Home Blog Page 2

বিশ্ব পরিবেশ দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি । মানব সভ্যতার টিকে রাখার জন্য পরিবেশের গুরুত্ব কতখানি হিসেব উপলব্ধি বোধ থেকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা গণ সচেতনতার  পদক্ষেপকে গুলকে উৎসাহিত করতে রাষ্ট্রসংঘ পালন করে। বায়ুদূষণ,  সমুদ্র দূষণ,  মানব জনসংখ্যা,  গ্লোবাল ওয়ার্মিং, ইত্যাদি  বিষয় গুলোর  মত পরিবেশগত বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে বিশ্ব পরিবেশ দূষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি বিশ্ব পরিবেশ দিবস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্য।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ইতিহাস

পৃথিবীর তাপমাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়ু দূষণ,  পানি দূষণ,  শব্দদূষণ পৃথিবীকে গ্রাস করছে। এসব দূষণ থেকে রক্ষার জন্য ১৯৭২  সালে জাতিসংঘ পরিবেশ সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি করতে স্টকহোম সম্মেলন এর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এর দু  বছর পরে ১৯৭৪  সালের পৃথিবীর প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যদিও এই পরিবেশ দিবস উদযাপন ১৯৯৭৬  সাল থেকে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু ১৯৮৭  সালে বিভিন্ন আয়োজক দেশ নির্বাচনের মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলোর কেন্দ্র ঘোরানোর ধারণা তৈরি করে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে?

সাধারণত ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন দিবস পালন করা হয়। অন্যান্য সকল দিবসের মতোই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হলেও বিশ্ব পরিবেশ দূষণ পালনের জন্য প্রতিবছর এক এক দেশ দায়িত্ব পান। সে অনুযায়ী বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এক এক আলাদা আলাদা থিম থাকে। প্রতিবছর আলাদা আলাদা দেশ বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের জন্য দায়িত্ব পান এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করার জন্য দায়িত্ব পেয়েছিলেন পাকিস্তান।এবং 2021 সালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের জন্য থিম ছিল বস্তু তন্ত্রে পুনরুদ্ধার করা।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

প্রকৃতি ও মানব জাতি , একে অপরের পরিপূরক । সেই প্রকৃতিকেই মানুষ নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে চলেছে প্রতিনিয়ত । সবুজকে নষ্ট করে ইট, কংক্রিটের দুনিয়ায় মজেছে তাঁরা । গ্লোবাল ওয়ার্মিং , জীববৈচিত্রের ভারসাম্য নষ্টের মতো একাধিক ইস্যুর মুখোমুখি হয়েও মানব জাতি পরিবেশ নিয়ে আজও উদাসীন । এই উদাসীনতার মোড়ক থেকে তাঁদের টেনে বার করে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দেওয়ার জন্যই এই বিশেষ দিনটি উদযাপিত হয় ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ছবি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মানুষকে বিশ্ব পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই নিবন্ধে আমরা এমন কিছু ছবি সংযুক্ত করব যে ছবিগুলো দিয়ে মানুষকে আপনি বিশ্ব পরিবেশের সৌন্দর্য উপলব্ধি করাতে পারবেন। মানুষ এইসব ছবিগুলো দেখে বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আর্টিকেলটির এই অংশে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কিছু ছবি সংযুক্ত করা থাকলে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের উক্তি

পৃথিবীর বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ বিশ্ব পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব আগেই উপলব্ধি করতে পেরেছিল। সেই উপলব্ধি বোধ থেকে জ্ঞানী ব্যক্তিরা বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় কিছু স্লোগান উক্তি দিয়ে গেছে। আমি বিশ্ব পরিবেশ রক্ষার কিছু প্রয়োজনীয় উক্তি তুলে ধরলাম।

আমি পরিবেশের দাস—– বায়রন
আমরা যদি পরিবেশ ধ্বংস করি তবে আমাদের কোন সমাজ থাকবে না—– মার্গারেট মিড
সুন্দর পরিবেশে একমাত্র স্বর্গ সুখ দিতে পারে—— ফিলিপ হেনরী
মানুষ মাত্রই প্রকৃতির দাস কিন্তু তার চাইতেও বড় সত্য পরিবেশ প্রগতির নিয়ন্ত্রক এ পরিবেশ স্রষ্টার মানুষ নিজেই—- হোসনে আরা
দরিদ্রই পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ—- ইন্দ্রাগান্ধির

মহান বিজয় দিবস: তারিখ, ইতিহাস, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

মহান বিজয় দিবস

বিজয় দিবস হচ্ছে বাঙালি জাতির দীর্ঘদিন পরাধীন থাকার পর স্বাধীন হওয়ার উৎসব। অর্থাৎ বাঙালি জাতি দীর্ঘকাল পরাধীন ছিল বিভিন্ন উপনিবেশ শাসকদের হাতে। অবশেষে 16 ই ডিসেম্বর 1971 সালে বাংলাদেশি বাঙালিরা স্বাধীনতা লাভ করে। এই স্বাধীনতা বাঙালিরা পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। এদিন পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক এবং শোষকেরা বাঙালি জাতির কাছে নতি স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে। এই মহান বিজয় কে স্মরণ করে বিজয় দিবস ঘোষণা করা হয়। আপনি যদি বিজয় দিবস সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে অনুচ্ছেদ টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

বিজয় দিবসের ইতিহাস

বিজয় দিবস দিনটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভাবে পালিত হয়। বিজয় দিবস বাংলাদেশের একটি সরকারি ছুটির দিন। এ দিনটিতে বাংলাদেশের প্রত্যেক মানুষ অত্যন্ত আনন্দের মেতে ওঠে। কারণ এই দিনে বাঙালিরা পশ্চিম পাকিস্তানের হাত থেকে চিরতরের জন্য বিজয় লাভ করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা এদেশ থেকে চলে গেলে উপমহাদেশকে মূলত হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে যায়। হিন্দুস্থান একটি অবিভক্ত রাষ্ট্র হলেও পাকিস্তানকে দুইটি আলাদা প্রদেশ এক্ষেত্রে করে একটি রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। এর একটি হল পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অন্যটি হলো পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান)।

ব্রিটিশরা এদেশ থেকে চলে যাওয়ার পর পাকিস্তানে শাসনযন্ত্র চলে যায় পশ্চিম পাকিস্তানীদের হাতে (বর্তমান পাকিস্তান) এ সুযোগে পশ্চিম পাকিস্তানিরা আবারও পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর শাসন, শোষণ, নিপীড়ন শুরু করে। ফলাফল স্বরূপ পূর্ব পাকিস্তানীরা আবারো পশ্চিম পাকিস্তানীদের হাতে স্বাধীনতা হারাতে বসে। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন এবং শোষক এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অবস্থা যখন খুব অসহায় ঠিক তখনই পূর্ব পাকিস্তানীরা তাদের স্বাধিকার আন্দোলনের জন্য উঠেপড়ে লাগে। এ আন্দোলন 1952 সাল থেকে শুরু করে 1971 সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়। 1971 সালের 25 শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানিরা এদেশের জনগণের অপর নির্বিচারে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান ত্যাগ করে। শুরু হয় রক্ত ক্ষয় সংগ্রাম। দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রামের পর পূর্ব পাকিস্তানীরা পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাবু করে ফেলে। এবং অবশেষে ভারতের মিত্রবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর যৌথ যুদ্ধের ফলে পাকিস্তানিরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এবং 16 ডিসেম্বর 1971 সালে পশ্চিম পাকিস্তানিরা মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এরই মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। সেই থেকে বাংলাদেশের 16 ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়ে আসছে।

বিজয় দিবসের কবিতা

 16 ডিসেম্বরকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন এর জন্য বাংলাদেশে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং সাংস্কৃতিক জোট বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এরমধ্যে সকালে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত । এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়া বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এদিন বিতর্ক প্রতিযোগিতা কবিতা আবৃতি শহর রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আমরা এই নিবন্ধে বিজয় দিবস উপলক্ষে কিছু কবিতা সংযুক্ত করেছি।

বিজয় দিবসের ছবি

মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনেক শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য ইউনিক কিছু ছবি অনুসন্ধান করে থাকেন। আমরা সেই সকল শিক্ষার্থীর সাহায্যের জন্য কিছু ইউনিক ছবি সংযুক্ত। এই ছবিগুলো দিয়ে আপনি বিজয় দিবসের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় লড়াই করতে পারবেন।

বিজয় দিবসের স্ট্যাটাস

30 লক্ষ শহীদের বিনিময় এবং 2 লক্ষ মা বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার মূল নায়ক ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ স্বাধীনতা আমরা এমনি এমনি পাইনি। রক্তগঙ্গা বয়ে গেছে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিতে। তাই এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকতে হবে। এই প্রত্যয় শেষ করছি মহান বিজয় দিবস নিয়ে আজকের এই আর্টিকেল। আমরা সেই সকল শহীদদের এবং মা-বোনদের কোনদিনও ভুলব না যাদের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ।

বিশ্ব পোলিও দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা

বিশ্ব পোলিও দিবস

প্রতিবছর প্রতিমাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে বিভিন্ন দেশে কিছু দিবস পালিত হয়। ওই নির্দিষ্ট দিনে অতীতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কে স্মরণ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা তৈরী করতেই এই সমস্ত দিবস পালিত হয়। পালনীয় সেই সমস্ত দেশ গুলির মধ্যে একটি হলো বিশ্ব পোলিও দিবস।অনেকের একাধিক প্রচেষ্টায় আজ পৃথিবীর বুক থেকে পোলিও ভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে গত এক দশক ধরে আজকের দিনে আয়োজিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পোলিও দিবস সারা পৃথিবীতেই পোলিও রোগের সংখ্যা কমেছে কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কমাতে নয় রোগের একেবারে নির্মূল বিশ্বাসী।

পোলিও দিবস কবে?

প্রতিবছর 24 অক্টোবর বিশ্ব পোলিও দিবস পালন করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সারা বিশ্ব থেকে পোলিও নির্মূল করার লক্ষ্যে কাজ করছে। গত বছরে শতাধিক পোলিও রোগ ধরা পড়েছে। সবকয়টি নাইজেরিয়া পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের। আসুন আজ বিশ্ব পোলিও দিবস সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য জানি।পোলিও দিবস মূলত জোনাস এডওয়ার্ড সল্ক এর স্মরণে করা হয়। যিনি পোলিও টিকা আবিষ্কারক।

পোলিও দিবসের ইতিহাস

১৯৮৮ সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ২৪  শে অক্টোবর বিশ্ব পোলিও দিবস ঘোষণা ও পালন করেন। সেই সময় সারা বিশ্বে ১২৫ টি  দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছিল যেখানে প্রতি বছর ৩  লক্ষ ৫০  হাজার মানুষ পোলিও রোগে আক্রান্ত হয়। বিশ শতকের পাঁচের  এর দশকে জনাস সালকে  এর নেতৃত্বে তৈরি পোলিও নিরাময়ের ভ্যাকসিন আরো একটু বিকাশ ঘটিয়ে আলবার্ট সাবিন দুর্বল পোলিও ভাইরাস নিরাময়ের দ্বিতীয় আরেকটি টিকা তৈরি করেন ১৯৭৫ সালে। যেটি মূলত খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এই দুটি আবিষ্কারে ব্যাপক ব্যবহার ও সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে পোলিওমুক্ত বিশ্ব গঠনের জন্য ১৯৮  সালে তৈরি হয়েছিল গ্লোবাল ইরাডিকেশন ইনিশিয়েটিভ।মূলত এই সংস্থার হাত ধরে পোলিও রোগ নির্মূলের ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

পোলিও দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

পোলিও দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা বলতে মূলত পোলিও টিকাদান কর্মসূচি কে আরো জোরদার করার লক্ষ্যে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি কি বুঝায়। হঠাৎ পোলিও দিবস আপনি যদি একজন মানুষকে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন আজ বিশ্ব পোলিও দিবস। তাহলেই ওই মানুষটি তার আশেপাশের মানুষকে বিষয়টা জানাবে এবং নিকটস্থ পোলিও টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে টিকা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবে। তাই পোলিও দিবস এর শুভেচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নিচ্ছে আমি পরিবেশ দিবসের কয়েকটি শুভেচ্ছাপত্র সংযুক্ত করেছি। এই শুভেচ্ছা বার্তা গুলো দিয়ে আপনি আপনার আশেপাশের মানুষদের পোলিও টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে অবগত করতে পারেন।

পোলিও রোগের লক্ষণ

পোলিও অসাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে জ্বর মাথা ব্যাথা স্বরভঙ্গ বমি ক্লান্তি ব্যথা ঘাড় পিঠ শক্ত হয়ে যাওয়া বেশি দুর্বলতা। এই লক্ষণগুলো সংক্রমণে দশ দিন পর্যন্ত বজায় থাকে। গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে পড়ে মস্তিষ্ক-ঝিল্লীর প্রদাহ এবং পা বা বাহুর অপরিবর্তনীয় পক্ষাঘাত।

বিশ্ব নারী দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা এবং ছবি

বিশ্ব নারী দিবস

বিশ্বের ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নারী দিবস পালিত হয়ে আসছে।  কিন্তু,  এই নারী দিবস কি? কখন থেকে শুরু ? এটা কি কোন উৎসব?  নাকি বিক্ষোভ?  এসব প্রশ্নের উত্তর কি জানি?
শ্রমো আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে নারী দিবস একসময় গিয়ে জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভ করে। এই আন্দোলনের বীজ রোপিত হয়েছিল ১৯০৮ সালে সে বছর ১৫ হাজার নারী কর্মঘন্টা কমানো, মজুরি বাড়ানো,  আর ভোট দেয়ার অধিকারের দাবিতে নিউইয়র্ক শহরের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছিল।  এক বছর পর আমেরিকার সোস্যালিস্ট পার্টি প্রথম জাতীয় নারী দিবস ঘোষণা করেছিল।

নারি দিবসের ইতিহাস

এদিবস আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়ার কাজটি ক্লারা জেটকিন নামে এক নারী। ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে কর্মজীবী নারীদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন । ওই সম্মেলনে বিশ্বের ১৭ টি দেশের ১০০  জন নারী উপস্থিত ছিলেন।  যারা সবাই তার প্রস্তাবে সমর্থন দেন,  দিনটি আন্তর্জাতিক ভাবে প্রথম উদযাপিত হয় ১৯১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার, ডেনমার্ক,  এবং সুইজারল্যান্ডে ।  দবসটির শতবার্ষিকী পালিত হয় 2011 সালে আর,  চলতি বছর অর্থাৎ 2021 সালে আমরা পালন করছি দিবসটির ১১০ তম বার্ষিকী ।  ১৯৭৫  সালে যখন জাতিসংঘ এই দিবসটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়,  তখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে ।

 নারী দিবস কবে?

 নারী দিবস উদযাপনের ক্লারা যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাতে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ ছিল না।  ১৯১৭ সালের যুদ্ধকালীন সময়ে রাশিয়ার নারীরা রুটি এবং শান্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরুর পর এর তারিখ নির্ধারিত হয় । সেসময়, বিক্ষোভটি   চারদিন ধরে চলে এবং একপর্যায়ে সরকারের পতনের পর প্রাদেশিক সরকার নারীদের ভোটাধিকার দেয় । জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটি ছিল ২৩ শে ফেব্রুয়ারি রোববার,  গ্রেগরিয়ান   ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটি ছিল ৮ ই মার্চ । আর এ কারণে বর্তমানে ৮ ই মার্চ নারী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

নারি দিবসের উদযাপন

রাশিয়ান সহ বিশ্বের অনেক দেশেই নারী দিবস সরকারি ছুটির দিন বলা হয় । রাশিয়ায় ৮ ই মার্চ কে ঘিরে তিন-চারদিন ফুল বিক্রি হয় ।  চীনে নারী দিবসের কর্মজীবী নারীদের অর্ধেক বেলা ছুটি দেয়ার নির্দেশ রয়েছে।  দেশটির স্টেট কাউন্সিল থেকে তবে অনেক নিয়োগকর্তা এটি মানেননা ,  ইতালিতে আন্তর্জাতিক নারী লা ফিস্তা দিল্লা দোয়ানন নামে। নারীদের শুভেচ্ছা জানানো হয় মিম নামে এক ধরনের ফুল দিয়ে ।  এই ঐতিহ্যের উৎপত্তি সম্পর্কে তেমন কিছু জানা না গেলেও ধারণা করা হয় যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রুমে এর প্রচলন শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে মার্চ হচ্ছে নারী ইতিহাসের মাস প্রতি বছর আমেরিকান নারীদের অর্জন কে সম্মান জানিয়ে প্রেসিডেনশিয়াল ঘোষণা করা হয়।

নারি দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

যা কিছু ভালো যা কিছু প্রথম যা কিছু মানব সভ্যতার অভিশাপ আশীর্বাদ সেসব ঘটনা ইতিহাসে স্থান পায় ইতিহাস আজীবন কথা বলে ইতিহাস মানুষকে ভাবায় তাড়িত করে প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে এমন ইয়ার ইতিহাসের গুরুত্ব বহন করে 8 মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের নেপথ্যে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ।

নারি দিবসের রং

বেগুনি,   সবুজ আর সাদা হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের রং ।  বেগুনি দেখা হয়  মর্যাদার প্রতীক হিসেবে,  সবুজ আশার প্রতীক আর সাদা মূলত শুদ্ধতার প্রতীক যদিও এটা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

পুরুষ দিবস আছে কি ? পুরুষ দিবস ১৯৭৫ হয়,  তবে এটি উদযাপন শুরু হয় ১৯৯০ এর দশক থেকে।  কিন্তু এখনো দিনটি জাতিসংঘের অনুমোদন পায়নি বিশেষ দিবসটি পালন করে এটি মূলত পুরুষের স্বাস্থ্য লৈঙ্গিক সম্পর্ক উন্নয়নে এগিয়ে নেয়া এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে পুরুষ মডেলদের কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস – ইতিহাস, তারিখ, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন তখন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসার দিনে বাংলাদেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয় ।এই নিবন্ধে আমরা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ইতিহাস সহ বিস্তারিত আলোচনা করব।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ইতিহাস

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আলোচনা শুরুতে যেটা বলতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবদানের কথা । তিনি বাংলার অবিসংবাদিত নেতা তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল।১৯৭১  সালের ২৫ শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের দোসরদের  সহযোগিতায় নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। এবং ওই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন ২৬  শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন ।  বঙ্গবন্ধু সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যাহতির পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে আটকে রাখা হয়। ১৯৭১ সালের ১৬  ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাসের যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন মধ্যদিয়ে জাতীয় বিজয়ের লাভ করে।

জাতির পিতা পাকিস্তানের কারাগার থেকে ছাড়া পান ১৯৭২  সালের ৭  জানুয়ারি ভোর রাতে। এদিকে বঙ্গবন্ধু ও ডঃ কামাল হোসেনকে বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে আটটায় তারা  লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে যান । বেলা দশটার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কথা বলেন, তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দিন আহমেদ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সহ অনেকের সঙ্গে। পরে বৃটেনের বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে পরদিন ৯  জানুয়ারি দেশে পথে যাত্রা করেন। ১০  তারিখ সকালে তিনি নামেন দিল্লিতে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গীরি,  প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী,  সমগ্র মন্ত্রিসভা প্রধান,  নেতৃবৃন্দ ।  প্রধানমন্ত্রী সে দেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা লাভ করে ।  সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ ও জনগণের কাছে তাদের পণ্য সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছেন অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা হিসেবে

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কবে পালিত

নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশে যখন স্বাধীনতা লাভ করে তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি। পাকিস্তানের কারাগার থেকে বন্দিহয়ে বঙ্গবন্ধু চলে যান লন্ডনে, সেখান থেকে দিল্লি হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০  তারিখ ১৯৭২  সালে বাংলাদেশে প্রথম পা রাখেন। যেহেতু,  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০  তারিখে বাংলাদেশে আসেন তাই ১০ ই জানুয়ারি বাংলাদেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস শুভেচ্ছা বার্তা

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জোট বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানের কর্মসূচী হাতে নেয়। বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের দৈনিক কর্মসূচি পরিবর্তন আনে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে কেন্দ্র করে তারা নানারকম তথ্যমূলক অনুষ্ঠান ও কলাম প্রকাশ করে। এদিন বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কর্মসূচী পালন করেন।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ছবি

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের মানুষ একজন আরেকজনকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের শুভেচ্ছা জানায়। বর্তমান এই ডিজিটাল যুগের শুভেচ্ছা জানানোর অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ারের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো। তাই অনেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ছবি ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে থাকেন। নিচে কিছু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ছবি সংযুক্ত করা হলো।

বঙ্গবন্ধু বলেন, “আমায় আপনারা পেয়েছেন। আমি আসছি। জানতাম না আমার ফাঁসির হুকুম হয়ে গেছে আমার সেলের পাশে, আমার জন্য কবর খোড়া হয়েছিলো। আমি প্রস্তুত হয়েছিলাম, বলেছিলাম আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান, মুসলমান একবার মরে দুইবার মরে না। আমি বলেছিলাম, আমার মৃত্যু আসে যদি আমি হাসতে হাসতে যাবো। আমার বাঙালি জাতকে অপমান করে যাবো না, তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইবো না। এবং যাবার সময় বলে যাবো জয় বাংলা, স্বাধীন বাংলা, বাঙালি আমার জাতি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলার মাটি আমার স্থান।”

পহেলা বৈশাখ – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি

পহেলা বৈশাখ

পহেলা বৈশাখ পৃথিবীর সব বাঙালির কাছে একটি উৎসব মুখর দিন। পহেলা বৈশাখ অর্থ হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। অর্থাৎ বাংলা সনের প্রথম দিন হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ বিশ্বের প্রত্যেকটি বাঙালি উৎসবমুখর ভাবে নানান আলোচনার মধ্য দিয়ে পালন করে। এদিন বাঙালিরা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিজেকে বাঙালী হিসেবে পরিচয় দেয়।পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাঙালি মেয়েরা নানান রংবে রঙ্গের শাড়ি পড়ে ছেলেরা পড়ে পায়জামা-পাঞ্জাবি। এদিন বাঙ্গালীদের খাদ্যাভ্যাসেও যুক্ত হয় বাঙালিয়ানা খাবার যেমন: পান্তা, ইলিশ, শুটকি ভর্তা ইত্যাদি।এই আর্টিকেলে আমরা পহেলা বৈশাখের বিস্তারিত জানব।

পহেলা বৈশাখ কবে? 

 বসন্তের ছোঁয়া গায়ে লাগার সাথে সাথে পহেলা বৈশাখ আমাদের দরজায় এসে হাজির হয়েছে।   বসন্তের কোকিল ডাকতে শুরু করার সাথে সাথে শুভ নববর্ষের বার্তা আমাদের কানে এসে পৌঁছেছে।  আপনারা জানেন যে প্রতি বছর ১৪  এপ্রিল পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হয়।  ইংরেজি এবং বাংলা ক্যালেন্ডারের সামঞ্জস্য থেকে ২০২২ সালের বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস বলতে গেলে সর্বপ্রথম বাংলা সনের ইতিহাস সম্পর্কে জানা দরকার।বাংলা সনের ইতিহাস এখনো সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি।তবে অধিকাংশ ঐতিহাসিক ও পান্ডিত্যের মনে করেন মোগল সম্রাট আকবর চন্দ্র হিজরি সনের সঙ্গে ভারতবর্ষের সৌর সনের সমন্বয় সাধন করে ১৫৫৬ সাল বা ৯৯২ হিজরীতে বাংলা সন চালু করেন। আধুনিক গবেষকদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন মহামতি আকবর সর্বভারতীয় যে ইলাহি সন প্রবর্তন করেছিলেন তার ভিত্তিতেই বাংলায় আকবরের কোন প্রতিনিধি বা মুসলমান সুলতান বা নবাব বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। সেজন্যই একে সন বা সাল বলে উল্লেখ করা হয়। সন কথাটি আরবি আর সাল হলো ফারসি । এখনো সন সালেই ব্যাপকভাবে চালু। তবে বঙ্গাব্দ বলেও কেউ কেউ বলেন।

পহেলা বৈশাখের পোশাকের বৈচিত্রতা

পহেলা বৈশাখে বাঙালি ছেলেরা বাঙালিয়ানা পোশাক পরতে ভালবাসো। এদিন প্রত্যেকটা বাঙালি ছেলের লাল পাঞ্জাবির সাথে সাদা প্যান্ট কখনো কখনো তারা গামছা গলায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। মেয়েরা পরে লাল শাড়ির সাথে বিভিন্ন কালার কম্বিনেশন শাড়ি ব্লাউজ। সাথে মেয়েদের খোপা শোভা পায় বিভিন্ন ফুল। সব মিলে বাংলার আকাশে-বাতাসে সেদিন আনন্দের সুর বাজে।

পহেলা বৈশাখের খাবার

পহেলা বৈশাখের জন্য বাঙালি বাঙালিয়ানা খাবার খেতে পছন্দ করে। এদিন অনেকেই বাড়িতে তৈরি পান্তা ভাতের সাথে ইলিশ খেতে ভালোবাসে। অনেকেই বিভিন্ন রকম শাক ও সবজি নিজের খাবার মেনুতে যুক্ত করে। অনেকে তাদের বন্ধু-বান্ধবদের তাদের মিষ্টিমুখ করে পহেলা বৈশাখের আনন্দ ভাগাভাগি করে। পহেলা বৈশাখের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে ইলিশ মাছ। পহেলা বৈশাখে পান্তা দিয়ে ইলিশ মাছ খাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে।

পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বার্তা

এসো হে বৈশাখ এসো এসো যাবতীয় যারা ভিন্নতা ও ক্লান্তি কাটিয়ে নতুন বছরে পা। পুরাতন সকল ক্লান্তি ভুলে গিয়ে নতুন কে বরণ করার উৎসবে মেতে ওঠে বাঙালিরা। শুধু বাঙালীর নয় বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর এই দিনে বিশেষ বিশেষ উৎসব পালন করে থাকে। এইসব উৎসবকে কেন্দ্র করে নিজের বন্ধু বান্ধব প্রিয়জনকে সবাই শুভেচ্ছাবার্তা জানায়। এই নিবন্ধে পহেলা বৈশাখের কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করলাম।

পহেলা বৈশাখের এসএমএস

পহেলা বৈশাখ সব ধরনের মানুষ  উদযাপন করে থাকে। এদিন প্রেমিক-প্রেমিকারা পহেলা বৈশাখের এসএমএস দিয়ে একজন আরেকজনকে শুভেচ্ছাবার্তা জানায়। এছাড়াও পহেলা বৈশাখে মানুষ বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন কে এসএমএস এর মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে।আপনি যদি পহেলা বৈশাখের এসএমএস এর সন্ধান করে থাকেন তাহলে আমি এখানে কিছু এসএমএস সংযুক্ত করলাম । এই এসএমএস গুলো দিয়ে আপনি আমার আপনার প্রিয় জন ও বন্ধুবান্ধবকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন।

পহেলা বৈশাখের ছবি

পহেলা বৈশাখে নিজের বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয়জনকে ছবির মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো অনেকটা ট্রেডিশন হয়ে গেছে। আর ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো বর্তমানে সবচেয়ে সহজ এবং অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। তাই অনেকেই পহেলা বৈশাখের ছবি ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেন। এজন্য আমি কিছু পহেলা বৈশাখের ছবি সংযুক্ত করলাম।

অবশেষে, পহেলা বৈশাখের এই দিনটি আপনি আপনার প্রয়োজনের সাথে অত্যন্ত আনন্দের সাথে উপভোগ করুন। এছাড়াও আপনি পহেলা বৈশাখের অন্যান্য আয়োজন সম্পর্কে জানতে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি সঙ্গে থাকুন। শুভ নববর্ষ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস – তারিখ, পটভূমি, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি, উক্তি, গান, কবিতা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গ শহ বিশ্বের বহু দেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। পৃথিবীতে শুধু একটিমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে অর্জন করেছে মায়ের ভাষা। এই মাতৃভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য হাজার 1999 সালে ইউনেস্কো ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে কবিতা, শুভেচ্ছা, ছবি সংযুক্ত করলাম।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পটভূমি

১৯৪৭  সালের দেশ ভাগ হওয়ার পর ব্রিটিশরা পাকিস্তানের দুটি প্রদেশে ভাগ করে দেয়। একটি পূর্ব পাকিস্তান অন্যটি পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তানের মূল শাসনযন্ত্র চলে যায় পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। পূর্ব পাকিস্তান( বাংলাদেশ)  আবার ও পশ্চিম পাকিস্তানের কাছে পরাধীনতা অনুভব করতে শুরু করে। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বিভিন্নভাবে পূর্ব পাকিস্তানের উপর অন্যায় অত্যাচার শুরু করে। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য প্রথমে মাতৃভাষার উপর আঘাত আনে। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ভাষা সংস্কৃতি সব বাংলা কে ঘিরে গড়ে উঠেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ উর্দু ভাষাকে বুঝেই না ।

এ অবস্থায় উর্দুকে  পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি ওঠে। কিন্তু ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা রাষ্ট্রভাষা  করার দাবি তোলেন পশ্চিম পাকিস্তানের সংসদে। কিন্তু,  পশ্চিম পাকিস্তানী তৎকালীন নেতারা বাংলাকে কোনভাবেই রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিচ্ছিল না। এমত অবস্থায়,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা  রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মেতে ওঠে। এই আন্দোলন সংগ্রামের একপর্যায়ে আন্দোলনকে কঠোর হাতে স্থগিত করার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানীরিরা ১৪৪ ধারা জারি করেন । কিন্তু সাধারণ ছাত্র,  শিক্ষক , শ্রমিক, মজুর , দের কোনোভাবেই এই আন্দোলন থেকে সরিয়ে আনা যায়নি। তারার ১৯৫২  সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সমবেত হয়। এরপর তারা ১৪৪  ধারা ভাঙার প্রস্তুতি নেয়। তারা মিছিল  দিয়ে কার্জন হল পেরিয়ে রাস্তায় নামলে পাকিস্তানি সেনারা তাদের উপর নির্বিচারে গুলি করে। সেই গুলিতে সালাম,  রফিক,  বরকত,  জব্বার সহ অনেকেই নিহত হন। সেই শহীদদের স্মরণে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পরে ইউনেস্কো থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে?

দিবস হচ্ছে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট ঘটনাকে স্মরণ করার জন্য এক উদযাপনের নির্দিষ্ট দিন। ১৯৫২  সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলার দামাল ছেলেরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য জীবন দিয়েছিলেন। সেইসব দামাল ছেলে যারা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য জীবন দিয়েছিলেন তাদের স্মরণে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি কে জনে, যদি বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত না দিত তাহলে হয়তো আমরা অন্য কোন বিদেশি ভাষায় কথা বলতাম। আমরা কথা বলতে পারতাম না মায়ের মুখের কাছ থেকে শেখা ভাষা। তাই আমাদের এই প্রিয় মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দিলেন তাদের আত্মার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে থাকবো আজীবন। এই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য আমরা অনেকেই বিভিন্ন শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে একে অপরকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কথা স্মরণ করিয়ে দেই। আর্টিকেলের এই অংশে আমি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করেছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছবি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণ করে আমাদের নির্মিত হয়েছে জাতীয় শহীদ মিনার। ১৯৫২ সালে যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন তাদের স্মৃতিতে এই শহীদ মিনার সহ বিভিন্ন রকম ছবি ডিজাইন অনেকেই ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেন। কারণ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা রকম কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি কর্মসূচি হচ্ছে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। আপনি যদি ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এরকম কোন ছবি অনুসন্ধান করেন তাহলে আমাদের পোস্ট এর নীচে সেগুলো পেয়ে যাবেন।

মাতৃভাষা দিবসের ছবি
মাতৃভাষা দিবসের ছবি
মাতৃভাষা দিবসের ছবি
মাতৃভাষা দিবসের ছবি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উক্তি

জ্ঞানীগুণী মনীষীরা চারা মাতৃভাষার প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভব করেন, তারা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রকম উক্তি দিয়ে গেছেন। এরকমই কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কিছু উক্তি শুনে নেব।

ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি, এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি? যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে!
– মাইকেল মধুসূদন দত্ত 

বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে
– প্রমথ চৌধুরী 

আমার মায়ের ভাষা এসেছে আমার অনেক ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে
তাইতো আমরা বলি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি

ভাষা শহীদের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা আমাদের মাতৃভাষা
ধন্য হয়েছে এই বাংলা ধন্য হয়েছে আমরা কারন পেয়েছি আমরা বাংলা।

মাতৃভাষা নিয়ে কবিতা

অনেকে আছেন যারা বাংলা আমার মাতৃভাষা কবিতা লিখে অনুসন্ধান করেন। তাই আপনাদের জন্য এখানে মাতৃভাষা নিয়ে কবিতা দেওয়া হয়েছে। আশাকরি মাতৃভাষা নিয়ে লিখিত কবিতাগুলো আপনাদের অনেক পছন্দ হবে। কবিতা গুলো পছন্দ হলে অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন।

স্বাধীনতা দিবস – তারিখ,ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস, শুভেচ্ছা ছবি, কবিতা এবং গান

স্বাধীনতা দিবস

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য তারা ছিনিয়ে নিয়েছে আমরা সেই সকল মহানায়কদের কখনোই ভুলবো না। যারা স্বাধীনতার জীবন জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে শুদ্ধ করে আমাদের জন্য এই মাতৃভূমি রেখে গেছেন সেই সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের স্বাধীনতা দিবসের আর্টিকেল শুরু করলাম। এই আর্টিকেলের স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস ছবি শুভেচ্ছাবার্তা সহ বিস্তারিত আলোচনা করা থাকবে।

স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস

উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ রাজ চলে যাওয়ার পর উপমহাদেশকে দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়। একটি হলো পাকিস্তান অন্যটি হিন্দুস্থান ভারত। ভারত অবিভক্ত রাষ্ট্র হলেও পাকিস্তানের দুটি আলাদা আলাদা প্রদেশ নিয়ে গঠিত হয়। একটি প্রদেশে হচ্ছে পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অন্যটি হচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান) সেই সময় পাকিস্তান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও পূর্ব পাকিস্তানের লোকজন কার্যত পরাধীন হয়ে থাকল পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারা বাংলার মানুষের উপর নানাভাবে অন্যায় অত্যাচার শুরু করলো।

তারা বাংলাদেশের মানুষদের শাসন, শোষণ, নিপীড়ন, জুলুম চালাতে থাকলাম। তারা এই বাংলা থেকে হাজার হাজার টাকা পয়সা জিনিসপত্র লুট তরাজ করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যেতে লাগল। শিক্ষা,  চিকিৎসা সহ পূর্ব  পাকিস্তানের মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে থাকলো। তারা বাংলা ভাষা সংস্কৃতির উপর আঘাত হানল। বাংলার মানুষের সংস্কৃতি মুছে ফেলার জন্য প্রথমেই উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করেছিল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে বাংলার মানুষেরা সংগ্রাম করতে শিখেছিল। সংগ্রাম করে কিভাবে অর্জন করতে হয় সে সবকিছু ভালোভাবে অর্জন করেছিল বাংলার মানুষ।

১৯৭০  সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষমতা হস্তান্তর করে নি। এর নানা ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ পেশ করেন। মূলত সেই ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপর ১৯৭১ সালের ২৫  মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে এদেশের নিরীহ বাঙ্গালীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়। তারপরের দিন ২৬ শে মার্চ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। এইজন্য ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস কবে?

১৯৭১  সালের ২৫  শে মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশের নিরস্ত্র,  ঘুমন্ত বাঙ্গালীদের উপর এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি সেনারা। পরদিন ২৬ শে মার্চ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। সেই থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্নভাবে বন্ধুবান্ধব প্রিয়জনদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে থাকে। আমি নিবন্ধের এই অংশে স্বাধীনতা দিবসের কিছু শুভেচ্ছা পত্র সংযুক্ত করে দিলাম। এই শুভেচ্ছা বার্তা গুলো দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আনন্দ বন্ধুবান্ধব প্রিয়জনদের মাঝে শেয়ার করতে পারবেন।

স্বাধীনতা দিবসের উক্তি

জনৈক একজন মনিষী বলেছেন স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। এসমস্ত আরো অন্যান্য স্বাধীনতা দিবসের উক্তি এই নিবন্ধের সংযুক্ত করেছে। আপনি এখান থেকে স্বাধীনতা দিবসের খুব সুন্দর সুন্দর উক্তি পেতে পারেন।

* এই স্বাধীনতা তখনি আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর ও দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

* একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। – হুমায়ূন আজাদ

* আমি আমার নিজের দেশ নিয়ে অসম্ভব রকম আশাবাদী৷ আমাকে যদি একশোবার জন্মাবার সুযোগ দেয়া হয় আমি একশোবার এই দেশেই জন্মাতে চাইব৷ এই দেশের বৃষ্টিতে ভিজতে চাইব৷ এই দেশের বাঁশবাগানে জোছনা দেখতে চাইব- হুমায়ূন আহমেদ

* বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর – জীবনানন্দ দাশ

* স্বাধীনতা তুমি পিতার কোমল জায়নামাজের উদার জমিন। – শামসুর রাহমান

* যে মাঠ থেকে এসেছিল স্বাধীনতার ডাক, সেই মাঠে আজ বসে নেশার হাট – রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

* তোমার বুকের মধ্যে আমাকে লুকিয়ে রাখো আমি এই মাটি ছেড়ে, মাটির সান্নিধ্য ছেড়ে, আকাশের আত্মীয়তা ছেড়ে, চাই না কোথাও যেতে, কোথাও যেতে – মহাদেব সাহা

* এখনতো চারিদিকে রুচির দুর্ভিক্ষ! একটা স্বাধীন দেশে সুচিন্তা আর সুরুচির দুর্ভিক্ষ! এই দুর্ভিক্ষের কোন ছবি হয়না। – জয়নুল আবেদিন

* আমরা স্বাধীন হয়েছি তাই আমরা স্বাধীন জীবন যাপন করবো এমনটা ভাবা ঠিক নয়। আমরা আজন্ম স্বাধীন। – উইলিয়াম ফকনা

* শৃঙ্খল ভাঙ্গার মধ্যে একধরণের পৈশাচিক স্বাধীনতা আছে। – রবার্ট ফ্রস্ট

* স্বাধীনতা মানুষের মনের একটি খোলা জানালা, যেদিক দিয়ে মানুষের আত্মা ও মানব মর্জাদার আলো প্রবেশ। – হার্বার্ট হুভার

* নিজের ইচ্ছামতো বাঁচা ছাড়া স্বাধীনতার অর্থ আর কিইবা হতে পারে। – অ্যাপিকটিটাস

* স্বাধীনতা একটি সুযোগের নাম যার মাধ্যমে আমরা যা কখনই হতে পারার কল্পনা করতে পারিনা তা হতে পারি।- ড্যানিয়াল যে ব্রুস্টিন

* স্বাধীনতা ছাড়া একটি জীবন মানে আত্মা ছাড়া শরীর। – কাহলিল জিবরান

* স্বাধীনতা মানুষের প্রথম এবং মহান একটি অধিকার। – মিল্টন

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাধীনতার স্বাদ দিতে,
যারা নিজেদের জীবনের পরোয়া করেননি।
তাঁদের প্রতি আমরা স্যালুট রইলো।
🧡💚শুভ স্বাধীনতা দিবস💚🧡

গর্ব তো অনেক কিছুতেই হয়,
কিন্তু ভারতের এই পবিত্র মাটিতে
জন্ম নেওয়ার মতো গর্ব
অন্য কিছুতে হয় না।
🧡💚শুভ স্বাধীনতা দিবস💚🧡

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ছবি

২৬ ই মার্চ  দিনটি ১৮  কোটি বাংলাদেশির  কাছে সবচেয়ে গর্বের দিন। এই দিন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বীরত্ব ও সাহসিকতাকে প্রণাম করার দিন, তাদের বলিদানকে শ্রদ্ধা জানানোর দিন। এই দিন আমাদের স্বাধীনতার দিন। এই বিশেষ দিনের উদেশ্যে আমরা আপনাদের জন্য দেশভক্তিতে ভরা সেরা স্বাধীনতা দিবসের পিকচার কালেকশান নিয়ে এলাম।

স্বাধীনতা দিবসের ছবি
স্বাধীনতা দিবসের ছবি

 

রাখী বন্ধন – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা,স্ট্যাটাস ও ছবি

রাখী বন্ধন

রাখি বন্ধন ভাই ও বোনের মধ্যে প্রীতি বন্ধনের উৎসব। এইদিন দিদি বা বোনেরা তাদের ভাইবা দাদার হাতে রাখি নামের একটি পবিত্র সুতা বেঁধে দেয়। এই রাখে টি ভাইবা দাদার প্রতি বোনের ভালোবাসা ও ভাইয়ের মঙ্গলকামনায় এবং দিদি বা বোন কে আজীবন রক্ষা করার ভাই ও দাদার শপথের প্রতিক।
রাখি বন্ধন উৎসবের দিন দিদিরা বোনেরা তাদের ভাই ব্রাদারের হাতের কব্জিতে রাখি নামের একটি পবিত্র সুতা বেঁধে দেয়। পরিবর্তে ভাই বোনকে উপহার দেয় এবং সারাজীবন তাদের রক্ষা করার শপথ নেয়। এরপর ভাই-বোন পরস্পরকে মিষ্টি খাওয়ান। বর্তমানে পুরো ভারতসহ বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ভাবে অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে।

রাখী বন্ধন দিন ও তারিখ

রাখি বন্ধন হিন্দু সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই উৎসবে ভাইবোনের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ নতুনভাবে উদযাপিত হয়। উৎসবে বোনেরা ভাইয়ের চির জীবন কামনা করেন। এবং ভাইয়েরা বোনদের সারা জীবন রক্ষা করার শপথ নেন। রাখি বন্ধন অনুষ্ঠান হিন্দু পঞ্জিকা মতে অনুষ্ঠিত হয়। তবে 2022 সালের রাখি বন্ধন অনুষ্ঠিত হবে 11 ই আগস্ট। আপনি যদি রাখি বন্ধন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার অনুচ্ছেদ টি অনুসরণ করুন।

রাখি বন্ধন এর ইতিহাস

রাখি বন্ধন এর বিভিন্ন পুরাণিক কাহিনী থাকলেও মূলত রাখিবন্ধনের শ্রীকৃষ্ণ এবং দ্রৌপদীর কাহিনী কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। শ্রীকৃষ্ণ ছাদে ঘুড়ি লাটাই নিয়ে খেলা করতে ছিল। এমন সময় লাটাইয়ের সুতা লেগে শ্রীকৃষ্ণর হাত কেটে যায়। ঠিক সেই সময় দ্রৌপদী সেখানে উপস্থিত হয়ে শ্রীকৃষ্ণের হাতে নিজের শাড়ির আঁচলে বেঁধে দেন। ঐদিন শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদী কে বলেছিল তুমি আমার হাতে কাপড় বেঁধে যে উপকার করেছ তার প্রতি দান আমি দেবো। সে অনুযায়ী পরে পাশা খেলায় পঞ্চপান্ডব হেরে গেলে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে চায় দুর্যোধনেরা। এমত অবস্থায় শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীকে অলৌকিক শক্তি বলে বস্ত্রহরণ নির্লজ্জা থেকে রক্ষা করে। এই ঘটনার পর রাখি বন্ধন ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

রাখি বন্ধন এর শুভেচ্ছা বার্তা

রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি অন্যান্য হিন্দু উৎসবের থেকে অনেকটাই আলাদা। এই উৎসবটি ভাই-বোনের চিরন্তন ভালোবাসা ও স্নেহের উৎসব। ভারতে এই উৎসবটি পৌরাণিক কাল থেকেই পালিত হয়ে আসছে। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী এইদিন বোনেরা তাদের ভাইয়ের দীর্ঘায়ু এবং মঙ্গলের জন্য তাদের হাতে রাখী পড়িয়ে থাকে। অপরদিকে এই দিন ভাইয়েরা তাদের বোনকে সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। ভাই-বোনের এই পবিত্র উৎসব উপলক্ষে আমরা আপনাদের জন্য রাখি  শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে এসেছি।

এলো উৎসব রাখীর,
কত খুশীর বাহার,
বোনেরা বাঁধলো ভাইয়ের কব্জিতে
ভালোবাসায় ভরা উপহার..
শুভ রাখী পূর্ণিমা

আজ শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথী,
পৃথিবী জুড়ে বাজে মধুর গীতি,
ভ্রাতার হাতে পরাবে সুতা ভগিনী,
উৎসবে মুখরিত আজ বিশ্ব ধরণী
শুভ রাখী পূর্ণিমা

রাখি বন্ধনের স্ট্যাটাস

রাখি পূর্ণিমার পবিত্র দিনে ভাই অথবা বোনকে রাখি পূর্ণিমার শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস  জানানোর জন্য আপনি যদি একটি সুন্দর রাখি পূর্ণিমার স্ট্যাটাস খুঁজে থাকেন! তাহলে আপনি একদম সঠিক ওয়েবসাইটে এসেছেন। আজ রাখি পূর্ণিমা উপলক্ষে আমরা এখানে কিছু সেরা  রাখি বন্ধনের  স্ট্যাটাস ও নিয়ে এসেছি, যা আপনি খুব সহজেই কপি করে সোশ্যাল মিডিয়া অথবা নিজের প্রিয়জনদের পাঠাতে পারবেন।

ইচ্ছে করছে বোনরে তোকে
সোনা বলে ডাকি,
আজকে তোর ছোট্ট হাতে
পড়ব আমি রাখী।
তোর দুষ্টু দাদা তোকে
ডাকছে কাছে আয়,
যত খুশি রাখী পরিয়ে দে
এই হাতটায়।
শুভ রাখী বন্ধন

রাখীর এই পূণ্য উৎসবে
ঈশ্বরের কাছে কামনা করি
যে আমার প্রিয় বোনটাকে
যেন কখনো কোনো
দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ না করতে পারে।
শুভ রাখী পূর্ণিমা 

রাখি বন্ধনের ছবি

রাখি বন্ধন অনুষ্ঠানে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মত খুব সুন্দর সুন্দর কিছু ছবি নিবন্ধের এই অংশে আমি যুক্ত করব। এই ছবিগুলো আপনি রাখি বন্ধনের দিন আপনার ভাই বোন , বন্ধুবান্ধব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

রাখী বন্ধন
রাখী বন্ধন

বিশ্ব শিশু দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, ছবি ও উক্তি

বিশ্ব শিশু দিবস

শিশুদের অধিকার ও সুষ্ঠুভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে দিনটি ঘোষণা করা হয়েছে সেটি কি শিশু দিবস বলে। একজন শিশুর জন্ম থেকে 18 বছর পর্যন্ত শিশু হিসেবে ধরে নেয়া হয়। একটি মানব শিশুর জন্ম থেকে 18 বছর পূর্ণ পর্যন্ত সময়টাতেই রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে কিছু অধিকার ভোগ করে। অনেক ক্ষেত্রে সকল শিশু সমান অধিকার পায় না। তাই বিশ্বের সকলকে শিশু অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার জন্য শিশু দিবস পালন করা হয়। আজকে এই নিবন্ধে আমরা শিশু দিবসের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

শিশু দিবস কবে?

শিশুদের নিয়ে যে দিন পালন করা হয় তাকে শিশু দিবস বলে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে শিশু দিবস পালন করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হল পহেলা জুন। বিশ্ব শিশু দিবস কবে উদযাপন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ 17 ই মার্চ শিশু দিবস পালন করা হয়। এই দিনটির বিশেষত্ব হল 17 মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে 17 ই মার্চ বাংলাদেশের শিশু দিবস উদযাপিত হয়।

শিশু দিবসের ইতিহাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকাময় ও বেদনাদায়ক স্মৃতি এ দ্বীপটির জন্ম দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এশিয়া আফ্রিকা ও ইউরোপের শত শত ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশু মারা। অনেক বড় শহর ধ্বংস স্তুপে পরিণত। হাজার হাজার শিশু অসহায় ও বৃত্তি মাতৃহীন হয়ে পড়ে। পঙ্গু ও বিকলাঙ্গ হয়ে যায় অনেকেই। জাতিসংঘের কল্যাণ তহবিল ইউনিসেফ এই অসহায় শিশুদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা বিধানে এগিয়ে আসে এবং বিশ্ববাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এদিন সামগ্রিক আলোচনার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিশুদের সমস্যা গুলি বিবরণ তুলে ধরেন এবং সমাধানের পথ খুঁজে বের করেন। তাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৫৪  সালে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বিশ্ব শিশু দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকে যারা শিশু আগামী দিনের তারাই হবে দেশ ও জাতির কর্ণধার। তাই শিশু দিবসে এই অঙ্গীকার হোক প্রত্যেকটি শিশু তার অধিকার নিয়ে বেড়ে উঠুক। এবং একদিন সুনাগরিক হয়ে দেশের সেবা করতে পারে। তাই বিশ্ব শিশু দিবস অনেকেই শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার জন্য শিশু দিবসের বিভিন্ন শুভেচ্ছাবার্তা একে অন্যকে জানিয়ে থাকে। এই নিবন্ধে আমরা বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করেছে।

বিশ্ব শিশু দিবসের ছবি

আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার । একটি নবজাতক শিশুর মধ্যে আজ যে প্রাণের সঞ্চার হলো তা একদিন ফুল ফলে প্রস্ফুটিত হবে। বড় হয়ে একদিন সে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা ভবিষ্যতের স্বপ্ন সফল। কারণ শিশু একদিন বড় হয়ে দেশ ও সমাজের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তারা হবে দেশের । এজন্য চাই শিশুর সযত্ন প্রতিফলন বিকাশ সাধনের সুষ্ঠু পরিবেশ শিশুদেরকে আদর-সোহাগ যত্ন শিক্ষা দিয়ে বড় করে তোলার জন্য অনুকূল পরিবেশ,  উপযুক্ত শিক্ষা। তাই শিশু অধিকার সংরক্ষণের জন্য শিশু দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই শিশু দিবসে সকলকে শিশুর অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার জন্য আমরা ছবি দিয়ে শিশু অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে পারি। এরকমই কিছু ছবি নিবন্ধের এই অংশে আমি সংযুক্ত করেছি।

শিশু দিবসের উক্তি

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় শতকরা 25 ভাগ শিশু। এটা পরম সত্য যে শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ এবং আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক। তারাই একদিন সুনাগরিক হয়ে দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই তারা অবহেলিত থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুখ থুবরে পড়বে। এজন্য পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষীরা শিশু দিবস নিয়ে বিখ্যাত বিখ্যাত কিছু উক্তি দিয়ে গেছেন। এরকমই কিছু উক্তি আমি নিচের অংশের সংযুক্ত করছি।

“যদি আপনি চান আপনার সন্তান বুদ্ধিমান হোক, তাহলে তাকে রূপকথার গল্প পড়ান | আর যদি আপনার সন্তানকে আপনি আরো বুদ্ধিমান করতে চান, তাহলে আরো বেশি করে রূপকথার গল্প পড়ান” – Happy Children’s Day

“একটা নিয়ম বানিয়ে ফেলুন, আপনি আপনার সন্তানকে যা বই পড়তে দেবেন তা আপনি নিজে সবার আগে পড়বেন” – Happy Children’s Day

“শিশুরা হলো ভবিষ্যতের সবচেয়ে মূল্যবান উপাদান, তাই তাদের সঠিকভাবে গড়ে তোলা আমাদের সবার কর্তব্য” – Happy Children’s Day

“শিশুরা হচ্ছে সেই হাত যাকে ধরে আমরা সবাই স্বর্গে যেতে পারি” – Happy Children’s Day

“নিজের সন্তানকে প্রথম ৫ বছর খুব যত্ন সহকরে মানুষ করুন, বাকি ৫ বছর তাকে শাসনের মধ্যে রাখুন আর যখন তার ১৬ বছর পূর্ণ হবে, তখন তার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করো | আপনার বেড়ে ওঠা সন্তান আপনার পরম বন্ধু হয়ে উঠতে পারে” – Happy Children’s Day