স্বাস্থ্য

ইসলামের দৃষ্টিতে স্ত্রী সহবাসের নিয়ম

ইসলামের দৃষ্টিতে স্ত্রী সহবাসের নিয়ম কানুন জানা প্রত্যেকের জন্য জরুরী। তাই এই ব্লগ পোস্টে আমরা শেয়ার করেছি স্ত্রী সহবাসের শরিয়ত ভিত্তিক নিয়ম ও পদ্ধতি।সামী স্ত্রী সহবাসের নিয়ম কানুন ও পদ্ধতি , স্ত্রী সহবাসের দোয়া , সামী স্ত্রী মিলনের সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতি । ইসলামে মানুষের জীবনের সম্পুর্ন কর্মপদ্ধতিরই সুস্পষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি রয়েছে।তাই বিবাহিত দম্পতির মিলনের নিয়ম রয়েছে শরিয়তে।
কিভাবে সহবাস করতে হবে,কোন পদ্ধতিতে স্বামী স্ত্রী সহবাস করবে,কিভাবে সহবাস করা নিষিদ্ধ, কখন সহবাস করা হারাম ইত্যাদি সকল নিয়ম কানুন কুরআন হাদীসের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী স্ত্রী সহবাসের রোমান্টিক ও মধুর করতে গতানুগতিক নিয়ম বর্ননা করা আছে। এই ব্লগ পোস্টে আমরা ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করবো স্বামী স্ত্রী সহবাসের নিয়ম কানুন।

প্রথমত, সহবাসের শুরুতে নিয়ত করা

নিয়ত মানে হলো মনে মনে কর্ম সম্পাদনের অগ্রিম কল্পনা ও সুদৃঢ় মনোভাব করা।তাই সহবাসের পূর্বের নিয়ত হলো যেহেতু এটি পবিত্র ও বৈধ বিষয় তাই মিলনের আগে মনে মনে এই কল্পনা করতে হবে যে আমি একটি পূর্নাঙ্গ হালাল ও পবিত্র সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক মহব্বতে নিজেকে নিয়োগ করছি তাই যেহেতু এটি বৈধ ও পবিত্র কাজ তাই সওয়াব অর্জনের উদ্দেশ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সহবাসের মনস্থির করবেন।এবং মনে মনে আল্লাহর কাছে আশা করতে হবে এই পবিত্র সহবাসের মাধ্যমে যেনো স্বামী স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় এবং নেক সন্তানের কামনা করতে হবে।এই নিয়তের মাধ্যমে সওয়াব অর্জন করা যায়।হাদিসে আছে স্ত্রী সহবাস সদকা করার সওয়াব পাওয়া যায়।

সহবাসের নিয়মের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলোঃ

স্ত্রীকে আদর সোহাগ করা।স্ত্রী সহবাসের সময় স্ত্রীকে প্রচুর আদর সোহাগ করতে হবে।শরিয়তের দৃষ্টিতে সহবাসের সময় স্বামী স্ত্রী একে অপরকে প্রচুর আদর করতে হবে।হাদিসে একাধিক জায়গায় আদর সোহাগ করার প্রতি জোর উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলনকে মধুর থেকে মধুরত্ব করতে যা যা পছন্দ হয় করতে পারেন। স্বামী চুম্বন,মর্দন ইত্যাদির মাধ্যমে স্ত্রীকে সহবাসের প্রতি আগ্রহি করতে হবে।
স্ত্রীর দায়িত্ব বৈধ স্বামীর ভালোবাসা পেতে সর্বোচ্চ কৌশলে স্বামীকে আদর করতে হবে।এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী উভয়ের আগ্রহ জোরদার করতে হবে।সহবাস করতে অবশ্যই দুজনকেই সহবাসের প্রতি ব্যপক কামনা বাসনা থাকতে হবে। এ ব্যপারে বাস্তবিক জ্ঞান থাকা জরুরী। রোমান্টিক ও যৌন চাহিদা তৈরী করতে দুজনকেই একে অপরের প্রতি কামনার ভাব তৈরী করতে হবে।
স্বামী স্ত্রী সহবাসের দোয়া। ইসলামি শরিয়তের ভিত্তিতে দাম্পত্য জীবন তৈরী করতে শরিয়াহ কত সুন্দর সিস্টেম দিয়েছে।যা অন্য ধর্মের মানুষেরা কল্পনাও করতে পারবেনা। যেহেতু স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক বৈধ ও পবিত্র তাই এই পবিত্র প্রেমের শারিরীক ও মানষিক প্রস্তুতির জন্য একটি দোয়া রয়েছে।যে দোয়া সহবাস শুরু করার পূর্বে অর্থ বুঝে দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়তে হয়।
দোয়া পড়ার জরুরত এ কারনেই যে সয়তান মানুষের রক্তের শিরা উপশিরায় প্রবেশ করে খারাপ উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।
তাই সহবাস শুরু করার পূর্বে নিম্নের দোয়াটি পরতে হয়ঃ بِسْمِ اللّهِ اللّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَ جَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
উচ্চারণ ঃবিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনিমিনাশ শাইতনা ওজান্নিবনি মিনাশশাইত্বনা মা রজাকত্বনা।
অর্থঃ  হে আল্লাহ আমি আপনার নামে (যৌন মিলন বা সহবাস) শুরু করছি।আপনি আমাদের (স্বামী স্ত্রীর) থেকে সয়তানকে দূরে রাখুন।আমাদের মিলনের ফলে যে সন্তান দান করবেন তাকেও সয়তান থেকে দূরে রাখুন। অর্থ বুঝে দোয়াটি আমল করা জরুরী কেননা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেছেন এই দোয়া পড়ে যদি সন্তান জন্ম হয় সে সন্তানকে সয়তান কখনই কোনো প্রকার ক্ষতি করতে পারবেনা।(বুখারীঃ৪৭৮৭)

