Home Blog Page 6

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস ২০২২ – তারিখ, ইতিহাস,শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রতিবছর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়। আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সারা বিশ্বব্যাপী পুরুষদের লিঙ্গ ভিত্তিক সমতা বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা পরিবেশের অন্যতম মূল লক্ষ্য। তাই এই দিবসটি পৃথিবীব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়ে থাকে। আপনি যদি আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস এর শুভেচ্ছা বার্তায় এসএমএস ও উক্তি অনুসন্ধান করেন তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্যই।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস ২০২২ কবে?

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রতিবছর হাজার ১৯ নভেম্বর পালন করা হয় তাকে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে এই দিবসটি পালিত হয়। দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য হলো পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সকল মানুষের কাছে তুলে ধরা।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস এর ইতিহাস

পুরুষ দিবস পালনের প্রস্তাব করা হয় ১৯৯৪ সালে। কিন্তু পুরুষ দিবসের ইতিহাস অনেক পুরনো।১৯২২ বল কি তোমার ছবি দুই নয়ন এই দিবসটি রেড আর্মি এন্ড নেভি ডে হিসেবে পালন করত। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বিরক্ত আর তাদের প্রতি সম্মান জানাতে। ২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ডিফেন্ডার অফ দা ফাদার ল্যান্ড ডে। রাশিয়া-ইউক্রেন সহ তখনকার সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ভুক্ত দেশ গুলোতে এ দিবসটি পালন করা হতো। বলা যায় নারী দিবসের অনুভবে দিবসটি পালিত হয়। ষাটের দশক থেকেই দিবসটি পালনের গুরুত্ব পৃথিবী গড়ে তুলে ধরেন আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস।
নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে পুরুষ দিবস পালনের জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যদিও অনুষ্ঠানগুলো খুব একটা প্রচার পায়নি। অংশগ্রহণও ছিল কম। পরবর্তী সময়ে ১৯ নভেম্বর পুরো বিশ্বে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস শুভেচ্ছা বার্তা

9ই নভেম্বর এখানে গ্রহের পুরুষদের সম্মান দিতে এসেছে। যাই হোক না কেন, আমি প্রতিদিনের জীবনে আমার মানুষটিকে কামনা করার জন্য স্নেহ এবং স্নেহের একটি ড্যাশ অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। আপনাকে আনন্দিত আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস আমার উপাসনা.

ভাল পুরুষদের প্রতি আমার বিশ্বাস অটুট রাখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ! আপনি সেরা ছাড়া আর কিছুই প্রাপ্য না. আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা।

একজন মানুষ যা করতে হবে তা করে – ব্যক্তিগত পরিণতি সত্ত্বেও, বাধা, বিপদ এবং চাপ সত্ত্বেও – এবং এটি সমস্ত মানব নৈতিকতার ভিত্তি। রাষ্ট্রপতি জন এফ কেনেডি দ্বারা

পুরুষ ঈশ্বরের একটি সুন্দর সৃষ্টি, কিন্তু তারা নিখুঁত নয়, তাই তাদের বেশ কয়েকটি ত্রুটি থাকা স্বাভাবিক। শুভ আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস!

পুরুষ দিবসের উক্তি

  1. একজন মানুষ যা করতে হবে তা করে – ব্যক্তিগত পরিণতি সত্ত্বেও, বাধা, বিপদ এবং চাপ সত্ত্বেও – এবং এটি সমস্ত মানব নৈতিকতার ভিত্তি। – জন এফ। কেনেডি
  2. পুরুষ হওয়া জন্মগত ব্যাপার। মানুষ হওয়াটা বয়সের ব্যাপার। তবে ভদ্রলোক হওয়া পছন্দের বিষয়। – ভিন ডিজেল
  3. একজন মানুষকে মাঝে মাঝে নখের মতো শক্ত হতে হবে: নিজের সম্পর্কে সত্যের মুখোমুখি হতে ইচ্ছুক…কিন্তু তাকে অবশ্যই কোমল হতে হবে। কোমলতার মতো নারীর বিরক্তির বর্মকে কোনো অস্ত্রই লঙ্ঘন করতে পারবে না। – এলিজাবেথ এলিয়ট
  4. একজন ভালো মানুষ মন্দ উপায়ে অন্যায়কে পরাজিত করার চেয়ে পরাজিত হওয়া পছন্দ করে। – স্যালাস্ট
  5. সফল মানুষ হওয়ার চেষ্টা করবেন না, বরং মূল্যবান মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন। – আলবার্ট আইনস্টাইন
  6. কিন্তু এই জেনে নিন। পুরুষরা মঙ্গল গ্রহের নয়। নারী শুক্র থেকে নয়। বিভাগের জন্য পড়া না. সবাই সবকিছু। একটি নক্ষত্রের ভিতরের প্রতিটি উপাদান আপনার ভিতরে রয়েছে এবং প্রতিটি ব্যক্তিত্ব যা কখনও বিদ্যমান ছিল তা প্রধান ভূমিকার জন্য আপনার মনের থিয়েটারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। – ম্যাট হাইগ

