুঁজে পান না। তাই আজকে আমরা বাবা দিবসের কিছু স্ট্যাটাস দেওয়ার আইডিয়া নিচে শেয়ার করলাম।

” বাবা নামটা উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে কোন বয়সী সন্তানের হ্রদয়ে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার এক অনুভব জাগে ।”

” একজন বাবা তার সন্তানের জন্য কতভাবে অবদান রেখে যান, তার চুলচেড়া হিসাব কেউ কোনদিন বের করতে পারবে না ।”

” বাবার পা কি অন্য সবার চেয়ে অনেক দ্রুত চলে ? নইলে এতোটা পথ এত অল্প সময়ে কি করে এত শক্ত করে সব কিছু আগলে রাখেন বাবা ।”

বাবা দিবসের ছবি

সেই ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া। বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার সেই মুহূর্তটির কথা কে বলতে পারে। বাবার সাথে সকল খুনসুটির ছোট ছোট মুহূর্তের কিছু ক্যাপশন আমরা এখানে তুলে। এই ক্যাপশনগুলো দেখলে আপনার বাবার সাথে কাটানোর সেই শৈশবের কথা গুলো মনে পড়বে।

বাবা দিবস
বাবা দিবস

আমরা এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন জাতীয় দিবস সম্পর্কে আলোচনা করে থাকি। তাই পরবর্তী দিবসের আপডেট পেতে আমাদের এই বিষয়টির সাথে থাকুন ধন্যবাদ।

টেসলা ফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ [টেসলা মোবাইল ২০২২]

টেসলা ফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ

টেসলা মোবাইল ফোন কি টেসলা বিশ্বের মধ্যে একটি বিশাল বড় কার কোম্পানি। তাহলে এবার জানা যাচ্ছে টেসলা কোম্পানির স্মার্টফোন ও লঞ্চ করতে চলছে। সুতরাং বিষয়টি হলো টেসলা স্মার্টফোনে যে সকল বিষয় জানা গিয়েছে তা পুরোপুরি আলোচনা করা হয়নি। টেসলা স্মার্টফোনে বিশ্বের যে কোন কিছু সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হয়। টেসলা ফোনটির চার্জের প্রয়োজন হয় না। এটি সোলার এর মাধ্যমে চার্জ হয়ে থাকে যা বিশ্বের কোন ফোনের কথা আজ পর্যন্ত শোনা যায়নি। এটি একটি আমেজিং ব্যাপার। টেসলা স্মার্টফোনটি আবিষ্কার করেছেন এলোন মাক্স।

তিনি টেসলা কার আবিষ্কার করার পাশাপাশি টেসলা ফোন আবিষ্কার করেছেন। টেসলা ফোন টেস্টা লিংকের মাধ্যমে কানেক্টেড। সুতরাং মঙ্গল গ্রহে গিয়েও ইউজাররা ইউজ করতে পারবে। আমরা অবশ্য জানি টেসলা স্মার্টফোনে এমন সব সফটওয়্যার থাকবে তা টেসলা স্মার্টফোন ইউজাররা টেসলা গাড়িগুলো নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে পারবে। টেসলা স্মার্টফোনে রয়েছে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি টেসলার এর মডেল Pi সুদর্শন। খুব তাড়াতাড়ি বাজারে আসতে চলেছে টেসলা মোবাইল ফোন। অর্থাৎ মোবাইলের সুবিধা গুলো রীতিমত অবাক ময় বিষয়। পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হবে মোবাইল ফোনটির রং সুতরাং বলা যাচ্ছে 2024 সালে এই ফোনটি বাজার কাপাবে বলে আশা করা যায়।

টেসলা মোবাইল

টেসলা পি আই স্মার্ট ফোন রিলিজ ডেট

টেসলা স্মার্টফোনটি আবিষ্কার করেছেন এলোন মাক্স। বিশ্বের ধনীদের মধ্যে তার অবস্থান সবচাইতে উঁচু স্থানে। টেসলা ফোনের গুরুত্বের কথা যতই বলা হবে ততই মনে হবে কম বলা হচ্ছে। সমগ্র বিশ্বের মানুষকে তাক লাগিয়ে দিতে পারবে এই সুন্দর ও চমৎকার স্মার্ট ফোন। আপনাদের অনেকের মনে ইচ্ছা জাগতে পারে এটি কেমন ধরনের ফোন যার মাধ্যমে এতকিছু সত্যিই কি সম্ভব,নাকি মিথ্যা ।আশ্চর্য হলেও এটাই সত্য 2022 সালের শেষে এবং 2023 এর শুরুতে এটি অফিশিয়াল ভাবে রিলিজ হতে চলেছে ।বিশ্বে সমস্ত অজানা বিষয় হাতের মুঠোয় আনতে সাহায্য করবে এই সুদর্শন স্মার্ট ফোন।