ইসলামের দৃষ্টিতে সহবাসের ধরণ

বিবাহিত জীবন পবিত্র ও বৈধ জীবন তাই স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলনে তেমন কোনো ধরাবাধা নিয়ম নেই স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যেভাবে ইচ্ছে মিলন করতে পারে কেননা
نِسَآؤُکُمۡ حَرۡثٌ لَّکُمۡ ۪ فَاۡتُوۡا حَرۡثَکُمۡ اَنّٰی شِئۡتُمۡ ۫ وَ قَدِّمُوۡا لِاَنۡفُسِکُمۡ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰہَ وَ اعۡلَمُوۡۤا اَنَّکُمۡ مُّلٰقُوۡہُ ؕ وَ بَشِّرِ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ
অর্থঃতোমাদের স্ত্রী তোমাদের কাছে শস্যক্ষেত এর মত । অতএব তোমরা তোমাদের ক্ষেতে যেভাবে ইচ্ছে গমন করো।আর তোমরা নিজেদের কল্যানে উত্তম কাজকে সামনে পাঠাও।আর আল্লাহর উপর ভয় করো,কেনোনা মনে রেখো তোমরা অচিরেই তার সাথে সাক্ষাত করবে।আর মুমিনদের সুসংবাদ দাও । (সুরা বাকারা-২২৩)
সহবাসে স্বামী স্ত্রীর তেমন বিধিনিষেধ নেই তবে শর্ত হচ্ছে শুধুমাত্র যোনিপথেই সহবাসে লিপ্ত হতে হবে।এই শর্থ মেনে যে কোনো ধরনের ভঙ্গিতে সহবাস করা যাবে।কিছু বর্ননায় স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামী উপরে থেকে যোনিপথে সহবাস করবে, তবে সহবাসের বেলায় স্বামী স্ত্রীর স্বাধীনতার উপর কোনো নিষেধ নেই।তবে স্বামী নিচে থেকে সহবাস করলে বীর্যপাত হতে কষ্টকর হতে পারে।তবে কথিত আছে এতে সন্তান বিকলাঙ্গ হয় এটা অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক ভিত্তিহীন।

যে পদ্ধতিতে স্ত্রী সহবাস হারাম

যদিও বর্ননায় স্বামীর নিকট স্ত্রী শস্যক্ষেত বুঝানো হয়েছে তবে এই ব্যপারে একটি বিষয় জেনে রাখা জরুরী তা হলো পায়ু পথে যৌন মিলনে শরিয়তের কঠোর নিষেধ রয়েছে।পায়ু পথে সহবাস দালিলিকভাবে হারাম ঘোষণা করা আছে।তাই পায়ু পথে যৌন মিলন হারাম।এ ব্যপারে কিছু ব্যাখ্যা জানা জরুরী হাদিসে এসেছে যারা পায়ু পথে বা মলদ্বারের রাস্তায় সহবাস করে আল্লাহ তাদের দিকে দয়ার নজরে তাকাবেন না।নাউজুবিল্লাহ এছসড়াও পায়ুপথে যৌন মিলনে রোগ ব্যধি ব্যপক হবার সম্ভাবনা রয়েছে তাই ইসলাম শান্তি ও কল্যান চায় তাই ক্ষতিকর বিষয় গুলো নিষিদ্ধ করেছে শরিয়ত।

ইসলামে সহবাসের নিষিদ্ধ সময় এমন কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে স্ত্রী সহবাসে নিষেধ রয়েছে অর্থাৎ হারাম করা হয়েছে।নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো ঃ

স্ত্রী সহবাসের কিছু নিষেধাজ্ঞাপূর্ণ সময় আছে যে সময়ে স্ত্রীর সাথে যৌন মিলনে জড়ানো যাবেনা। কেউ যদি এই নিষিদ্ধ সময়ে অজ্ঞতাবশত সহবাস করে থাকে তাহলে তাকে তওবা করতে হবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে। সহবাসের নিষিদ্ধ সময় গুলো নিয়ে আলোচনা করছি।

১/ ঋতুবতী থাকাকালীন

নারীদের নিয়মতান্ত্রিক প্রতিমাসে মাসিক বা ঋতুস্রাব হয়।ওই সময় যোনি পথে দীর্ঘদিন ময়লাযুক্ত রক্ত নির্গত হয় যাকে মাসিক বলে।এই সময়ে স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন থেকে বিরত থাকতে শরিয়ত এই সময় সহবাস হারাম করেছে।
আল্লাহ পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআনে বলেছেন
وَ یَسۡـَٔلُوۡنَکَ عَنِ الۡمَحِیۡضِ ؕ قُلۡ ہُوَ اَذًی ۙ فَاعۡتَزِلُوا النِّسَآءَ فِی الۡمَحِیۡضِ ۙ وَ لَا تَقۡرَبُوۡہُنَّ حَتّٰی یَطۡہُرۡنَ ۚ فَاِذَا تَطَہَّرۡنَ فَاۡتُوۡہُنَّ مِنۡ حَیۡثُ اَمَرَکُمُ اللّٰہُ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یُحِبُّ التَّوَّابِیۡنَ وَ یُحِبُّ الۡمُتَطَہِّرِیۡنَ
অর্থঃ আর তারা আপনাকে হায়েয (মাসিক) সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বলোতা তা ভীষণ কষ্ট। সুতারাং তোমরা মাসিক চলাকালীন স্ত্রীদের সাথে সহবাস করোনা। তারা পবিত্র না হওয়া অবদি তাদের কাছে যেওনা। অতপর যখন তারা পবিত্র হয় তখন তাদের কাছে যাও।যেভাবে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাহ কারীকে পছন্দ করে ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন অধিকহারে পবিত্রতা অর্জনকাদের।(সুরা বাকারা-২২২)
এছাড়াও হাদীসে ঋতু চলাকালীন সহবাস নিষিদ্ধকরণ ব্যপারে অনেক হাদিস রয়েছে।এছাড়াও মাসিক চলাকালীন স্ত্রীদের সাথে সহবাস করলে ক্ষতিকর রোগ হয় তাই এসময় সহবাস থেকে দূরে থাকতে হবে।

২/রোজাবসস্থায় সহবাস নিষিদ্ধ

اُحِلَّ لَکُمۡ لَیۡلَۃَ الصِّیَامِ الرَّفَثُ اِلٰی نِسَآئِکُمۡ ؕ ہُنَّ لِبَاسٌ لَّکُمۡ وَ اَنۡتُمۡ لِبَاسٌ لَّہُنَّ ؕ عَلِمَ اللّٰہُ اَنَّکُمۡ کُنۡتُمۡ تَخۡتَانُوۡنَ اَنۡفُسَکُمۡ فَتَابَ عَلَیۡکُمۡ وَ عَفَا عَنۡکُمۡ ۚ فَالۡـٰٔنَ بَاشِرُوۡہُنَّ وَ ابۡتَغُوۡا مَا کَتَبَ اللّٰہُ لَکُمۡ ۪ وَ کُلُوۡا وَ اشۡرَبُوۡا حَتّٰی یَتَبَیَّنَ لَکُمُ الۡخَیۡطُ الۡاَبۡیَضُ مِنَ الۡخَیۡطِ الۡاَسۡوَدِ مِنَ الۡفَجۡرِ۪ ثُمَّ اَتِمُّوا الصِّیَامَ اِلَی الَّیۡلِ ۚ وَ لَا تُبَاشِرُوۡہُنَّ وَ اَنۡتُمۡ عٰکِفُوۡنَ ۙ فِی الۡمَسٰجِدِ ؕ تِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰہِ فَلَا تَقۡرَبُوۡہَا ؕ کَذٰلِکَ یُبَیِّنُ اللّٰہُ اٰیٰتِہٖ لِلنَّاسِ لَعَلَّہُمۡ یَتَّقُوۡنَ
অর্থঃরমজানের রাতে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন করতে পারো। কারণ সিয়ামের রাতে স্ত্রীর নিকট গমন করা হালাল করা হয়েছে। স্ত্রী স্বামীর জন্য পোশাক স্বরূপ স্বামী ও স্ত্রীর জন্য পোশাক স্বরূপ। আল্লাহ জেনেছিলেন যে তোমরা নিজেদের সাথে খেয়াল করছিলে।অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবুল করেছেন এবং ক্ষমা করেছেন। অতএব এখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে মিলিত হও। এবং আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য যা ভাল লিখেছেন তা খোঁজো।
আর আহার করো এবং পান কর যতক্ষণ না ভোরের সাদা রেখা দেখা না যায়। অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করো। আর তোমরা মসজিদে ইতিকাফ রত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হইও না। এটা আল্লাহর সীমারেখা এই সীমারেখাকে অতিক্রম করিও না। এভাবে আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ মানুষদের কাছে স্পষ্ট করে তুলে ধরেন যাতে করে তারা তাকওয়া অর্জন করতে পারে। (সূরা বাকারা আয়াত ১২৭) দিনের বেলা সহবাস হারাম তবে রাতের বেলা সহবাস নিষিদ্ধ নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ দিনের বেলা সহবাস করে ফেললে তবে তাকে তাওবা করতে হবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে।

এছাড়াও আরো কিছু নিষিদ্ধ সময়ে রয়েছে যার নিচে উল্লেখ করা হলো ঃ

১।ইতিকাফের সময়
২।হজ্বে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়।
৩।স্ত্রীর বাচ্চা প্রসবের 40 দিন পর পর্যন্ত।
উপরোক্ত নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত যে কোন সময় স্ত্রী সহবাস করা যাবে।

স্ত্রী সহবাসের পর ফরজ গোসলের নিয়ম

স্ত্রী সহবাসের পর অতিসত্বর গোছল করা ফরজ করা আছে শরিয়তে।
সহবাসের পর গোছল(bath after sex)কে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে ব্যাখ্যা আছে।বীর্যপাত হোক বা না হোক স্ত্রীর যোনিপথ ব্যবহার করলেই ফরজ গোছল করতে হবে। ফরজ গোছল স্বামী স্ত্রী উভয়ের উপর ফরজ। সহবাস স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলনকে বুঝায়। তবে স্বামী স্ত্রী উভয়ের মানষিক ও শারিরীক পরিস্থিতি বুঝে যৌন মিলন করা উচিৎ। এক্ষেত্রে প্রত্যেক মুসলিমকেই ইসলামিক নিয়ম কানুন মানতে হবে। ফরজ গোছল বলতে গুরুত্বের দিক থেকে ফরজ কেউ বলেছেন নিয়মে ভিন্নতাও রয়েছে কোনো ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে সচারাচর যেভাবে গোছল করা হয় সহবাসের পর দ্রুত গোছল করে নেওয়াই বড় বিষয়।
তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নিয়ম পার্থক্যের বর্ননা পাওয়া যায় যেমন প্রথমে হাত কবজি পর্যন্ত ধুয়ে তারপর লজ্জাস্থান ভালোভাবে পরিস্কার করতে হবে।এরপর কুলি করতে হবে এবং নাকে পানি ফিতে হবে অতপর মাথার চুলে পানি পৌঁছাতে হবে তবে নারীদের চুলের খোপা না খুললেও হবে।অতপর পা ধোয়া ব্যতিত নামাজের ন্যায় অজু করতে হবে।এরপর সমস্ত শরিরে পানি ঢালতে হবে।গোছল শেষে পা ধুতে হবে।
পরিশেষে,প্রিয় পাঠক স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলনের ইসল্মিক অনুশাসন জানা সকলের জরুরী তাই ব্লগ পোস্ট টি কতটা কার্যকরী কমেন্টে জানাবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। ইসলামিক যে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে অথবা আমাদের ইমেইল করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.