প্রমিস ডে ২০২২ – তারিখ, ইতিহাস,শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

প্রমিস ডে

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের শেষে থেকে পৌঁছে গেছে। আজ প্রমিস ডে। প্রত্যেক সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি বিশ্বাস ও অঙ্গীকার এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত জরুরী। যেকোনো সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে দু’পক্ষের মধ্যে তিনটি বিষয় থাকতে হয়। তাই আজ ভ্যালেন্টাইন উইক এর পঞ্চম দিন প্রেমিক-প্রেমিকা বন্ধু বান্ধবের সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন কারণ আজ প্রমিস ডে। প্রমিস ডে তে আমরা একে অপরের সাথে long-term সম্পর্কের একটি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ চাই। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই একে অপরকে কখনো ছেড়ে যাবো না। সুখ-দুঃখ বিপদাপদে সব সময় আমরা একে অপরকে সাথে থাকবো। আপনি যদি প্রমিস ডে সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার আর্টিকেলটির মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

প্রমিস ডে কবে?

ভালোবাসা উইকেট পঞ্চম দিন হল প্রমিস ডে। পরস্পরের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে সেই ভালোবাসাটা টিকে থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর এই দিনটি হলো সেই প্রতিশ্রুতি করার দিন। প্রতিশ্রুতি উপহার এর থেকেও দামি জিনিস। হৃদয়ের আঙ্গিনায় এই প্রমিস রয়েছে অনেকটা জায়গা জুড়ে। তাই প্রতিবছর 11 ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা সপ্তাহের পঞ্চম দিন প্রমিস ডে পালন করা হয়।

প্রমিস ডের ইতিহাস

যে কোনও সম্পর্ক দৃঢ় করতে, একে অপরের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে ও দায়িত্ব বোঝাতে এই দিন উদযাপন করা যেতে হয়। যদি কেউ নতুন সম্পর্ক শুরু করছেন বা সঙ্গীর সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করছেন, তা হলেও এই দিন উদযাপন অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবার অনেকেই বলতে পারেন, ভ্যালেন্টাইন’স ডে তো রয়েছেই, আলাদা করে এই দিনের কী গুরুত্ব রয়েছে? কিন্তু তাঁদের বলে রাখা ভালো, ভ্যালেন্টাইন’স উইকে প্রত্য়েকটি দিনের যেমন আলাদা আলাদা মানে রয়েছে, গুরুত্ব রয়েছে, তেমনই প্রমিস ডে-রও রয়েছে!

যদি সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায় বা সঙ্গীর সঙ্গে মনোমানিল্য হয়ে থাকে, তা হলে কিন্তু সহজেই আজকের দিনে তাকে প্রমিস করলে তার মন ভালো হয়ে যেতে পারে এবং আপনার প্রতি বিশ্বাস জন্মাতে পারে, আস্থা জন্মাতে পারে। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে এবং মনও ভালো থাকতে পারে।

প্রমিস ডের শুভেচ্ছা বার্তা

আজ এই বিশ্ব ভালোবাসা সপ্তাহের পঞ্চম দিন চলছে। এই দিনটি প্রত্যেক প্রেমিক প্রেমিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তারা সম্পর্কে জড়ানোর আগে একে অপরকে অপরের প্রতি প্রতিশ্রুতি করার দিন। একজন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে প্রতিশ্রুতি দিবে, অপরদিকে প্রতিশ্রুতি নিবে , প্রেমিকাও তার প্রেমিককে প্রতিশ্রুতি দিবে  । এভাবে সম্পর্কে কে নিয়ে যাবে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে। তাই প্রমিস ডে তে একজন আরেকজনকে শুভেচ্ছা জানানোর তন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিচে কিছু সুখ কিছু কথা যোগ করলাম।

আমি কথা দিচ্ছি, আমি তোমাকে কখনো যেতে দেব না! শুভ প্রতিশ্রুতি দিন প্রিয়তমা!