টেসলা স্মার্টফোনে প্রাইস ২০২২ (টেসলা পি আই ফোনের দাম)

টেসলা ফোনটি এখনো লঞ্চ করা হয়নি, লঞ্চ করার পর জানতে পারবে এটি সঠিক দাম। কিন্তু ধারণা করা যাচ্ছে টেসলার দামটি বেশ চড়া দামে লঞ্চ করবে। কিন্তু যতোই চড়া দামি হোক না কেন প্রতিযোগিতাদের টেক্কা দিতে প্রস্তুত ফোনটি। ফোনটির দাম হতে পারে 800 থেকে 1200 মার্কিন ডলারে যা বাংলাদেশী টাকায় 67 হাজার থেকে 1 লাখের মতো। আপনাদের কি মনে হয় এই মাক্স এর স্মার্টফোন বাজারে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পারবে। আপনার মতামত কমেন্টে জানাবেন।

টেসলা পি আই স্মার্টফোন ২০২২ ফুল স্পেসিফিকেশন

টেসলা স্মার্টফোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে । এই ফোনটির কালার কম্বিনেশন পরিবর্তন করা যায়। টেসলা স্মার্টফোনটি সম্পর্কে আলোচনার সমূহ:

  • টেসলা পি আই মডেলের ফোনে রিয়েল প্যানেলের তিনটি ক্যামেরা থাকছে।
  • এ ফোনে একটি স্কাই ব্লু বার্ড থাকছে । উপরে নেভি ব্লু কালার পাট।আর সেটাকে উপরে দেওয়া হয়েছে নীল রঙের বর্ডার
  • টেসলা পি আই ফোনের মাঝ বরাবর একটি বড় টেসলা T লোগো থাকবে
  • এই ফোনে 4k লেভেল 6.5 ইঞ্চি স্ক্রিন থাকবে।
  • এ ফোনের মেমোরি থাকবে দুইটি টেরাবাইট অর্থাৎ দুইটি কম্পিউটারের সমান স্মৃতি শক্তি থাকবে টেসলা এ স্যাটেলাইট ফোনে।

পরিশেষে বলা যাচ্ছে, টেসলা স্মার্টফোনটি নিয়ে আমরা উপরে মোটামুটি ধারণা দিয়েছি .এটি একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। অ্যালোন মাক্স যতটা আত্মবিশ্বাসী, ঠিক ততটাই শক্তিশালী মান নিয়ে বাজারে আনছে পি আই। মহাকাশে থাকে এলোন মাস্ক এর নিজস্ব স্যাটেলাইট ,এর মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারনেট পাবেন পি আই। ফাইভ-জি প্রযুক্তি স্যাটেলাইট ফোনটি হবে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে একটি সেরা ফোন। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি হবে স্যাটেলাইট মোবাইল। যেটি কিনা বিশ্বে মানুষদের তাক লাগিয়ে দিবে। বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তৈরি করেছে এই স্মার্টফোনটি। যা বিশ্বের অন্য কোন ফোন দ্বারা সম্ভব হয়নি।

টেসলা ফোন সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে ও বুঝতে আমাদের সাথে থাকুন। এবং কমেন্টের মাধ্যমে জানান আপনাদের টেসলা ফোন সম্পর্কে অজানা বিষয। ধন্যবাদ সকলকে।

মা দিবস: তারিখ, ইতিহাস,শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

মা দিবস

‘মা’ শব্দটি পৃথিবীর সবথেকে মধুর শব্দ। আমাদের পৃথিবীতে আসার জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান যে মানুষটির তিনি মা। যে রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে আমার পাশে রাত জেগে বসে ছিল তিনি মা। তাই মা দিবসে পৃথিবীর সকল মা দের জানাই বুক ভরা ভালোবাসা শ্রদ্ধা।পৃথিবীর সকল মায়েদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পৃথিবীব্যাপী ইন্টার্নেশনাল মা দিবস পালিত হয়ে আসছে। মা দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য পৃথিবীর কিছু কিছু দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। আজ এই নিবন্ধে মা দিবস সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

মা দিবস কবে?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন বিভিন্ন তারিখে মা দিবস পালন করা হয়। মা দিবস পালন করার জন্য বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট তারিখ আছে। 2022 সালের 8 মে বাংলাদেশ পালন করা হবে মা দিবস।

ভারতে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মাতৃ দিবস পালিত হলেও, বিশ্বের নানান দেশে নানান দিনে এটি পালিত হয়ে আসছে। ইউকে-তে মার্চের চতুর্থ রবিবার এটি পালিত হয়। আবার গ্রিকরা ২ ফেব্রুয়ারি এই দিবস পালন করে।

মা দিবসের ইতিহাস

১৯০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মাতৃ দিবস পালিত হয়। নিজের মা, অ্যান রিসে জারভিসের স্মৃতির উদ্দেশে অ্যানা জারভিস নামক এক মহিলা মাতৃ দিবসকে স্বীকৃত ছুটি হিসেবে পালনের পক্ষে কথা বলেন। অ্যান রিসে জারভিস ছিলেন এক শান্তি কর্মী ও তিন বছর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার সেন্ট অ্যান্ড্রুস মেথডিস্ট চার্চে নিজের মায়ের একটি মেমোরিয়াল রাখেন অ্যানা। বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস শ্রাইন। অ্যানা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন যে, মা-ই এমন একজন যিনি নিজের সন্তানের জন্য ‘পৃথিবীর অন্য কোনও ব্যক্তির তুলনায় অনেক বেশি করে থাকেন।’

মা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

আন্তর্জাতিক মা দিবসে পৃথিবীর সকল মায়েদের সম্মান জানানোর জন্য নিবন্ধের এই অংশে আমি মা দিবসের কিছু শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে এসেছি। মা কথাটি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে মধুর এবং স্পেশাল। এই পৃথিবীতে মায়ের স্থান নেওয়ার মত দ্বিতীয় কোন ব্যক্তি মানুষের জীবনে আসে না। মায়ের মত স্বার্থহীন ভালোবাসা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না। মায়ের ভালোবাসা কেনার জন্য পৃথিবীর কোন সম্পত্তি যথেষ্ট নয়। তাই এই মাতৃ দিবসে সকল মায়েদের শুভেচ্ছা জানানোর কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করলাম।

  • ফেলে আসা ছেলেবেলা,
    মনে পড়ে আজ,
    যত্ন নিতে তুমি আমার
    ফেলে তোমার কাজ।
    তুমি শুধু ভালোবাসো,
    কষ্ট দাও না,
    তোমাকে এখনও ভালবাসি
    ও আমার মা!
    শুভ মাতৃ দিবস
  • ভালোবাসো তাকে যার
    কারনে পৃথিবী দেখেছো।
    ভালোবাস তাকে যে
    তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন
    গর্ভে রেখেছে।
    ভালোবাস তাকে যার
    পায়ের নিচে তোমার সর্গ আছে।
    শুভ মাতৃ দিবস

 মা দিবসের স্ট্যাটাস

মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত, মাকে যারা কষ্ট দিবে তার কখনও জান্নাতে যেতে পারবে না। তাই সকলের কাছে আমার অনুরোধ তোমরা কখনও মাকে ক্ষ্ট দিওনা।এরকমেই কিছু স্ট্যাটাস আমরা এই নিবন্ধে সংযুক্ত করেছে। মা দিবসে আমরা মাকে নিয়ে সবকিছুই তৈরি করতে চাই। মা দিবসে আপনি যদি আপনার ছোট সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউনিক কিছু স্ট্যাটাস দিতে চান তাহলে নিবন্ধের এই অংশটি অনুসরণ করতে পারেন।

মা দিবসের উক্তি

পৃথিবীতে যারা স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে আছে তাদের জীবনের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায় তারা সবাই মাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। নিজের জীবনের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন নিজের মাকে। এই কথাগুলো পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষীদের উক্তি গুলোর মাধ্যমে প্রমাণিত। মাকে নিয়ে বিখ্যাত কিছু উক্তি এ অংশের সংযুক্ত করা হলো।

তোমাদের জন্য মায়ের পায়ের নিচেই রয়েছে তোমাদের জান্নাত : মহানবী হজরত মুহম্মদ (স.)

• যার মা আছে সে কখনই গরীব নয় : আব্রাহাম লিংকন

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক লুসিয়া মে অরকটের ভাষায়, ‘মা সব কিছু ক্ষমা করে দেন। পৃথিবীর সবাই ছেড়ে গেলেও মা কখনো সন্তানকে ছেড়ে যান না’।

• আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছেন, ‘আমি যা হয়েছি বা ভবিষ্যতে যা হতে চাই তার সব কিছুর জন্য আমি আমার মায়ের কাছে ঋণী’।

• ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের ভাষায়, ‘সব ভালোবাসার শুরু এবং শেষ হচ্ছে মার্তৃত্বে’।

• আমেরিকান চিকিৎসক ও দার্শনিক ডা. দেবীদাস মৃধা বলেন,’ মা হচ্ছেন প্রকৃতির মতো। যেকোন পরিস্থিতিতে তিনি তার সন্তানের প্রশংসা করেন’।

• আমাদের পরিবারে মায়ের ভালোবাসা সবসময় সবচেয়ে টেকসই শক্তি। আর তার একাগ্রতা, মমতা আর বুদ্ধিমত্তা আমাদের মধ্যে দেখে আনন্দিত হই : মিশেল ওবামা

মা দিবসের ছবি

‘মা’ কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই, মায়ের চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই।’- হ্যাঁ, সত্যিই তাই। মাত্র একটি অক্ষরের শব্দ ‘মা’। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ এটি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শব্দ এটি। অর্থে অনবদ্য। শ্রুতিতেও মধুময়। মা ডাক শুনলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে মায়াবী সুন্দর এক মুখ। যে মুখে লেগে থাকে স্নেহ, মমতা আর ভালোবাসা। নিবন্ধের এই অংশে মা দিবসের কিছু ছবি সংযুক্ত করা হলো। এই ছবিগুলো আপনি সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন ভাবে আপনার প্রিয় মা কে শুভেচ্ছা জানাতে পারবেন।

মা দিবসের ছবি
মা দিবসের ছবি

আমরা এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন জাতীয় দিবস সম্পর্কে আলোচনা করে থাকি। তাই পরবর্তী দিবসের আপডেট পেতে আমাদের এই বিষয়টির সাথে থাকুন ধন্যবাদ।

মে দিবস: ইতিহাস, তাৎপর্য, উক্তি,শুভেচ্ছা বার্তা

মে দিবস

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সবার কাছে মে দিবস নামে পরিচিত। প্রতি বছর পহেলা মে আন্তর্জাতিক মে দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটিতে বিভিন্ন দেশের শ্রমিক ইউনিয়ন উড়ো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে।এই প্রতিবেদনে মে দিবসের তাৎপর্য, মে দিবসের স্লোগান ও মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা নিয়ে আলোচনা করা হবে।  আপনি যদি মেয়ে দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই নিবন্ধটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

মে দিবস ইতিহাস

প্রতি বছর পহেলা মেয়ে আন্তর্জাতিক মে দিবস হিসেবে বিশ্বের ৮০ টিরও বেশি দেশ একযোগে পালন করে আসছে। মে দিবস শ্রমিকদের একটি স্মরণীয় দিন। ১৮৮৬ সালের মে মাসের আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিকেরা তাদের শ্রমঘণ্টা নির্ধারণের জন্য এবং ন্যায্য মজুরির জন্য রাস্তায় নামে। কিন্তু শিল্পপতিরা ও তৎকালীন প্রশাসন এই ন্যায্য আন্দোলন কে প্রতিহত করার জন্য কঠোর প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়। এর ফলে প্রশাসনের গুলিতে কয়েক জন শ্রমিকের নির্মম মৃত্যু ঘটে। ফলে শিকাগো শহরের রাজপথ শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত হয়। শ্রমিকদের কন্ঠ করে দেওয়ার জন্য পুঁজিবাদী সরকার ও তার প্রতিনিধিরা সম্ভাব্য সকল ন্যক্কারজনক পথ অবলম্বন করেন। শ্রমিক নেতাদের বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। এতকিছুর পরও অদম্য শ্রমিকদের আন্দোলন থেকে সরাতে পারেনি তৎকালীন পুঁজিবাদী সরকার। অবশেষে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধাগুলো আদায় করে নিতে সক্ষম হয়।তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়ে শ্রমিকদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় সরকার। এরপর ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে-কে ‘মে দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।শ্রমিকদের দাবি মাত্র একদিনেই পূরণ হয়নি। বাস্তবে, এটি কয়েক বছর সময় নিয়েছিল এবং প্রতিবাদে প্রচুর রক্তক্ষয়ও হয়েছিল। এটি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, পাশাপাশি জার্মানি, ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সেও হয়েছিল।এই আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন দেওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যেই পহেলা মে আন্তর্জাতিক মে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

মে দিবস সম্পর্কে ৫ তথ্য

  • ১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের শ্রমিকেরা আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে নিজেদের রক্ত দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটেই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস তথা মে দিবস পালন শুরু হয়।
  • ১৮৮২ সালের ৫ সেপ্টেম্বরেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক তাঁদের অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নিউইয়র্কে শহরে সমাবেশ করেছিলেন।
  • যুক্তরাষ্ট্রে আন্দোলন ও হতাহতের ঘটনা ঘটলেও শ্রমিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে, সেটা ১৮৮৯ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক কংগ্রেসে।
  • বিশ্বের ৯০টি দেশে সরকারিভাবে মে মাসের প্রথম দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।
  • ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের উৎপত্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয় সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার।

মে দিবসের তাৎপর্য

মেয়ে দিবস এই পুঁজিবাদী সমাজের তথা শ্রমজীবী মানুষের খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করে। দেশ সমাজ গঠনে শ্রমিকদের অবদানের কথা অনস্বীকার্য। এই অবদানকে অস্বীকার করে একটি দেশ কখনোই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। মানুষ কখনই মানবিক হতে পারবেনা শ্রমিকদের অবদানের কথা অস্বীকার করে। নিচে কিছু মে দিবসের তাৎপর্য পয়েন্ট উল্লেখ করলাম।

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ-ভারত সহ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে এদিন সাধারন ছুটি থাকে।
  • ১৯৩০ সালে প্রথমবারের মতো পহেলা মেয়ে ভারতের চেন্নাইয়ে মে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
  • ১৯৪৮ সাল থেকে সরকারিভাবে ভারতের সারাবিশ্বের শ্রমিকদের প্রতি সম্মান জানাতে পহেলা
  • মে বাধ্যতামূলক সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়।
  • এই দিনে দেশের প্রতিটি বিভাগের শ্রমিকরা সম্মানিত হন। দেশ গঠনে তাদের অবদান স্বীকার করা হয়।

মে দিবসের উক্তি

মে দিবস পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম একটি স্মরণীয় দিন এই তিন কে নিয়ে অনেক জ্ঞানী-গুণী মানুষ বিভিন্ন রকম মুক্তি দিয়েছেন। অনেকেই মেয়ে দিবসের বিভিন্ন মনীষীদের উক্তি ইন্টারনেটে সন্ধান করেন। তাদের জন্য আমি কিছু উক্তি নিচে সংযুক্ত করলাম।

১| মে মাস চেতনায় পরিপূর্ণ, মধ্য গ্রীষ্মের সূর্যের মতো – উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

২| মে দিবসে কোনও কর্মী খুঁজে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করো। শ্রমিক না থাকলে কোনও সভ্যতা তৈরি করা যেত না – মেহমত মুরাত ইলিদান

৩| মে দিবস কোনও সাধারণ দিন নয় কারণ (Quotes For May Day In Bengali) এটি এমন এক দিন যা অসাধারণ মানুষ, শ্রমিকদের লালন করে – মেহমত মুরাত ইলিদান

৪| হঠাৎ যদি পুরো বিশ্বের সব শ্রমিক অদৃশ্য হয়ে যায় তবে বিশ্ব থমকে যাবে! আসুন আমরা সকলেই এটি অনুধাবন করি এবং আসুন শ্রমিকদের সম্মান করি – এই দুর্দান্ত মানুষরাই আমাদের বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যায় – মেহমত মুরাত ইলিদান

৫| মে দিবসে নিজের সেরাটা দেওয়ার দিন – আর্নেস্ট ইবোহা

৬| কিছু পুরনো ফ্যাশনের জিনিসও অনেক সময় ফ্রেশ সূর্যের আলো নিয়ে আসতে পারে – লরা ইনগেলস ওয়াইলডার

৭| যদি কখনও শীতকাল না আসে, তাহলে বসন্তকালের সৌন্দর্য আমরা বুঝতে পারব না – অ্যানে ব্র্যাডস্ট্রিট

৮| আপনি সব ফুল নষ্ট করে দিতে পারেন, কিন্তু বসন্তের আগমনকে আটকাতে পারবেন না – পাবলো নেরুদা

৯| এটা পৃথিবীর একটা ভাল দিক। অনেক বসন্ত আসে  পৃথিবীতে – এল.এম. মন্টগোমারি

মে দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখে তাদের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য মে দিবস পালিত হয়ে আসছে। তাই মে দিবসের সকল শ্রমিকদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। কঠিন পরিশ্রম এবং তাকে স্যালুট জানানোর দিন এই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস তোমার পরিশ্রম কেও সম্মান জানালাম।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস: তারিখ, ইতিহাস, তাৎপর্য, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি

বিশ্ব শিক্ষক দিবস

সকল শিক্ষকের সম্মানার্থে প্রতিবছর বাংলাদেশ ভারত তথা বিশ্বের বহু দেশে শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে।১৯৯৪ সাল থেকে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবছর 5 ই অক্টোবর উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। এ দিবসের মতো দিয়ে শিক্ষক এবং ছাত্র ছাত্রীদের মেলবন্ধন তৈরি হয়। প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ শিক্ষক দিবস সম্পর্কে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে থাকে। তাই আজকে এই নিবন্ধে আমরা শিক্ষক দিবসের যাবতীয় তথ্য আলোচনা করব।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস কবে?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ পছন্দমত তারিখ অনুযায়ী শিক্ষক দিবস পালন করে আসছে। কিন্তু বিশ্ব শিক্ষক দিবস ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ ই অক্টোবর তারিখে পালিত হয়। ইউনেসকোর মতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পালন করা হয়। বিশ্বের প্রায় ১০০ টিরও বেশি দেশ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করে ।

দেশ ভেদে শিক্ষক দিবস

বিশ্বের ১০০টি দেশে শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে থাকে। অনেক দেশে দিবসটি ভিন্ন ভিন্ন তারিখে পালিত হয়। যেমন: ভারতে শিক্ষক দিবস পালিত হয় ৫ সেপ্টেম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় অক্টোবর মাসের শেষ শুক্রবার শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। শেষ শুক্রবার যদি ৩১ অক্টোবর হয়, তা হলে ৭ নভেম্বর শিক্ষক দিবস পালিত হয়। ভুটান শিক্ষক দিবস পালন করে ২ মে, ইন্দোনেশিয়া ২৫ নভেম্বর, মালয়েশিয়া ১৬ মে, ইরান ২ মে, ইরাক ১ মার্চ, আর্জেন্টিনা ১১ সেপ্টেম্বর, ব্রাজিল ১৫ অক্টোবর, চীন ১০ সেপ্টেম্বর, তাইওয়ান ২৮ সেপ্টেম্বর, থাইল্যান্ড ১৬ জানুয়ারি, সিঙ্গাপুর সেপ্টেম্বরের প্রথম শুক্রবার দিনটি পালন করে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের ইতিহাস

১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে শিক্ষকদের অবস্থা নিয়ে আন্তঃসরকার সম্মেলন হয়েছিল। সেখানেই শিক্ষকদের কথা চিন্তা করে ইউনেস্কো এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন (আইএলও) কিছু পরামর্শে স্বাক্ষর করে। প্রথমবারের মতো এসব পরামর্শ শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব এবং বিশ্বব্যাপী শিক্ষকতা পেশার বিভিন্ন দিক নিয়ে ছিল।

১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই প্রতি বছরের ৫ অক্টোবর যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য

শিক্ষককে দেশ গড়ার কারিগর বলা হয়। কারন একটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে মানুষের মত মানুষ করে তৈরি করেন একজন শিক্ষক। একটি সন্তানের সামাজিকীকরণে বাবা মায়ের অবদান এর পরেই সবচেয়ে বেশি অবদান একজন শিক্ষকের। শিক্ষার অধিকার মানে একজন যোগ্য শিক্ষকের অধিকার বিশ্বসম্প্রদায়কে এটা মনে করে দেয়া যে, শিক্ষার অধিকার প্রশিক্ষিত যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। বিশ্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অযোগ্য শিক্ষকের অভাব যথেষ্ট রয়েছে।

ইউনেস্কোর হিসাব অনুযায়ী সারা বিশ্বে প্রায় ২৬৪ মিলিয়ন শিশু ও যুবক স্কুলের বাইরে। ২০৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সার্বজনীন প্রাথমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রায় ৬ কোটি নতুন শিক্ষক প্রয়োজন। শিক্ষক সবার জন্য সমান ও মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের চাবিকাঠি। শিক্ষক হচ্ছেন এমন একটা মাধ্যম যার মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করা হয় এবং শিক্ষা ছাড়া একটি মৌলিক মানবাধিকার পূরণ করা যায় না। বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা উন্নয়নে শিক্ষকের অবদানকে স্মরণ করার জন্য পালন করা হয়ে থাকে।

কিন্তু এত কিছু সত্ত্বেও বাংলাদেশের মত দেশে একজন শিক্ষকের সঠিক মর্যাদা দেওয়া হয় না। একজন শিক্ষক কোন কোন ক্ষেত্রে তার মৌলিক অধিকারটুকু থেকেও বঞ্চিত হয়। একজন শিক্ষকের সঠিক বেতন পর্যন্ত দেওয়া হয় না বর্তমান বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায়। বর্তমান উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আমাদের শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত আবশ্যক। কারণ একজন শিক্ষক এই প্রকৃত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মেধাকে বিকশিত করে। বাংলাদেশের বেতন কাঠামো ঠিক না থাকায় প্রকৃত মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে চায়না। কিন্তু এত বাধা-বিপত্তির ছেড়েও আমাদের গুরুজন শিক্ষকেরা এখনো শিক্ষকতা পেশায় আছেন। আমাদের সমাজকে উন্নত থেকে উন্নত অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে এজন্য সকল শিক্ষককে আজকের এই দিনে আমার অন্তস্থল থেকে জানাই ভালোবাসা। শিক্ষকের জীবনের মান উন্নয়ন হোক, তৈরি হোক যোগ্য শিক্ষক, আলোকিত হোক সমাজের, প্রতিটি মানুষ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

সমাজ গড়ার কারিগর একজন শিক্ষক। জন শিক্ষকের হাত ধরে গড়ে ওঠে একজন আদর্শ মেয়ে নিষ্ঠাবান আগামীর প্রজন্ম। আমাদের আগামী প্রজন্মকে মানুষ করার গুরুদায়িত্ব যিনি নিয়েছেন তিনি হলেন শিক্ষক। আজ এই শিক্ষক দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেই শিক্ষকদেরকে, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে একটি দেশ পাচ্ছে একজন যোগ্য নাগরিক। তাই আমি এই নিবন্ধে শিক্ষক দিবসের কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করলাম।

  •  জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া আপনার হাত ধরেই। আপনিই শিখিয়েছেন কীভাবে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। শিক্ষক দিবসে আপনাকে প্রণাম জানাই।
  • সমাজ গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য সকল শিক্ষক -শিক্ষিকাদের জানাই শুভ শিক্ষক দিবস!
  • * বিনম্র শ্রদ্ধায় অবন্ত মোরা, হে মানুষ গড়ার কারিগর।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের ছবি

শিক্ষক দিবস যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় পৃথিবীতে  ১০০ টিরও বেশি বেশি। এই শিক্ষক দিবসে আমরা আমাদের প্রিয় শিক্ষকদের বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা জানাতে পারি । ছবির মাধ্যমে শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা জানানো অন্যতম একটি প্রধান মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এই

বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস

দিকটি বিবেচনা করে নিবন্ধে এই অংশে শিক্ষক দিবসের কিছু ছবি তুলে ধরলাম।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস