Home Blog Page 3

কন্যা দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

কন্যা দিবস

ইসলাম ধর্মে আছে যে বাড়িতে কন্যা থাকে সে বাড়িটি বেহেস্তের বাগান। এই শব্দটি থেকে বোঝা যায় কন্যাদের গুরুত্ব কি? আমাদের পারিপার্শ্বিক কথা বিবেচনা করে বলতে পারি একটি বাড়িতে কন্যাশিশুর থাকার গুরুত্ব কতখানি। যে বাড়িতে একটি কন্যা শিশুর আছে সে বাড়ি সত্যি সত্যি বেহেস্তের বাগান হয়ে যায়। আসুন জেনে নেই কন্যা দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে। কারণ বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে কন্যা দিবসে প্রবর্তন করা হয়।

কন্যা দিবসের ইতিহাস

কন্যা দিবস গোটা বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বিশ্বের অনেকেরই ধারণা কন্যা শিশুর বিরুদ্ধে নেতিবাচক। কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে এই নেতিবাচক ধারণা ও লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার জন্য কন্যা দিবস এর প্রবর্তন করা হয়। পৃথিবীতে অনেক সমাজের মানুষ কন্যাকে এখন নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তে দেখে থাকে। এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার জন্য 2012 সালে প্রথম কন্যা দিবস এর প্রবর্তন করা হয়। অনেক সমাজের ধারণা কন্যারা সমাজের জন্য বেশি সুফল বয়ে আনতে পারে না। কিন্তু এ ধারণা যে সম্পূর্ণ মিথ্যে এই কথাই পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই কন্যা দিবসের সূচনা হয়। কারণ কন্যারাও সুশিক্ষা পেলে সমাজের একজন উচ্চপদস্থ নাগরিক হতে পারে। বর্তমান এই একুশ শতকে এসে কন্যারা দেখিয়ে দিয়েছে তারা শিক্ষা-দীক্ষায় জ্ঞান-গরিমায় কোন দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই।

কন্যা দিবস কবে ?

 আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস গোটা বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর ১১ অক্টোবর তারিখে পালন করে। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম এই দিবস পালন করা হয়েছিল। লিংগ বৈষম্য দূর করা এই দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র সমূহ হল শিক্ষার অধিকার, পরিপুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা, ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বলপূর্বক তথা বাল্যবিবাহ।

কন্যা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

এক দেশের মধ্যেই রয়েছে বহু দেশ।ঢাকা, কলকাতার মতো বড় শহরে মেয়েরা যেখানে ছেলেদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে, সেখানে আমাদের দেশেই এমন অনেক ছোট শহর এবং গ্রাম রয়েছে, যেখানে আজও মেয়েদের পায়ের নীচে রাখা হয়। ন্যূনতম সামাজিক সম্মান তো দূর, তাঁদের নিজের মতো বাঁচারও অধিকার নেই। এমনকী, মানুষ হিসেবেও মেয়েদের বিবেচনা করা হয় না। তাই তো আজও বাংলাদেশের  মতো উন্নয়নশীল দেশেও কন্যা সন্তানদের যেমন নির্ধিধায় হত্যা করা হয়, তেমনই শিক্ষার অধিকার থেকেও তাঁদের বঞ্চিত করা হয়ে থাকে। এমনটা হওয়া কি আদৌ উচিত? তাই বলতে দ্বিধা নেই যে আমাদের দেশে আরও ধুমধাম করে কন্যা দিবস পালন করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, দেশের ছেলেরা যতদিন না মেয়েদের সম্মান করতে শিখছে, যতদিন না তাঁদের সমান আসনে বসাচ্ছে, ততদিন এই দেশ যে প্রকৃত অর্থে ‘ডেভলপড কান্ট্রি’ হয়ে উঠবে না, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই তো দেশ এবং দশের স্বার্থে সারা দেশজুড়ে কন্যা দিবস  পালনের মধ্যে দিয়ে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার সময় এসে গেছে। তাই আমি কন্যা দিবসের কিছু শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে এসেছি ।

কন্যা দিবসের উক্তি

যারা প্রকৃত অর্থেই জ্ঞানী মানুষ, যারা সমাজের ভালো-মন্দ বুঝতে পারে তারা ঠিক এই কন্যা দিবসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারে। তাই পৃথিবীর বিখ্যাত জ্ঞানীগুণী ব্যক্তি রাজকন্যা দিবসের বিভিন্ন রকম উক্তি দিয়ে এসেছেন। আজকে আমরা কন্যা দিবসের কিছু বিখ্যাত মনীষীদের উক্তি সংযুক্ত করেছি।

১. “আমি বাড়িতে এলে আমার মেয়েটি দৌড়ে এসে আমাকে একটি বড় আলিঙ্গন দেবে এবং সেদিন যা ঘটেছিল তা কেবল গলে যায়” ” – হিউ জ্যাকম্যান

২. “আমার বাবা কীভাবে বাঁচবেন তা আমাকে জানায়নি। তিনি বেঁচে আছেন এবং আমাকে এটি করতে দেখেন ”’ – ক্লেরাস বুডিংটন ক্যাল্যান্ড

৩. “আমার জীবনের সবচেয়ে সুখের মুহূর্তটি সম্ভবত আমার কন্যার জন্মের সময় হয়েছিল” “ডেভিড ডুচভনি

৪. “আমার পিতাই আমাকে নিজের মূল্যবান হতে শিখিয়েছিলেন।” – ভোর ফরাসী

কন্যা দিবসের ছবি

কন্যা দিবস কে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের সোশল মেডিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্যা দিবস উপলক্ষে যদি আমরা ব্যাপকহারে ছবি পোস্ট বা শেয়ার করি তাহলে সবাই কর্নার দিবসের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বুঝতে পারবে। সমাজ বুঝতে পারবে একটি সমাজ একা কখনও চলতে পারবে না যদি না কন্যারা সামনে এগিয়ে না আসে। তাই এই নিবন্ধে আমি কিছু কন্যা দিবসের ছবি সংযুক্ত করেছে এই ছবিগুলো আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন।

কন্যা দিবসের ছবি
কন্যা দিবসের ছবি

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস

জাতীয় পুরুষ দিবস বা পুত্র দিবস পুরো বিশ্বে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। পুরুষ দিবস পালনের মূল কারণ হলো পুরুষদের গুরুত্ব ও তাদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। সারা বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে লিঙ্গ ভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা রোদন উপলক্ষ হিসেবে এই দিবসটি উদযাপন হয়ে থাকে। আপনি যদি পুরুষ দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে নিচের অনুচ্ছেদটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পুরুষ দিবস কবে?

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রতিবছর হাজার ১৯ নভেম্বর পালন করা হয়। এই দিবসের মূল লক্ষ্য শুধু মাত্র পুরুষদের বীরত্বকে নির্দেশ করে না, এছাড়াও কোন কোন ক্ষেত্রে পুরুষদের মধ্যে নারী-পুরুষের লৈঙ্গিক সাম্যতা প্রচার করে।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস এর ইতিহাস?

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রথমবার প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৯৪   সালে। তবে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস ১৯২২   সাল থেকে সোভিয়েত  ইউনিয়নে পালন করা হতো। সে সময় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস কে রেড আর্মি এন্ড নেভি ডে হিসেবে পালন করা হতো। ২০০২  সালে দিবস টিএ  নামকরণ করা হয় ডিফেন্ডার অফ দা ফাদার ল্যান্ড ডে হিসেবে। রাশিয়া-ইউক্রেন সহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো দিবসটি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালন করত। কিন্তু, নারী দিবস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ষাটের দশক থেকেই পুরুষ দিবস পালনের জন্য লেখালেখি চলছিল। ১৯৬৮ সালে আমেরিকান বিখ্যাত সাংবাদিক জনপি হ্যারিস নিজের লেখায় এ দিবসটি পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারীতে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু সেই সময়ে ব্যাপক প্রচারণার অভাবে পুরুষ দিবস ওতটা জনপ্রিয় করে তুলতে পারেনি। অবশেষে ১৯  নভেম্বর পুরো বিশ্ব পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

জাতীয় পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

পুত্র দিবস উদযাপনের অনেক উপায় আছে। আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার চেয়ে সেরা অনুপ্রেরণাদায়ক জাতীয় পুরুষ  দিবসের শুভেচ্ছা,বার্তা এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছি এবং এই স্মরণীয় দিনে আপনার সকল কে  শুভেচ্ছা জানাতে পারি ।  একটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্যাটাস আপডেট করুন।

  • আমি জানি আমার জীবনটি সহজ এবং সহজ ছিল কারণ আমার এমন একটি বাবা আছেন যিনি সর্বদা আমার প্রতিটি প্রয়োজনের যত্ন নিতে ছিলেন। আপনাকে অনেক শুভ পুরুষ দিবস পাপা কামনা করছি।
  • কীভাবে আপনার ভুলগুলির মুখোমুখি হতে হয়, কীভাবে ক্ষমা করবেন, প্রেম করতে শিখুন এবং আপনার প্রয়োজন সকলকে সহায়তা করার চেষ্টা করুন”

জাতীয় পুরুষ দিবসের উক্তি

পুরুষের মধ্যে খড়গের মত, বেশি শানা দিলেও কেবল ভারই অনেক কাজ করতে পারে।—- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পুরুষের অবধি চায়না মেয়ের মধ্যে পুরুষের অনুকরণ যেমন মেয়ে চায়না মেয়েলি টি খুলুন ——-প্রমোদ কুমার সান্যাল
বিলাই আর পুরুষ মানুষ এই দুই জাতের কোন বিশ্বাস নাই। দুটোই ছোকছুকানি জাত——- হুমায়ূন আহমেদ

ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে – উক্তি, শুভেচ্ছ বার্তা এবং ছবি

ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে

ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত করা হয়। এই দিনটি প্রেমিক প্রেমিকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটি প্রেমিকেরা তার প্রেমিকের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেয়। এই দিনটিতে প্রেমিকেরা তাদের বন্ধুকে খুশি করার জন্য বিশেষ কিছু কাজ করে, এবং প্রেমিকেরা বোঝায় তার বয়ফ্রেন্ড তার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নিচে আমি বয়ফ্রেন্ডকে সম্পর্কে মজার মজার কিছু উক্তি শুভেচ্ছা বার্তা ও ছবি সংযুক্ত করেছে ।আপনি যদি এই মজা দিনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার এই অনুরোধটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি এই অনুচ্ছেদে ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ডে ডে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

জাতীয় প্রেমিক দিবস কবে?

আপনি যদি এই মজা দিনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার এই অনুরোধটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি এই অনুচ্ছেদে ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ডে ডে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
জাতীয় প্রেমিক দিবস আপনার প্রিয়তম প্রেমিক কে স্বীকৃতি দেয়। পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ দিন গুলোর মতই এই দিনটি আপনার জীবনে বয়ফ্রেন্ডের প্রতি মনোযোগ উৎসর্গ করে দিন। আপনি যদি জাতীয় প্রেমিক দিবস সম্পর্কে না জানেন তবে আমরাই আপনাকে জানাচ্ছি। জাতীয় প্রেমিক দিবস পালন করা হয় ৩ অক্টোবর।

জাতীয় প্রেমিক দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

আপনি কি প্রেমিক অতিরিক্ত বিশেষ করে তোলেন? একজন ভালো বন্ধুর মতো, একজন প্রেমিক আপনার স্বপ্ন এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে? একসাথে একটি দল আপনি? প্রায়, একটি অব্যক্ত আকর্ষণ আছে? তার চরিত্র কি আপনাকে আরো ভালো মানুষ করতে চায়? আমরা আমাদের বয়ফ্রেন্ডকে শক্তিমান সৃজনশীল প্রেমময় এবং দয়ালু শব্দ দিয়ে বর্ণনা করে থাকি। সম্ভবত আপনার প্রেমিক একজন ভালো মানুষ ও সুদর্শনা। তাই এই বয়-ফ্রেন্ড দিবসে আপনার প্রেমিককে আপনি আমাদের নিম্নলিখিত শুভেচ্ছা বার্তা গুলো দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন।

কিভাবে পালন করতে হয় ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে পালন করতে হয়? 

আপনার বয়ফ্রেন্ডের জন্য আজ ভালো কিছু করুন। দিনের পরিকল্পনা করার সময়, তার সমস্ত প্রিয় জিনিস বিবেচনা করুন। যদি আপনি অনিশ্চিত হন, তাহলে কৌশলে জেনে নিন ।

  • তাকে জানাবেন যে,  তিনি আপনার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
  • তার সম্পর্কে কথা বলার জায়গায় তাকে রোমান্টিক অবকাশ দিয়ে অবাক করে দিন।
  • তাকে তার পছন্দের সিনেমায় নিয়ে যান।
  • তার প্রিয় দলের জন্য একটি ক্রীড়া ইভেন্ট চয়ন করুন।

আপনি যা করতে বেছে নিন, তাকে জানান যে আপনি তার প্রশংসা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে #NationalBoyfriendDay ব্যবহার করুন এবং বিশ্বকে আপনার বিশেষ লোক সম্পর্কে জানাতে দিন!

ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে উক্তি

রোমান্টিক প্রেমীরা উভয়েই তাদের সঙ্গীদের কাছে রোমান্টিক কিছু পাঠাতে চান এবং তাদের সঙ্গীর কাছ থেকেও আশা করেন। এই বিশেষ দিনে, তারা দুজনেই তাদের প্রেমিকদের কাছ থেকে রোমান্টিক শুভেচ্ছা, শুভেচ্ছা এবং উদ্ধৃতি পাঠাতে বা গ্রহণ করতে চায়। আসুন নিম্নলিখিত উদ্ধৃতি দিয়ে শুভেচ্ছা করার চেষ্টা করি।

  • বছর বদলে যাচ্ছে আপনার জীবন নয়। যেদিন আপনি আপনার সমস্যার সমাধান করবেন সে দিনটি আপনার জন্য একটি নতুন দিন, একটি নতুন জীবন এবং একটি নতুন বছর।
  • সত্য হল প্রত্যেকেই আপনাকে আঘাত করতে চলেছে: আপনাকে কেবল এমন লোকদের খুঁজে বের করতে হবে যার জন্য কষ্ট পাওয়ার যোগ্য। ” – বব মার্লে, জ্যামাইকান রেগে গায়ক।
  • আমার স্বপ্নে, আমি রাজকুমারী হতে পারতাম, এবং আমি সেটাই ছিলাম। বেশিরভাগ ছোট মেয়েদের মতো, আমি বিশ্বাস করতাম যে একজন যুবরাজের চেয়ে কম কিছু আমার স্বপ্নকে সত্য করতে পারে না। – লরেটা ইয়াং, অভিনেত্রী।
  • একবার আপনি কারো জন্য পড়ে গেলে, তার গন্ধ একটি শক্তিশালী জিনিস হতে পারে। মহিলারা তাদের বয়ফ্রেন্ডের টি-শার্ট পরবে, এবং ইতিহাসের সমস্ত গল্প জুড়ে পুরুষরা তাদের প্রেমিকের রুমাল ধরে রেখেছে। – হেলেন ফিশার, জৈবিক নৃবিজ্ঞানী।
  • ভালোবাসা একটি ভাইরাসের মত। এটি যে কোন সময় যে কারো সাথে ঘটতে পারে। ” – মায়া অ্যাঞ্জেলু, কবি এবং নাগরিক অধিকার কর্মী।
  • আপনি প্রেমে পড়ার জন্য মাধ্যাকর্ষণকে দায়ী করতে পারবেন না। – আলবার্ট আইনস্টাইন, তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
  • একজন সফল মানুষ সে, যে তার স্ত্রীর ব্যয়ের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করে। একজন সফল নারীই এমন একজনকে খুঁজে পেতে পারে। ” – লানা টার্নার, অভিনেত্রী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে স্বাস্থ্য হচ্ছে সম্পূর্ণ শারীরিক,  মানসিক এবং সামাজিক একটি অবস্থা যা কেবল রোগ বা দুর্বলতার  উপর নির্ভর করে না।।বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে বিশ্বের প্রত্যেকটি নাগরিকের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতার প্রসার ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের জন্য এই দিনটিকে পালন করা হয়। স্বাস্থ্য শব্দটি  মানুষের  শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ তার একটি অবস্থাকে বুঝায়। আপনি যদি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে ? এই নিবন্ধে আপনাকে  স্বাগতম। এই নিবন্ধে আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস কবে?

প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ অনলাইনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস কবে এরকম প্রশ্ন লিখে অনুসন্ধান করে থাকে। আজকে আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। ১৯৫০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনে হয়ে থাকে । এটি প্রতিবছর ৭  এপ্রিল পালন করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭  এপ্রিল পালনের অন্যতম একটি প্রধান কারণ হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা দিন হচ্ছে ৭ এপ্রিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস এবং তাৎপর্য 

বিশ্বব্যাপী মানুষকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করার জন্য হাজার ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ ও অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলনের ডাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এবং ১৯৪৬ সালের জুন জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, ওই সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়। ১৯৪৮  সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম স্বাস্থ্য দিবস পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। সর্বশেষ ১৯৫০  সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭  এপ্রিল পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, ওই বছর থেকেই নিয়মিত ৭ ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের থিম

প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি করে থিম ব্যবহার করে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার থিম গুলো ব্যবহার করে থাকে সে বছরের বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর সারা বছরে পর্যবেক্ষণের ফলাফল যেমন হবে ঠিক সেরকমই একটি সারমর্ম তুলে ধরেন।যেমনঃ ২০২১  সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত ছিল সকলের জন্য আরো ভালো এবং স্বাস্থ্যকর পৃথিবী তৈরি করা

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

প্রতিবছর নানা উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়ে থাকে। মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আপনি আপনার প্রিয়জনকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের বিভিন্ন শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। এই শুভেচ্ছাপত্র আপনি আপনার প্রিয়জনকে যেমনঃ  স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গুরুত্ব তুলে ধরতে পারেন,  তেমনি স্বাস্থ্যর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া কে অগ্রাধিকার  দিতে উৎসাহ দিতে পারেন। কথায় আছে, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের উক্তি

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস সম্পর্কে পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষীগণ আগেই বিখ্যাত বিখ্যাত কিছু উক্তি দিয়ে গেছে। এই উক্তিগুলো থেকেই বোঝা যায় মনীষীগণ কতটা নিজের স্বাস্থ্য তথা মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। এরকমই কিছু বিখ্যাত উক্তি এই নিবন্ধের সংযুক্ত করতেছি।
বিখ্যাত কিছু যুক্তির মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত উক্তি গুলো হল।

  • স্বাস্থ্যই সম্পদ
  • স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল, ইত্যাদি

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস

সমাজে আর যাতে একটা প্রবীণ ও অবহেলার শিকার না হয় এই উদ্দেশ্যে বিশ্ব প্রবীণ দিবস সূচনা হয়। প্রবীণ অসুস্থ,  অসহায়,  অবহেলিত,  নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করছেন। বার্ধক্যের অসহায়ত্ব মোকাবেলায় সবাইকে ভাবতে হবে। কারণ, আজ যে টগবগে যুবক কাল তিনি হয়ে যাবেন এক অসহায় প্রবীণ বার্ধক্যে  সবাইকেই ছেড়ে যাবে। আজ বিশ্ব প্রবীণ দিবস। তাই বিশ্ব প্রবীণ দিবস সম্পর্কে আপনি যদি ইন্টারনেট অনুসন্ধান করে থাকেন ? তাহলে আপনাকে স্বাগতম। এই নিবন্ধে বিশ্ব প্রবীণ দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। বিশ্ব প্রবীণ দিবস এর ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, ও বিশ্ব প্রবীণ দিবস এর উক্তি এই নিবন্ধের প্রধান আলোচ্য বিষয়।

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ইতিহাস

সবাইকে একদিন বার্ধক্যে ঘিরে খাবে। বার্ধক্যে  ভারে মানুষ একদিন প্রবীণ হবে , এটাই পৃথিবীর নিয়ম। কিন্তু প্রায়স এই পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় প্রবীণ বয়সেও অনেকে অবহেলার শিকার হচ্ছেন। প্রবীণ বয়সে যাতে অবহেলার শিকার না হয়, এর জন্য জাতিসংঘ ১৯৯০ সালের বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রবীনদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যে  বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হাজার ১৯৯১ সাল থেকে এ দিবস পালনের সূত্রপাত হয়।

বিশ্ব প্রবীণ দিবস কবে?

October 1
International Day for Older Persons 2022
অনেকে ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস এর তারিখ অনলাইনে অনুসন্ধান করে থাকেন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস এর তারিখ জানতে চাওয়া হয়। তাই সবার জন্য আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস এর তারিখটি জানা প্রয়োজন। আমি উপরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস এর তারিখ উল্লেখ করে দিচ্ছি।

বিশ্ব প্রবীণ দিবসের শুভেছাবার্তা

প্রবীণরা আজ কাজ করার ক্ষমতা হারিয়েছেন। কিন্তু প্রবীনদের মনে আছে অসীম সাহস আর কাজ করার অদম্য কৌশল। আজ প্রবীণরা কাজ করতে পারবে না কিন্তু তারা আমাদের পরামর্শ দিয়ে যুবকদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তাই প্রবীনদের মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর আরো উন্নতি কিভাবে করা যায় সেই চিন্তাভাবনা আমাদের সবার মাঝে থাকা দরকার। প্রবীণরা কাজ না করলেও প্রবীনদের উৎসাহ পেয়ে নবীনরা নতুন নতুন কাজের অনুপ্রেরণার সঞ্চার করবে নিজের মধ্যে । এর জন্য বিশ্ব প্রবীণ দিবস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবস। আর কোন প্রবীণ কে অবহেলা নয় , প্রবীনদের সাহস আর বুদ্ধিদীপ্ত কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। এর জন্য বিশ্বব্যাপী বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই আজকে এই নিবন্ধে আমি বিশ্ব প্রবীণ দিবস উপলক্ষে কিছু শুভেচ্ছাবার্তা সংযুক্ত করছি।

বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস

একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সবচেয়ে ভালো একটি সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। আরো বলা যায় পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকারব্যবস্থা গুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের সরকারব্যবস্থার সবচেয়ে জনপ্রিয়। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় একজন মানুষ নিজে সরাসরি দেশ পরিচালনার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে। এ সরকার ব্যবস্থাপনায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, সে সরকারকেই বলা হয় দেশ, মাটি এবং জনগণের সরকার।

তাই একটি দেশের উন্নয়নের জন্য গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার বিকল্প নেই। কোন সরকার যদি উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ এই সরকারকে ত্যাগ করে নতুন সরকার বেছে নেয়। এখানেই অন্যান্য যেকোন সরকারব্যবস্থা তুলনায় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার পার্থক্য প্রতীয়মান হয়। আপনি যদি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে ঠিক জায়গায় এসেছেন। এই নিবন্ধে আমরা আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

গণতন্ত্র দিবসের ইতিহাস

গণতন্ত্র একটি দেশের সরকার ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা। এই পদ্ধতিতে সরকার নির্বাচিত হলে সেই সরকারের দেশ এবং মানুষের সরকার হয়। তাই ২০০৭ সালে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চাকে আরো বেগবান করার জন্য আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই প্রেক্ষাপটে পনেরোই সেপ্টেম্বর তারিখ হতে নিয়মিত প্রতিবছর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয়ে আসছে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কবে?

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে অনেকেই ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে থাকেন। অনেকেই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? যেহেতু খুব সম্প্রতি এই দিবসটি চালু হয়েছে তাই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে অনেকেই সেভাবে জানেনা। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ২০০৭ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে। এবং আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে পালন করা।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

গণতন্ত্রকে আরো বেগবান করার জন্য এবং সরকারকে আরো জবাবদিহিতার মধ্যে আনার জন্য গণতন্ত্র চর্চা করা অত্যন্ত জরুরী। যে দেশে গনতন্ত্র থাকেনা সে দেশের মানুষ পূর্ণ স্বাধীন নয় বলে অনেকে মনে করেন। কারণ গণতন্ত্র থাকলেই সেই দেশের মানুষ নিজের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সেদেশের সরকার ব্যবস্থায় জড়িত হতে পারে। আবার একটি দেশে গণতন্ত্র থাকলেই যে দেশটি সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হবে তাও কিন্তু নয়। এর জন্য গণতন্ত্রের সঠিক ব্যবহার প্রয়োজন। তাই গণতন্ত্র চর্চাকে আরো বেগবান করার জন্য গণতন্ত্র দিবসে আপনি আপনার প্রিয় জন বন্ধু-বান্ধব অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় গণতন্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। অথবা বন্ধুবান্ধব আত্মীয় স্বজনকে গণতন্ত্রের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। আমি গণতন্ত্রের দিবসে কিছু শুভেচ্ছাপত্র নিচে সংযুক্ত করছি।

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস

প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গণতন্ত্র মুক্তি দিবস এরকম বিষয়ে ইন্টারনেট অনুসন্ধান করেন। হাজার ৮০ দশক অতঃপর ৯০ দশকে । এছাড়াও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস  নামে স্বতন্ত্র একটি দিবস বাংলাদেশে পালন করা হয়।যখন বাংলাদেশের স্বৈরাচার সরকার দেশ পরিচালনা করছিল, তখন সেই স্বৈরাচার সরকারের বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে সংগ্রাম করে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটেছিল। মূলত তখন থেকে গণতন্ত্র মুক্ত দিবস পালিত হয়ে আছে। গণতন্ত্র মুক্তি দিবস  এই দিবসটি সম্পর্কে আমার পরবর্তী আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা আছে। ৬ ডিসেম্বর, গণতন্ত্র মুক্তি দিবস ।

গণতন্ত্রের মূল মন্ত্র কি?

জনগণ ও গণতন্ত্রের স্বার্থকে ধূলিসাৎ করার অধিকার জনগণ তথা সংবিধান সরকার বা কোনো রাজনৈতিক দলকে দেয় না। মতানৈক্য থাকবে। তা সত্ত্বেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র।

বিশ্ব গণতন্ত্র দিবসের উক্তি ও ছবি

গণতন্ত্র একটি দেশের সরকার কাঠামো সবচেয়ে ভালো একটি ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার জন্য পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষী কোন গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা আগে অনুভব করেছিল, সে জন্য বিখ্যাত কিছু উক্তি তারা দিয়ে গেছেন। এরকমই কিছু উক্তি আমি নিচে সংযুক্ত করছি।

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস
গণতন্ত্র মুক্তি দিবস

Democracy is a government of the people, by the people and for the people‘ is said by Abraham Lincoln

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

চারদিকে মানুষ গিজগিজ করছে। বিশেষ করে আমাদের মধ্যে এশিয়া পাওয়া আফ্রিকার মানুষদের মধ্যে জনসংখ্যা যেন লাগামহীন ঘোড়া। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার ফলে পৃথিবী তার ভারসাম্য হারাচ্ছে। তাই জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পৃথিবীব্যাপী বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আপনি যদি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্য। এই নিবন্ধে আমরা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর যাবতীয় তথ্য আলোচনা করব।

মাত্র ১০  থেকে ১১ হাজার বছর আগে পৃথিবীতে মানুষের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৪০  লাখের মতো। হাজার শতাব্দীতে দিতে এসে দাঁড়ায় ১০০  কোটিতে। মাত্র ১৩০  বছরে তা ডাবল হয়ে দাঁড়ায় ২০০ কোটি। তারপরে মাত্র ৫০  বছরের কম সময়ে তা আবারও দ্বিগুণ হয়ে ৪০০  কোটিতে পৌঁছায়। ১৯৭৫  সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল ৪০০  কোটি। আর বর্তমানে প্রায় ৮ বিলিয়ন বা ৮০০ কোটি ছুই ছুই। পৃথিবীতে যে হারে মানুষ বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়বে না। নিকট ভবিষ্যতে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের জন্য কোটি কোটি মানুষ মারা যাবে খাদ্যের অভাবে। অনাহারে এবং দুর্ভিক্ষে। ১৭৫৮ সালে অর্থনীতিবিদরা বাট ম্যালথাস একথা বলে সবাইকে ভয় খাইয়ে দিয়েছিলে। শুধু ম্যালথাস না একথা বহু বিশেষজ্ঞ অনেক আগে থেকেই বলে আসছে। তারা বলেছিল পৃথিবী তে মানুষ বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। কিন্তু খাদ্য বাড়ছে গাণিতিক হারে। তাই অতিরিক্ত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে মানুষের মহাবিপর্যয় অতি সন্নিকটে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কবে?

বিশ্বে যেহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সে হারে খুব অচিরেই পৃথিবী তার চিরচেনা রূপ পরিবর্তন করতে পারে। পৃথিবীর মানুষকে জনসংখ্যা বিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস প্রতি বছর ১১ই জুলাই তারিখে পালিত একটি সাংবাৎসরিক আয়োজন, যার লক্ষ্য বিশ্ব জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উপরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস  শুভেচ্ছাবার্তা

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা। বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আপনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এ আপনি জনসংখ্যা বৃদ্ধি জনিত সমস্যার নানান এসএমএস দিয়ে আপনার বন্ধু-বান্ধব প্রয়োজন এবং ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করতে পারেন। সেখান থেকে সাধারন জনগন জনসংখ্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে। এই জন্য আমি এই নিবন্ধে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর শুভেচ্ছা বার্তা সংযুক্ত করেছি।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উক্তি

পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই। নতুন আর কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায়, কিংবা কীভাবে মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে আনা যায়, এসব আরও একবার হিসাব-নিকাশ করার জন্যই আজকের এই দিনটি। জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন নতুন সমস্যা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য যে, প্রতিদিন বিশ্বে প্রায় ২৫,০০০ মানুষ মারা যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস ও অপুষ্টিজনিত কারণে। এছাড়া সুপেয় পানির অপ্রতুলতা, বাতাসের বিষাক্ততা, সম্পদের বিলুপ্তি, বাসস্থানের সমস্যা, ওজোন লেয়ার ধ্বংস ইত্যাদি বহু বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব।এতকিছুর পরেও অতিরিক্ত জনসংখ্যার ভাগ পৃথিবীর সহ্য করতে পারছে না।অতিরিক্ত জনসংখ্যা কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। একটু দিন বিখ্যাত ব্যক্তিগন বিখ্যাত বিখ্যাত কিছু উক্তি দিয়ে গেছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে সে স্বপক্ষে উক্তি দেখে নিব।

  • “একটি সীমাবদ্ধ পৃথিবী একমাত্র সীমাবদ্ধ বাসিন্দাদের সহায়তা করতে পারে; পরবর্তীকালে, বাসিন্দাদের বিকাশের অবশেষে শূন্যের সমান হওয়া উচিত “। – গ্যারেট হার্ডিন
  • “একটি স্যাচুরেটেড বাসিন্দাদের জীবনে সর্বদা স্বল্প ব্যয় হয়।” – জ্যাক লন্ডন
  • “জনসংখ্যা, যাচাই না করা হলে জ্যামিতিক অনুপাত বৃদ্ধি পাবে”। – টমাস মালথাস
  • “আমরা সবাই বাসিন্দাদের বিস্ফোরণ সম্পর্কে ভয় পাই, তবে আমরা সঠিক সময়ে এটি সম্পর্কে ভয় পাই না।” – আর্টওয়ার্ক হপ্পে
  • “বাসিন্দাদের উন্নয়নের পিছনে কাটাতে আপনি যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি করতে সক্ষম হবেন তা হ’ল অবশ্যই উন্নত করা।” – চালান গেটস

পরিবার দিবস ২০২২ – তারিখ, ইতিহাস,শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

পরিবার দিবস

26শে সেপ্টেম্বর উদযাপিত জাতীয় পরিবার দিবস। পরিবার আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে। পরিবার আমাদের সবার উপর আলোকপাত করে। পরিবারগুলি বিভিন্ন আকারে এবং আকারে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আসে, কিন্তু তারা সকলেই যা ভাগ করে তা হল একই পরিবার  বেড়ে ওঠার জন্য নিঃশর্ত ভালবাসা এবং সমর্থন। নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি ইউনিট থেকে শুরু করে বর্ধিত গোষ্ঠী পর্যন্ত, পরিবারগুলি আমাদের সামাজিক  করে তুলতে পারে এবং জীবনকে জীবনযাপনের যোগ্য করে তুলতে পারে।

আপনার জীবনের বিশেষ ব্যক্তিদের প্রশংসা করার জন্য আজ কিছু সময় নিন — তাদের একটি কল দিন, তাদের মধ্যাহ্নভোজে নিয়ে যান বা তাদের একটি এসএমএস পাঠান যাতে আপনি তাদের সম্পর্কে ভাবছেন! ভদ্রতা, নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা, কৃতজ্ঞতাবোধ শেখা,বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান প্রদর্শন,কনিষ্ঠদের স্নেহ-আদর করা,অন্যের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করা,পরোপকারিতার মানসিকতা গড়ে তোলা,উদার মানসিকতাবোধ জাগ্রত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যতটা না অর্জন করা যায়, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিবার থেকে অর্জন করা যায়।

জাতীয় পরিবার দিবস ২০২২ কবে?

ব্যস্ততার কারণে অনেকের পক্ষেই পরিবারের লোকজনকে ঠিকমতো সময় দেয়া সম্ভব হয় না। সম্ভব হলে আজকের এই দিবসে পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ঘরে কিংবা বাইরে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করুন। গল্প করুন। টিভি কিংবা সিনেমা দেখে সময় পার করুন। পরিবার নিয়ে ঘুরে আসুন কোথাও থেকে। কিছু না কিছু উপহার দিন একে অন্যকে।

রবিবার, ২০ নভেম্বর পরিবার দিবস

পরিবার দিবসের ইতিহাস

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালে পরিবার নিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবার সংশ্লিষ্ট সমস্যা কমিয়ে আনতে কিছু নীতি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে মে মাসের ১৫ তারিখকে বিশ্ব পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৯৪ সাল থেকে এই দিবসটি পালন হয়ে আসছে।

পরিবার দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

এটি বছরের এমন একটি সময় যখন আপনি আপনার পরিবারের প্রতি আপনার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারেন এটি নিয়ে সমস্ত বিশ্রী হওয়ার ভয় না পেয়ে। পারিবারিক সময় মূল্যবান, তাই পারিবারিক দিন আপনাকে অফার করছে সেই সুযোগটি গ্রহণ করুন। আপনার মিষ্টি পরিবারকে কিছু সৃজনশীল এবং সুন্দর পারিবারিক দিবসের বার্তা পাঠান। কিছু সুন্দর পারিবারিক দিবসের শুভেচ্ছা দিয়ে আপনার পারিবারিক সম্পর্ক উন্নত করুন। কারোরই একটি নিখুঁত পরিবার নেই তবে আপনি যদি আপনার পরিবারকে যেমন আছে তেমনই পূজা করেন তবে সবকিছু আগের চেয়ে সুখী হয়ে উঠবে। এই পারিবারিক দিনটি আপনার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করুক। এখানে কিছু পারিবারিক দিবসের শুভেচ্ছা এবং সুখী পারিবারিক দিবসের উদ্ধৃতি রয়েছে যা আপনি আপনার প্রিয়তম পরিবারকে পাঠাতে পারেন।

আমি আশা করি আপনি জানেন যে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন আপনি সবসময় আমাদের আপনার পাশে পাবেন। তোমাকে অনেক ভালোবাসি, ছেলে। শুভ পারিবারিক দিন!

আসুন আমরা সকলে একত্রিত হই, ভালবাসা এবং ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিই এবং হৃদয়ের সর্বোত্তম উদ্দেশ্য নিয়ে দিনটি উদযাপন করি। শুভ পারিবারিক দিন, প্রিয়.

প্রিয় বোন, সবসময় আমার জন্য থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. ঈশ্বর আপনাকে আপনার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আশীর্বাদ করুন এবং আপনাকে চিরকাল সুস্থ রাখুন। শুভ পারিবারিক দিন।

পরিবার দিবসের উক্তি

  • “পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল পরিবার এবং ভালবাসা।” -জন উডেন
  • “পরিবারে বাড়ি যাওয়া এবং ভাল খাবার খাওয়া এবং আরাম করার চেয়ে আর কিছুই ভাল নয়।” -ইরিনা শাইক
  • “আমাদের কাছে, পরিবার মানে একে অপরের চারপাশে আপনার অস্ত্র রাখা এবং সেখানে থাকা।” -বারবারা বুশ
  • “পারিবারিক জীবনে, প্রেম হল সেই তেল যা ঘর্ষণকে সহজ করে, সিমেন্ট যা একে অপরকে ঘনিষ্ঠ করে, এবং সঙ্গীত যা সাদৃশ্য নিয়ে আসে।” -ফ্রেডরিখ নিটশে
  • “অন্যান্য জিনিসগুলি আমাদের পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু আমরা পরিবার দিয়ে শুরু করি এবং শেষ করি।” -অ্যান্টনি ব্র্যান্ডট
  • “কোথাও যেতে হলে বাড়ি। কাউকে ভালবাসার জন্য পরিবার। এবং উভয় থাকা একটি আশীর্বাদ।”
  • “একটি পরিবার হওয়া মানে আপনি খুব চমৎকার কিছুর একটি অংশ। এর মানে আপনি সারাজীবন ভালোবাসবেন এবং ভালোবাসবেন।” -লিসা আগাছা

বিশ্ব এইডস দিবস – তারিখ, ইতিহাস,শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

বিশ্ব এইডস দিবস

এইচআইভি সংক্রমণের জন্য এডস মহামারী ছড়িয়ে পড়া বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাঁদের প্রতি শোক পালন করতে দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব এইডস দিবস একটি আন্তর্জাতিক দিবস। সরকারি ও স্বাস্থ্য অধিকারী কোন বেসরকারি সংস্থাগুলো এবং বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তির প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সকলের সচেতনত করতে এই দিনটি পালন করে। আপনি যদি বিশ্ব এইডস দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই নিবন্ধটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

বিশ্ব এইডস দিবসের ইতিহাস

বিশ্বব্যাপী এইচআইভি সংক্রমণের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা কথা চিন্তা আসে প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচির দুজন তথ্য কর্মকর্তা জেমস ডব্লু বুন এবং টমাস নেটটার । তারাই সর্বপ্রথম সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এর বিশ্ব কর্মসূচির সম্মেলনে এডস দিবস পালনের পরিকল্পনা করেন। পরে ডক্টর মান এই ধারণাটি পছন্দ করে এটি অনুমোদন করেন। ১৯৮৮ সালের পহেলা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস কে প্রথম পালন করা উচিত এমন পরামর্শের সাথে একমত হন। সানফ্রান্সিসকোর প্রাক্তন টেলিভিশন সম্প্রচার সাংবাদিক বুন পহেলা ডিসেম্বর তারিখটি সুপারিশ করেছিলেন। মূলত সেই পর থেকেই পহেলা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হচ্ছে।

বিশ্ব এইডস দিবস কবে?

প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ বিশ্ব এইডস দিবস সম্পর্কে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে। কারণ বিভিন্ন প্রয়োজনে বিশ্ব এইডস দিবস সম্পর্কে জানা মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজন। তাছাড়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব এইডস দিবস এর তারিখ জানতে চাওয়া হয়। এইজন্য বিশ্ব এইডস দিবস সম্পর্কে জানা সকলেরই প্রয়োজন। বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয় প্রতি বছর পহেলা ডিসেম্বর।

বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য

পৃথিবীব্যাপী মানুষকে এর সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার জন্য বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়ে থাকে। প্রতিবছর বিভিন্ন বিভিন্ন প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এডস দিবস ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বিশ্ব এইডস দিবস পালনের মূল লক্ষ্য অন্তর্নিহিত থাকে তার প্রতিপাদ্য বিষয়। 2020 সালের বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল।‘সারা বিশ্বের ঐক্য, এইডস প্রতিরোধে সবাই নিব দায়িত্ব’ 

বিশ্ব এইডস দিবস বার্তা

এইডস দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হলো এর সম্পর্কে মানুষকে সম্পূর্ণভাবে অবহিত করা। এইচ আই ভি এডস ভাইরাস দ্বারা এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেরই ধারণা এইচ আই ভি ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। ভাইরাসটি সম্পর্কে এরকম ধারনা মোটেই ঠিক নয়। ভাইরাসটি ছোঁয়াচে হলেও এটি একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের এমনি এমনি যায় না। যেমনটা ফ্লু ভাইরাস করোনাভাইরাস এরকম।

বিশ্ব এইডস ভাইরাসের সচেতনতা মূলক কিছু কথা

এইচ আই ভি একটি ছোঁয়াচে রোগ হলেও, এটি কিছু নিয়ামক এর মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের ছড়িয়ে পড়ে। কি কি উপায়ে ছড়িয়ে পড়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • অবাধ যৌন মিলনে একজন মানুষের থেকে আরেকজন মানুষের এইচআইভি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
  • একজন hiv-positive মানুষের রক্ত নিলে এই হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
  • তাই রক্ত নেওয়ার সময় অবশ্যই পরিচিত মানুষের কাছ থেকে রক্ত নেওয়া প্রয়োজন। অথবা যে লোকের কাছে রক্ত নিচ্ছেন তার এইচআইভি আছে কিনা তা টেস্ট করা দরকার।
  • দ্বিতীয়তঃ বর্তমান আধুনিক যুগের অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে অবাধ যৌন মিলন। এই যৌনমিলনের সময় যদি আপনার পার্টনার এই এইচ আই ভি তে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে আপনার হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
  • তাই যৌনমিলনের সময় নিরাপত্তা জনিত বিষয়টি খেয়াল রাখা দরকার।

বিশ্ব খাদ্য দিবস – তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছাবার্তা, উক্তি ও ছবি

বিশ্ব খাদ্য দিবস

প্রতি বছর বিশ্বের নানান দেশে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করা হয়ে থাকে। বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের জন্য প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ইন্টারনেটে বিশ্ব খাদ্য দিবস সম্পর্কে অনুসন্ধান করে। আপনি যদি বিশ্ব খাদ্য দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্য। এই নিবন্ধে আমরা বিশ্ব খাদ্য দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত খুঁটিনাটি জেনে রাখবো। জীবনধারণের জন্য যাকিছু অবশ্য প্রয়োজন, যা কিছু মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা ও তার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্য। কিন্তু বিষয় বহু দেশের খাদ্য সংকটের সঙ্গে লড়াই করে প্রতিনিয়ত, অনাহারে দিন কাটছে অনেক দেশের মানুষ। এক সমীক্ষায় জানা গেছে পৃথিবী জুড়ে প্রায় 120 মিলিয়ন মানুষ অনাহারে দিন কাটায়। অনাহারে হলো অপুষ্টির কারণ। এছাড়াও সভ্যতার ইতিহাস দুর্ভিক্ষের মত বিপর্যয় নেমে এসেছে বারবার। এই কণ হাতছাড়া খাদ্যসংকট দুর্ভিক্ষের পিছনে কি কি কারণ থাকতে পারে এবং এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেই সব দেশের জনসাধারণকে সচেতনতা তৈরি করার উদ্দেশ্যেই মূলত উক্ত দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।

বিশ্ব খাদ্য দিবস কবে?

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নানা দেশের বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করা হয়ে থাকে। কিন্তু একেক দেশে একেক দিনে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করে। জাতিসংঘের সদস্য ভুক্ত দেশগুলো সাধারণত 16 অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করে থাকে। বর্তমানে প্রায় 150 টিরও বেশি দেশ বা জাতি বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে।

বিশ্ব খাদ্য দিবস এর ইতিহাস

হাজার 945 সালে প্রতিষ্ঠিত ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন এর 20 তম সাধারণ সম্মেলনে এই সংস্থার সদস্যরা হাজার 979 সালের নভেম্বর মাসে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। হাজার 981 সালের 16 ই অক্টোবর প্রথম এজেন্ট উদযাপিত হয় ছিল। হাঙ্গেরির প্রতিনিধি এবং সেখানকার কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী ডক্টর পরমাণু সর্বপ্রথম প্রতিবছর এই দিবস পালনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বর্তমানে বিশ্বের 150 টিরও বেশি দেশ বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করে থাকে।

বিশ্ব খাদ্য দিবস প্রতিপাদ্য বিষয়

প্রতি বছর বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপনের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় এর উপর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। যেমন 2020 সালের বিশ্ব খাদ্য দিবস এর প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল সবাইকে একসাথে বিকশিত হন শরীরের যত্ন নিন সুস্থ থাকুন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস এর শুভেচ্ছা বার্তা

প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্য অভাবে অনাহারে থাকে। অথচ পৃথিবীর 20 ভাগ মানুষের কাছে আশি ভাগ মানুষের খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যের এই অসম বন্টন কে উন্নত করার জন্য বিশ্ব খাদ্য দিবস মানুষকে সচেতন করে। তাই বিশ্ব খাদ্য দিবস আমরা একে অন্যকে খাদ্য দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে পারি। আপনি যদি বিশ্ব খাদ্য দিবস সম্পর্কে শুভেচ্ছাবার্তা অনুসন্ধান করেন তাহলে এই নিবন্ধে কিছু সহযোগিতা পেয়ে যাবেন।