ভালবাসা, আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত, তুমিই থাকবে আমার জন্য, কথা দিলাম! শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস!

আমি তোমাকে আমার জীবনে থাকার জন্য ঈশ্বরের কাছে চির কৃতজ্ঞ। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে চিরকাল এইভাবে আপনাকে মূল্য এবং সম্মান করব। শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস.

আপনার হাসি আমি প্রতিদিন এবং প্রতিটি ঋতু দেখতে চাই. এই হাসিটা যেন বজায় থাকে তার জন্য যা যা করা দরকার আমি করব। শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস!

আপনি এমন স্বামী যা প্রতিটি মহিলার স্বপ্ন দেখে। তোমাকে আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে আমি ধন্য মনে করি। শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস!

আমার তোমার জন্য ভালবাসায় ভরা হৃদয়, তোমার জন্য তৃষ্ণায় ভরা চোখ এবং তোমার চিন্তায় ভরা মন আছে। আমি তোমাকে আমার কাছ থেকে কখনই যেতে দেব না। শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস!

আমি তোমাকে চিরকাল সুখী করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। শুভ প্রতিশ্রুতি দিন প্রিয়!

প্রমিস ডের দিবসের উক্তি

প্রত্যেক দিলে শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ্বাস প্রতিশ্রুতি এবং সেই প্রতিশ্রুতি কে বাস্তবায়িত করা। কোন কিছু পাওয়ার থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া কারো কাছ থেকে অত্যন্ত ভালো বিষয়। সেই প্রতিশ্রুতি যদি কোন প্রিয়জনের কাছ থেকে পাওয়া যায় তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাই প্রমিস ডে তে পৃথিবীর বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ বিখ্যাত কিছু উক্তি দিয়ে গেছেন। আমরা এক নজরে সেই সকল উক্তি দেখে নিব।

“আমি তোমাকে চিরকাল ভালবাসব বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি – চিরকালের প্রতিটি দিন।” – স্টিফেনি মায়ার

“আমি যা চাই তা হল আপনার প্রতিশ্রুতি আমার সাথে থাকার, আমার হওয়ার। কখনও কখনও মনে হয় আপনি সম্ভবত বাস্তব হতে পারবেন না। কথা দাও তুমি থাকবে।” – কাইরা ক্যাস

“আমি আপনার সমস্ত সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না, আমি কেবল প্রতিশ্রুতি দিতে পারি যে আমি কখনই আপনাকে তাদের মুখোমুখি হতে দেব না; শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস”

“আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে যাই হোক না কেন আমি তোমাকে ছেড়ে যাব না। শুভ প্রতিশ্রুতি দিবস, প্রিয়তমা!”

“শুধু আমাকে প্রতিশ্রুতি দিন যে আপনি যতবার আকাশে তাকাবেন এবং একটি তারা দেখবেন আপনি আমার কথা ভাববেন।” – এমিনেম

“একটি প্রতিশ্রুতি মানে সবকিছু কিন্তু একবার তা ভেঙ্গে গেলে দুঃখিত হওয়ার কোন মানে হয় না।”

“আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে আপনাকে বিশ্বাস করব এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আপনাকে অনুসরণ করব। আমি আপনাকে আমার হৃদয়ে ধরে রাখার এবং সর্বদা আপনাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে তোমাকে ভালবাসব এবং সর্বদা তোমার যত্ন নেব।” – অজানা

“আপনি যদি আমাকে আজকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন তবে আমি তা নেব এবং আগামীকালের জন্য আশা করব।” – এলেন হপকিন্স

“কিছু জিনিস যা আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে না। তুমি শুধু কর।” – রিক ইয়ান্সি

জেল হত্যা দিবস ২০২২ – তারিখ, ইতিহাস, বিচারকার্য, ছবি, বানী

জেল হত্যা দিবস

জেলহত্যা দিবস আওয়ামী লীগসহ বাংলাদেশে বেশ কিছু রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রতিপদ ৩ নভেম্বর পালিত হয়। এদিন বাংলাদেশের বিখ্যাত চার জাতীয় নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তারা হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ,সাবেক বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন নাম্বার ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। এই নিশংস তম হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচারণ এর জন্য প্রতিবছর 3 তারিখ নভেম্বর মাসের জেল হত্যা দিবস পালিত। আপনি যদি জেলহত্যা দিবস সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই অনুচ্ছেদটি আপনার জন্য।

জেল হত্যা দিবস কবে?

প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেন জেলহত্যা দিবসের তারিখ সম্পর্কে জানার জন্য। তাই আমি সেই সকল পাঠকদের উদ্দেশ্যে আজকে জেলহত্যা দিবসের তারিখ এখানে উল্লেখ করলাম। বাংলাদেশের ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড মধ্যে একটি হচ্ছে জেল হত্যা। এই তিন জেলের মধ্যে বাংলাদেশের সাবেক চারজন বিখ্যাত ব্যক্তি কে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছিল ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তাই ৩ নভেম্বরকে জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

জেল হত্যা দিবসের ইতিহাস

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির মধ্যে কিছু বিপথগামী সেনা সপরিবারে হত্যা করে। অভ্যুত্থানকারীরা ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফকে পাল্টা অভ্যুত্থানের সম্মুখীন হন। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাকারীদের দেশ থেকে নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কতিপয় সেনা কর্মকর্তা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে সাবেক উপরাষ্ট্রপতি, সাবেক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী,  ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি কামরুজ্জামানকে গুলি করে নিঃসংশ ভাবে হত্যা করে। তাদেরতাদেরতাদেরতাদের তিনজনের রক্তে রঞ্জিত হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজপথ। এই বাহান তিনজন নেতাদের রক্ত মিশে যায় একসাথে। তার পরে বছর থেকেই মূলত জেলহত্যা দিবস পালিত হয়ে থাকে।

জেলহত্যা দিবসের বিচারকার্য

এতক্ষণ অনুচ্ছেদটি পড়ে হয়তো আপনার মনে ক্ষোভ ঘৃণা জাকতেচে হত্যাকারীদের উপর। আপনাদের মনে হয় তো প্রশ্ন জাগতে পারে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি? হ্যাঁ এই রকমই মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। জেল হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছিল কিন্তু অনেক দেরিতে। জেলহত্যার প্রায় 29 বছর পরের বিচারকার্য শুরু হয়। 2004 সালে 22 শে অক্টোবর 3 জন পলাতক সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড ও 12 জন সেনা কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। বি এম পির চারজন সিনিয়র নেতাসহ পাঁচ জনকে খালাস দেওয়া হয়। এরপরে 2008 সালে 28 শে আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ জেলহত্যা মামলার অভিযুক্ত 6 জন সামরিক কর্মকর্তাদের খালাস দেয়। এর মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা, এবং একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে 2010 সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষ খালাসিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

জেলহত্যা দিবসের ছবি

1975 সালের 15 আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায় বাংলাদেশের বিরোধী শক্তি। বাংলাদেশের মানুষ ফুলে-ফেঁপে উঠেছে অপশক্তিকে রুখে দিতে। এই নৃশংসতম গণহত্যা ঘৃণা এখনো মানুষের মনে জন্মে আছে। তাই প্রতি বছর জেল হত্যা দিবসের মানুষ একজন অপরজনকে জেল হত্যার মতো নৃশংসতম গণহত্যা আর কথা স্মরণ করে একে অন্যকে ছবি দিয়ে শেয়ার করে। তাই প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ জেলহত্যা দিবসের ছবি ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করেন। আমি নিবন্ধের এই অংশে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জেলহত্যা দিবসের ছবি সংযুক্ত করেছি।

বিশ্ব আদিবাসী দিবস ২০২২ – তারিখ, প্রতিপাদ্য বিষয়, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি, স্ট্যাটাস, ছবি

বিশ্ব আদিবাসী দিবস

জাতিসংঘ ঘোষিত 1998 সাল থেকে 9 আগস্ট বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আদিবাসী শব্দ নিয়ে বাংলাদেশের বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের উপজাতি, নৃগোষ্ঠী , সম্প্রদায় নিজেদেরকে আদিবাসী হিসেবে আখ্যায়িত করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। জাতিসংঘ ও তাদের জন্য দাপ্তরিক কাজে আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।

আদিবাসী দিবস কাকে বলে ?

আদিবাসীদের সুবিধা অর্জনের জন্য যে দিবসটি পালন করা হয় আদিবাসী দিবস বলে। এই দিনে সকল আদিবাসী রাজপথে নেমে তাদের অধিকার আদায়ের মিছিল করেন।

আদিবাসী দিবস কবে ?

প্রতিবছর ৯ আগস্ট পালন করা একটি আন্তর্জাতিক দিবস। জাতিসংঘ ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালন করে আসছে এই দিবসটি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে আদিবাসী শব্দ নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে।

আদিবাসী দিবসের ইতিহাস

১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে আদিবাসীরা তাদের মানবাধিকার, অধিকার ও স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত করেন। বিশ্বের চল্লিশটির ও বেশি বেশি দেশে প্রায় আদিবাসীদের জনসংখ্যা প্রায় 30 থেকে 35 কোটির বেশি। আদিবাসীদের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচয় পাওয়া যায় যেমন উপজাতি, ক্ষুদ্রনীগোষ্ঠী ইত্যাদি। আদিবাসী শব্দটি নিয়ে বিশ্বে রয়েছে বিভিন্ন বিতর্ক। আদিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য দুটি ধারা রয়েছে। প্রথমটি আদিবাসী ও ট্রাইবেল কনভেনশন ১৯৫৭ (১০৭) ও দ্বিতীয় টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ট্রাভেল কনভেনশন ১৯৮৭৯(১৬৯) ।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালনের স্বীকৃতি

বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের স্বীকৃতি পায় ৪৯/ ২১৪ বিধিমালায় ২৩  শে ডিসেম্বর ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ থেকে। আন্তর্জাতিক দিবসটি পালন করে থাকেন 9 আগস্ট বিশ্বের প্রায় ৯০ টি দেশে প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন আদিবাসীরা । বিশ্বের সকল আদিবাসী তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, অধিকার, ও নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালন করে আসেন।

বাংলাদেশ আদিবাসী দিবস উদযাপন

বিশ্ব আদিবাসী দিবস যার ১৯৯৮সাল থেকে পালন করা হলেও বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রথম পালিত হয় 2004 সাল থেকে। মূলত 2001 সালে আদিবাসী ফোরাম গঠন হওয়ার পর থেকে বেসরকারি ভাবে পালন করা শুরু করেন। পরবর্তীতে 2004 সাল থেকে সরকারিভাবে পালন করা হয় আদিবাসীদের সংস্কৃতি ও অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। লাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও,গাইবান্ধা, বগুড়া ইত্যাদি জেলাগুলিতে সাঁওতাল, শিং (গঞ্জু), ওঁরাও, মুন্ডারি, বেদিয়া মাহাতো, রাজোয়ার, কর্মকার, তেলী,তুরী, ভুইমালী, কোল, কড়া, রাজবংশী, মাল পাহাড়িয়া, মাহালী ইত্যাদি জাতিগোষ্ঠি বসবাস করছে। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, মুরং বা ম্রো, খিয়াং, লুসাই, পাংখোয়া,বম, খুমী ও চাক জনগোষ্ঠি বসবাস করছেন। বাংলাদেশে প্রায় ৩০ লক্ষের বেশি আদিবাসী তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ভূমির অধিকারের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য প্রতিবছরই এ দিবসটি পালন করে আসেন।

আদিবাসী দিবসের তাৎপর্য

প্রতিটি দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে আদিবাসীদের অবদান অতুলনীয়। হোক তা অর্থনীতির উন্নয়নে বা পরিবেশ সংরক্ষণে সব জায়গায় তাদের অনেক অবদান রয়েছে। তাই তাদের সংস্কৃতি ও অধিকার নিয়ে অধিকারের জন্য।

আদিবাসী দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

-এই জমির সাথে কার জায়গা আছে, যারা এই ভূমির বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে তাদের প্রশংসা করার দিন।

-আজ এই ভূমির স্থানীয়দের প্রশংসা করতে হবে, এই ঐতিহ্যের সাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। আদিবাসী দিবসের শুভেচ্ছা।

– গভীরভাবে দেখুন, এটি আদিবাসী ভূমি, আদিবাসীদের প্রথমে রাখুন। আমার এই ভূমি এবং সাধারণ জনগণের এই জাতীয়তাবাদের প্রশংসা করা দরকার।

-সমস্ত রাজ্যের উচিত নেটিভ আমেরিকানদের সম্মান করা এবং উপলব্ধি করা উচিত, এই ভূমির প্রথম অধিকারী।

-এটি কেবল উপনিবেশের বিরুদ্ধে একটি বিজয় নয়, তবুও এই দেশে আদিবাসী নেটওয়ার্কগুলির তীব্রতাকে সম্মান করার জন্য একটি মঞ্চ এগিয়ে!

আদিবাসী দিবসের উক্তি 

“আমি অনুমান করি আপনি বলতে পারেন যে আমরা আদিবাসীরা এটিকে উল্টে দেওয়ার পথে রয়েছি।” – পলিন ট্যাঙ্গিওরা

“সত্য হল কেউ কিছুর মালিক হতে পারে না। আদিবাসীদের মধ্যে এটি একটি অশ্রুত ধারণা ছিল। আমরা এটি আবিষ্কার করেছি।” – টম শ্যাডিয়াক

“আমরা অতীতের মিথ, জঙ্গলের ধ্বংসাবশেষ বা চিড়িয়াখানা নই। আমরা মানুষ এবং আমরা সম্মান পেতে চাই, অসহিষ্ণুতা ও বর্ণবাদের শিকার হতে চাই না।” – রিগোবার্টা মেনচু

টেলিটক প্যাকেজ পরিবর্তন করার নিয়ম ২০২২

টেলিটক প্যাকেজ পরিবর্তন করার নিয়ম

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর। বাংলাদেশের মানুষের কাছে টেলিটক একটি জনপ্রিয় নাম। টেলিটকের বেশকিছু প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড প্যাকেজ রয়েছে। অন্যান্য মোবাইল অপারেটররা প্যাকেজের প্রতি যতোটা অবগত টেলিটক গ্রাহকরা ততটাই উদাসীন। বেশিরভাগ টেলিটক গ্রাহকরা তাদের প্যাকেজ সম্পর্কে জানেনা। এজন্য তাদের বর্তমান প্যাকেজ অনুযায়ী কল রেট অফার এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তারা অবগত নয়।

কিন্তু আপনি যদি আপনার বর্তমান প্যাকেজ সম্পর্কে জানতে চান এবং আপনার বর্তমান প্যাকেজ এর সুবিধাগুলো জানার পাশাপাশি অন্যান্য প্যাকেজ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন তবে এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন। এই পোস্টটিতে আমরা টেলিটকের প্যাকেজ পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছি এবং এর সাথে সম্পৃক্ত বিষয়গুলো যেমন এক প্যাকেজ থেকে অন্য প্যাকেজে কিভাবে যাবেন অর্থাৎ এক প্যাকেজ থেকে অন্য প্যাকেজে মাইগ্রেশন করার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

টেলিটক প্যাকেজ পরিবর্তন করার নিয়ম 2022

একজন টেলিটক প্রিপেইড কাস্টমার খুব সহজেই এক প্যাকেজ থেকে অন্য প্যাকেজে মাইগ্রেশন করতে পারেন। মাইগ্রেশন কথাটি আপনার কাছে নতুন মনে হলে জেনে নিন এর অর্থ হচ্ছে প্যাকেজ পরিবর্তন করা। অর্থাৎ আপনার বর্তমান টেলিটক প্যাকেজ থেকে আপনি খুব সহজে টেলিটকের অন্য একটি প্যাকেজে স্থানান্তর হতে পারবেন। আপনার বর্তমান প্যাকেজ এর কল রেট এবং ফিচার থেকে আলাদা হতে পারে আপনার মাইগ্রেশনের ইচ্ছুক প্যাকেজটি।

টেলিটক প্যাকেজ পরিবর্তন করার নিয়ম

যদিও আমরা এখানে মাইগ্রেশন করার পদ্ধতি এবং বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করছি তবুও আপনাকে অনুরোধ করছি মাইগ্রেশন করার পূর্বে সে প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করুন। আপনাকে টেলিটকের সকল প্রি-পেইড প্যাকেজ এবং পোস্টপেইড প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য আমরা প্রতিটি প্যাকেজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি। তাই একবার হলেও সেই প্যাকেজে মাইগ্রেট করার পূর্বে প্যাকেজটির কলরেট রিচার্জ অফার ইন্টারনেট অফার এবং অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে জেনে আসুন।

টেলিটক সিমের প্যাকেজ পরিবর্তন করার কোড

একটি এসএমএস এর মাধ্যমে একজন টেলিটক গ্রাহক সহজেই তার বর্তমান প্যাকেজ থেকে অন্য একটি প্যাকেজে মাইগ্রেশন করতে পারেন। টেলিটকের প্যাকেজ পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে প্যাকেজের শর্টকোড জানতে হবে এবং একটি এসএমএস এর মাধ্যমে প্যাকেজ পরিবর্তনের অনুরোধ রাখতে হবে। অনুরোধ রাখার সাথে সাথেই আপনার বর্তমান প্যাকেজটির থেকে আপনার সিমটি কাঙ্খিত প্যাকেজে স্থানান্তর করা হবে। এবং আপনি উপভোগ করতে পারবেন আপনার কাঙ্খিত প্যাকেজ এর সকল ফিচার। আপনি উল্লেখিত প্যাকেজ গুলো দেখে নিন এবং জেটিতে মাইগ্রেট করতে চান যে প্যাকেজে পরিবর্তিত হতে চান সেই প্যাকেজের কোড নাম্বারটি লিখে এসএমএস টি পাঠিয়ে দিন।

প্যাকেজের নাম এসএমএস কোড পাঠাতে হবে
শতবর্ষ প্যাকেজ (প্রিপেইড) S100 888
স্বাগতম প্যাকেজ (প্রিপেইড) SAG 112
ইয়ুথ প্যাকেজ (প্রিপেইড) Y3G 555
স্বাধীন প্যাকেজ (প্রিপেইড) SAD 555
প্রজন্ম প্যাকেজ (প্রিপেইড)
অপরাজিতা প্যাকেজ (প্রিপেইড)
মায়ের হাসি প্যাকেজ (প্রিপেইড)
বর্ণমালা প্যাকেজ (প্রিপেইড)
আগামী প্যাকেজ (প্রিপেইড) 
গ্র্যাভিটি প্যাকেজ (পোস্টপেইড)

 

প্যাকেজ পরিবর্তন কিংবা টেলিটকের অন্যান্য বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন। আমাদের একজন প্রতিনিধি আপনার বিষয়টা নিয়ে কাজ করবে এবং আপনাকে খুব দ্রুত সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবে।

টেলিটক এমবি দেখার উপায় ও কোড ২০২২

টেলিটক এমবি দেখার উপায়

টেলিটক এমবি দেখার উপায় 2022 এবং এমবি দেখার কোড নিয়ে আমাদের আজকের এই পোস্ট। টেলিটক বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর যা দেশব্যাপী সেবা প্রদান করে আসছে। টেলিটকের মাধ্যমে অনেক কাজ করা যায় বিধায় অনেক ব্যবহারকারী নিয়মিত টেলিটক ব্যবহার করে আসছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অনেক কাস্টমার আছে যারা টেলিটক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই জানেননা টেলিটকে কিভাবে এমবি চেক করা যাবে। তাই তারা সার্চ করতেছে টেলিটক এমবি চেক করার কোড নাম্বার লিখে। আমাদের এই পোস্টটিতে তারা টেলিটক ইন্টারনেট ব্যালেন্স ডাটা ব্যালেন্স চেক করার কোড টি সম্পর্কে জানতে পারবে। এছাড়াও ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করার আরও বেশ কয়েকটি উপায় আছে যেগুলো নিয়ে আমরা এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব।

টেলিটক এমবি দেখার উপায় 2022

প্রথমেই আমরা জেনে নেই কতগুলো উপায় বা কি কি উপায়ে টেলিটক এমবি চেক করা যাবে। মাই টেলিটক মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই টেলিটক সিমের ইন্টারনেট ব্যালেন্স দেখা যায়। এছাড়াও ইউএসএসডি কোড ডায়াল করে আপনি খুব সহজেই টেলিটক সিমের এমবি দেখতে পারবেন।

টেলিটক এমবি চেক করার কোড

আপনি খুব সহজেই 152# কোডটি ডায়াল করে টেলিটক সিমের ইন্টারনেট ব্যালেন্স অর্থাৎ টেলিটক এমবি চেক করতে পারবেন। এই কোডটি ডায়াল করা মাত্রই আপনার ফোনে একটি এসএমএস আসবে যেখানে আপনার ইন্টারনেট ব্যালেন্স টকটাইম মিনিট ব্যালেন্স এসএমএস ব্যালেন্স এবং এগুলোর মেয়াদ উল্লেখ করা থাকবে। মূলত ১৫২# করতে হচ্ছে টেলিটক ব্যালেন্স চেক করার কোড।

তবে এই কোডটি ডায়াল করা মাত্রই একটি এসএমএস এর মাধ্যমে টেলিটক গ্রাহকের অবশিষ্ট ইন্টারনেট ব্যালেন্স ব্যালেন্স এবং এসএমএস ব্যালান্স সম্পর্কে অবগত করেন। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে মাই টেলিটক অ্যাপস ইউজার অ্যাপের মাধ্যমে তাদের অবশিষ্ট ব্যালেন্স সমূহ এবং এর মেয়াদ জানতে পারে খুব সহজেই। এছাড়াও টেলিটকের হট লাইন নাম্বার বা আইভিআর নাম্বারে কল করেও ইন্টারনেট ব্যালেন্স জানা যায় নিমিষেই।

টেলিটকের অন্যান্য কোড জানতে আমাদের অন্যান্য পোস্টগুলো পড়ার আমন্ত্রণ রইল। একই সাথে টেলিটক সংক্রান্ত সকল তথ্যের জন্য আপনি টেলিটক হেল্পলাইন নাম্বার ওয়ান টু ওয়ানে কল করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

টেলিটক নাম্বার দেখার উপায় ২০২২

টেলিটক নাম্বার দেখার উপায়

টেলিটক নাম্বার দেখার উপায় 2022 ও নাম্বার দেখার কোড নিয়ে আমাদের এই পোস্টটি। আপনার কাছে যদি টেলিটক সিম থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই একটি কোড ডায়াল করে আপনার নিজের টেলিটক নাম্বার জানতে পারবেন। তবে আপনার সিমটি ফোনে ইনসার্ট করার পর যদি এমার্জেন্সি লেখা আসে কিংবা ইনসার্ট সিম আসে তাহলে বুঝতে হবে সিমটি নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আপনার প্রশ্ন হতে পারে কিভাবে টেলিটক নষ্ট হয়ে যাওয়া সিমের নাম্বার বের করব। এছাড়াও আপনার টেলিটক ভুলে যাওয়া সিমের নাম্বার জানার আগ্রহ থাকতে পারে। এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাবেন আপনি এই পোষ্টের মাধ্যমে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

টেলিটক নাম্বার দেখার উপায়

টেলিটক নাম্বার দেখার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে যেগুলোর থেকে আপনি আপনার নিজের টেলিটক নাম্বার টি জানতে পারবেন। রিচার্জের মাধ্যমে কোড ডায়াল করার মাধ্যমে এবং কাস্টমার কেয়ারে কল করার মাধ্যমে আপনি টেলিটক নাম্বার জেনে নিতে পারবেন। আপনার কাছে যদি টেলিটক সিম থাকে এবং সিম টি সচল হয় তাহলে আপনি খুব সহজে কোড ডায়াল করার মাধ্যমে আপনার নিজের টেলিটক নাম্বার জানতে পারবেন।

টেলিটক সিমের নাম্বার দেখার কোড ২০২২

টেলিটক নাম্বার দেখতে আপনার টেলিটক মোবাইল থেকে ডায়াল করুন *511#। এই কোডটি ডায়াল করলেই আপনার নিজের টেলিটক মোবাইল নাম্বারটি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে। এটি শুধুমাত্র সচল টেলিটক সিমের ক্ষেত্রে নিজের নাম্বার জানার উপায়। এমন অনেকেই আছেন যারা নিজের নাম্বার ভুলে গেছেন এবং সেটি নষ্ট হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে নষ্ট হয়ে যাওয়া অথবা ভুলে যাওয়া টেলিটক সিমের নাম্বার জানার উপায় কি? একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে জেনে নিতে পারবেন সহজেই।

টেলিটক ভুলে যাওয়া সিমের নাম্বার জানার উপায়

এ পর্যায়ে আপনার কাছে আপনার টেলিটক ফিজিক্যাল সিমটি থাকতে হবে যেটির নাম্বার আপনি ভুলে গেছেন। এইচএমটি ফোনে প্রবেশ করানোর পর যদি টেলিটক লেখা আসে তাহলে উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে কোড ডায়াল এর মাধ্যমে আপনার নিজের নাম্বার জানতে পারবেন। আর যদি সিমটি নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে সিম এর সিরিয়াল নাম্বার থেকে আপনার নিজের নাম্বার বের করতে হবে। এজন্য প্রথমেই আপনার টেলিটক সিম কার্ডটি হাতে নিন এবং এর মধ্যে 8988 দিয়ে শুরু একটি নাম্বার দেখতে পাবেন সিম এর সিরিয়াল নাম্বার হিসেবে পরিচিত।

অন্য যেকোনো টেলিটক নাম্বার থেকে টেলিটক কাস্টমার কেয়ার 121 অথবা আপনার অন্য অপারেটরের নাম্বার অর্থাৎ গ্রামীণফোন রবি এয়ারটেল কিংবা বাংলালিংক নাম্বার থেকে কল করুন ০১৫৫০১৫৬৫০-৬০ নাম্বারে। টেলিটকের একজন কাস্টোমার কেয়ার প্রতিনিধি আপনাকে সাহায্য করতে চাইবে এবং উনাকে সিমের সিরিয়াল নাম্বার বলে দিলে উনি আপনার টেলিটক মোবাইল নাম্বারটি বলে দিবেন।

এ ব্যাপারে আরো কোনো প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের কমেন্টস করে জানান। আমরা খুব দ্রুত আপনার সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব।